নগর বার্তা

সামান্য কারণে বেত্রাঘাত, মাদরাসায় শিশুর শরীরজুড়ে ক্ষতচিহ্ন



সামান্য কারণে বেত্রাঘাত, মাদরাসায় শিশুর শরীরজুড়ে ক্ষতচিহ্ন

নরসিংদীর ভেলানগর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার এরাবিয়া মাদরাসায় এক শিক্ষক কর্তৃক ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত শিশুটির নাম মুজাহিদ (৭)। শিশুটির দাবি, গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করায় মাদরাসার শিক্ষক নাজমুল ইসলাম তাকে বেত দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে এবং চামড়া ফেটে রক্ত বের হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করে শিশুটি।

শিশুটির বাবা মাদরাসায় গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির সারা শরীরে বেতের দাগ ও রক্তাক্ত ক্ষত দেখতে পান। গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শিশুটির চাচা বলেন,

“এতদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন নির্যাতনের খবর দেখেছি, এবার নিজের পরিবারের শিশুই তার শিকার হলো। কিছু শিক্ষকের এমন আচরণের কারণে পুরো আলেম সমাজের বদনাম হচ্ছে। একটি ছোট শিশুকে এভাবে নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

স্থানীয় অভিভাবকরাও এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সামান্য কারণে একটি শিশুকে এভাবে মারধর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন ঘটনা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি অভিভাবকদের আস্থা নষ্ট করতে পারে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

নগর বার্তা

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


সামান্য কারণে বেত্রাঘাত, মাদরাসায় শিশুর শরীরজুড়ে ক্ষতচিহ্ন

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image





নরসিংদীর ভেলানগর জেলখানার মোড়ে অবস্থিত মাদরাসাতুল আবরার এরাবিয়া মাদরাসায় এক শিক্ষক কর্তৃক ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে প্রহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আহত শিশুটির নাম মুজাহিদ (৭)। শিশুটির দাবি, গোসল করতে অনীহা প্রকাশ করায় মাদরাসার শিক্ষক নাজমুল ইসলাম তাকে বেত দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে এবং চামড়া ফেটে রক্ত বের হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করে শিশুটি।

শিশুটির বাবা মাদরাসায় গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির সারা শরীরে বেতের দাগ ও রক্তাক্ত ক্ষত দেখতে পান। গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শিশুটির চাচা বলেন,

“এতদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন নির্যাতনের খবর দেখেছি, এবার নিজের পরিবারের শিশুই তার শিকার হলো। কিছু শিক্ষকের এমন আচরণের কারণে পুরো আলেম সমাজের বদনাম হচ্ছে। একটি ছোট শিশুকে এভাবে নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

স্থানীয় অভিভাবকরাও এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সামান্য কারণে একটি শিশুকে এভাবে মারধর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন ঘটনা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি অভিভাবকদের আস্থা নষ্ট করতে পারে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


নগর বার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এইচ এম মামুন
কপিরাইট © ২০২৬ নগর বার্তা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত