মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২নং কড়াইচুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জিয়াউর রহমান জিয়া—রাজনীতির মাঠে একজন পরিচিত মুখের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে চলেছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, রাজনীতিকে শুধু নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন জিয়াউর রহমান জিয়া। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহযোগিতা, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকায় নিজের একটি মানবিক পরিচিতি গড়ে তুলতে চান।
২নং কড়াইচুড়া ইউনিয়নকে আরও উন্নত, আধুনিক ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মানুষের কাছে যাচ্ছেন। তার রাজনৈতিক বক্তব্যে উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও দীর্ঘদিনের সক্রিয়তার কারণে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে জিয়াউর রহমান জিয়ার একটি অবস্থান রয়েছে। দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানান তার অনুসারীরা।
জিয়াউর রহমান জিয়ার সমর্থকদের দাবি, “তিনি শুধু ভোটের সময় মানুষের কাছে যেতে চান না; মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে থাকাটাকেই রাজনীতির অন্যতম দায়িত্ব মনে করেন।”
তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধি প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়—তার সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানুষের সঙ্গে আচরণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সক্ষমতার ওপরও নির্ভর করে।
চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়াউর রহমান জিয়ার প্রত্যাশা—কড়াইচুড়া ইউনিয়নের মানুষ যদি তাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে দল-মত নির্বিশেষে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করবেন এবং একটি জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন।
মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তা—এই তিনকে সামনে রেখে ২নং কড়াইচুড়া ইউনিয়নে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার চেষ্টা করছেন মো. জিয়াউর রহমান জিয়া।