<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?>
<rss version="2.0"
    xml:base="https://nagorbarta.com.bd/"
    xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
    xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
    xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
    xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/">
    <channel>
        <title>Nagorbarta | RSS Feed</title>
        <link>https://nagorbarta.com.bd/</link>
        <description>A RSS news feed containing the latest Nagorbarta articles.</description>
        <atom:link href="https://nagorbarta.com.bd/rss/rss.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <dc:language>bn-bd</dc:language>
        <dc:creator>Nagorbarta</dc:creator>
        <dc:rights>Copyright 2026 Nagorbarta</dc:rights>
        <dc:date>2026-08-29T21:03:34+06:00</dc:date><item>
                <title>&#039;আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে জামায়াত রাজনীতি ঘোলাটে করছে কি না, সজাগ থাকতে হবে&#039;</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/155/</link>
                <description><![CDATA[আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে দেশের রাজনীতি ঘোলাটে করার চেষ্টা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ সংস্কার শেষে চলাচলের জন্য উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে মাত্র ছয় মাস। রাতারাতি বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের সমাধান করা সম্ভব নয়। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কিছুটা সময় প্রয়োজন।
তিনি বলেন, অথচ বিরোধী দল ছয় মাস না যেতেই সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, যাতে সরকার দেশের জন্য কাজ করতে না পারে।
আবদুস সালাম বলেন, আগামী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন হবে। বিএনপি আগামী পাঁচ বছরে দেশে সুশাসন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেবে।
গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। ব্রিজটিতে মরিচা ধরে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। পরে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্রিজটি সংস্কার করা হয়।
সংস্কারের পর ব্রিজটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এলাকার প্রায় ৫০ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি। যানবাহন চলাচল না করলেও এখন থেকে স্থানীয়রা নিরাপদে পায়ে হেঁটে ব্রিজটি পার হতে পারবেন।
&#160;
]]></description>
                <pubDate>Fri, 28 Aug 2026 14:07:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/155/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17879044383141.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে দেশের রাজনীতি ঘোলাটে করার চেষ্টা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ সংস্কার শেষে চলাচলের জন্য উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে মাত্র ছয় মাস। রাতারাতি বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের সমাধান করা সম্ভব নয়। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কিছুটা সময় প্রয়োজন।
তিনি বলেন, অথচ বিরোধী দল ছয় মাস না যেতেই সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, যাতে সরকার দেশের জন্য কাজ করতে না পারে।
আবদুস সালাম বলেন, আগামী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন হবে। বিএনপি আগামী পাঁচ বছরে দেশে সুশাসন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেবে।
গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। ব্রিজটিতে মরিচা ধরে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। পরে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্রিজটি সংস্কার করা হয়।
সংস্কারের পর ব্রিজটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এলাকার প্রায় ৫০ লাখ মানুষ উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি। যানবাহন চলাচল না করলেও এখন থেকে স্থানীয়রা নিরাপদে পায়ে হেঁটে ব্রিজটি পার হতে পারবেন।
&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গ্রেপ্তার নাজমুলকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দেওয়ার অভিযোগ</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/154/</link>
                <description><![CDATA[সাম্প্রতিক সময়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে নিজের বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদকে ‘ভুল, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাজীপুরের গাছা থানার শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন খান নাঈম। একই সঙ্গে ওই সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেন বলেন, সম্প্রতি প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে আবুল হাশেম নামের এক ব্যক্তির বক্তব্যের ভিত্তিতে তাঁকে একাধিক চাঁদাবাজি মামলার আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।নাজমুল হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ আগস্ট ২০২৫ তাঁর বাড়ির সামনে গেট বন্ধ করে বালু ফেলে রাখাকে কেন্দ্র করে আবুল হাশেমের সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। এতে তাঁর ব্যবহৃত গাড়ি বের করতে অসুবিধা হচ্ছিল। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, পরবর্তীতে আবুল হাশেম তাঁকে ও তাঁর ছোট ভাইকে আসামি করে গাছা থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় আদালতের মাধ্যমে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বলেও দাবি করেন নাজমুল হোসেন। তাঁর অভিযোগ, মামলা ও বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে তাঁকে চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য।সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজ উদ্দিন বাবুলের করা অভিযোগেরও প্রতিবাদ করেন নাজমুল হোসেন। ওই প্রতিবেদনে তাঁকে রিয়াজ উদ্দিন বাবুলের বাড়িঘর দখলকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।নাজমুল হোসেন বলেন, ‘যে সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটি আমার বাবার পৈতৃক সম্পত্তি। আমার বাবা পৈতৃক সূত্রে এবং তাঁর ফুফাতো বোনের কাছ থেকে খরিদ সূত্রে ওই সম্পত্তির মালিক হন। এ সম্পত্তির খাজনা-খারিজসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমাদের নামে রয়েছে।’তাঁর অভিযোগ, পারিবারিক ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর চাচা ওই সম্পত্তি বিক্রি করে দেন এবং রিয়াজ উদ্দিন বাবুল তা ক্রয় করেন। এরপর সম্পত্তিটি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান নাজমুল হোসেন।তিনি আরও বলেন, ‘আইনের মাধ্যমে আমাকে মোকাবিলা করতে না পেরে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমাকে বিএনপি হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় আমাকে আওয়ামী লীগের লোক বা আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচয় করানোর চেষ্টা চলছে।’নিজের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে নাজমুল হোসেন বলেন, তিনি অতীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে দলটির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর দাবি, জুলাই আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৫ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত তিনি কারাগারে ছিলেন।তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনেও তিনি একজন এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘আমি যদি আওয়ামী লীগের দোসর হয়ে থাকি, তাহলে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে?’সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেনের অভিযোগ, তাঁর সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হেয় করা এবং সামাজিকভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। এ উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। যেসব অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আদালতের নথি যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা হলে প্রকৃত তথ্য সামনে আসত।’নিজের বিরুদ্ধে মানহানি ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে নাজমুল হোসেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তথ্য-উপাত্ত ও অভিযোগের যথাযথ যাচাই ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে মামলা-সংক্রান্ত কাগজপত্র, সম্পত্তির দলিল, খাজনা-খারিজের নথি এবং পূর্বে প্রকাশিত সংবাদসহ বিভিন্ন নথি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপনের কথা জানান।তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে আবুল হাশেম ও রিয়াজ উদ্দিন বাবুলের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে।]]></description>
                <pubDate>Fri, 28 Aug 2026 05:19:23 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/154/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17878727633584.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সাম্প্রতিক সময়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে নিজের বিরুদ্ধে প্রচারিত সংবাদকে ‘ভুল, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাজীপুরের গাছা থানার শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন খান নাঈম। একই সঙ্গে ওই সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেন বলেন, সম্প্রতি প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে আবুল হাশেম নামের এক ব্যক্তির বক্তব্যের ভিত্তিতে তাঁকে একাধিক চাঁদাবাজি মামলার আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।নাজমুল হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৭ আগস্ট ২০২৫ তাঁর বাড়ির সামনে গেট বন্ধ করে বালু ফেলে রাখাকে কেন্দ্র করে আবুল হাশেমের সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। এতে তাঁর ব্যবহৃত গাড়ি বের করতে অসুবিধা হচ্ছিল। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, পরবর্তীতে আবুল হাশেম তাঁকে ও তাঁর ছোট ভাইকে আসামি করে গাছা থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় আদালতের মাধ্যমে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বলেও দাবি করেন নাজমুল হোসেন। তাঁর অভিযোগ, মামলা ও বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে তাঁকে চাঁদাবাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য।সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজ উদ্দিন বাবুলের করা অভিযোগেরও প্রতিবাদ করেন নাজমুল হোসেন। ওই প্রতিবেদনে তাঁকে রিয়াজ উদ্দিন বাবুলের বাড়িঘর দখলকারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।নাজমুল হোসেন বলেন, ‘যে সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটি আমার বাবার পৈতৃক সম্পত্তি। আমার বাবা পৈতৃক সূত্রে এবং তাঁর ফুফাতো বোনের কাছ থেকে খরিদ সূত্রে ওই সম্পত্তির মালিক হন। এ সম্পত্তির খাজনা-খারিজসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমাদের নামে রয়েছে।’তাঁর অভিযোগ, পারিবারিক ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর চাচা ওই সম্পত্তি বিক্রি করে দেন এবং রিয়াজ উদ্দিন বাবুল তা ক্রয় করেন। এরপর সম্পত্তিটি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে দেওয়ানি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান নাজমুল হোসেন।তিনি আরও বলেন, ‘আইনের মাধ্যমে আমাকে মোকাবিলা করতে না পেরে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমাকে বিএনপি হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় আমাকে আওয়ামী লীগের লোক বা আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে পরিচয় করানোর চেষ্টা চলছে।’নিজের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে নাজমুল হোসেন বলেন, তিনি অতীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে দলটির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর দাবি, জুলাই আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৫ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত তিনি কারাগারে ছিলেন।তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনেও তিনি একজন এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘আমি যদি আওয়ামী লীগের দোসর হয়ে থাকি, তাহলে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে?’সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেনের অভিযোগ, তাঁর সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হেয় করা এবং সামাজিকভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। এ উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। যেসব অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আদালতের নথি যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা হলে প্রকৃত তথ্য সামনে আসত।’নিজের বিরুদ্ধে মানহানি ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে নাজমুল হোসেন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তথ্য-উপাত্ত ও অভিযোগের যথাযথ যাচাই ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে মামলা-সংক্রান্ত কাগজপত্র, সম্পত্তির দলিল, খাজনা-খারিজের নথি এবং পূর্বে প্রকাশিত সংবাদসহ বিভিন্ন নথি সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপনের কথা জানান।তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে আবুল হাশেম ও রিয়াজ উদ্দিন বাবুলের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জামায়াত আমির</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/153/</link>
                <description><![CDATA[স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদে হট্টগোল হয়েছে। তার বক্তব্য এক্সপাঞ্জের দাবিও জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বের সময় এ পরিস্থিতির তৈরি হয়। &#160;&#160;
প্রথমে কুমিল্লা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো নাকি পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।
এর পরপরই প্রতিবাদ জানান বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা। তাদের হট্টগোলের সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এটা তো আওয়ামী লীগের আমল না। আপনারা তো ইচ্ছেমতো সরকারকে ক্রিটিসাইজ করতে পারছেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য দেবেন। তারপর আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে দেব। প্রশ্নোত্তর উনি দিক, তারপর যদি তা পছন্দ না হয় আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে মাইক দেব।
এরপরও প্রতিবাদ জানাতে থাকেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। এ সময় স্পিকার বলেন, পরমতসহিষ্ঞুতা না থাকলে গণতন্ত্র ব্যর্থ হবে। স্পিকারের কথা বলার সময় যে রোষটা আপনারা দেখাচ্ছেন এটা সংসদ পরিপন্থি কাজ। আমি আমার জ্ঞান বুদ্ধিমতো নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করার চেষ্টা করছি।
তখন স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে কথা বলার সুযোগ দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার যে শব্দচয়নে ওনাদের আপত্তি সেটার জবাবটা আমি দিতে পারবো। আপনারা সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আমিও পারবো। যদি কথা না বলতে দেন তাহলে কীসের বাক্‌স্বাধীনতা। তিনি বলেন, বিরোধী দলীয় কোন এমপির মামলায় আসামি গ্রেপ্তার হয় নাই সেটার স্পেসিফিক বর্ণনা দরকার। শুধু হাওয়াইভাবে যদি বলা হয় এসব হচ্ছে প্রতিকার কী। স্পেসিফিক প্রশ্ন করতে হবে।
এরপরে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন স্পিকার। বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আমি সম্মান রেখেই বলতে চাই, আজকে নতুন করে তিনি এই শব্দগুলা উচ্চারণ করেননি। সংসদ অধিবেশন যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই তিনি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে সবাইকে বক্তব্য দেন। উনি নিজেকে কী মনে করেন আমি বুঝতে পারি না। তিনি বলেছেন যে এই সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই। শিক্ষকতা করতে চাইলে তিনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন। ওখানে যার পছন্দ গিয়ে ভর্তি হবে, উনার লেকচার শুনবে।&#160;
তিনি আরও বলেন, আজকে একই বক্তব্যে দুইবার উনি অ্যাটাক করে ফেললেন। আমি মনে করি, এটা পার্লামেন্টারিয়ান ফ্যাসিজম। এটা হওয়া উচিত না। উনি এই পল্টন আজকে নতুন করে বলেন নাই, উনি আজকে নতুন করে হিট দিয়ে কথা বলেননি। আমি সুস্পষ্টভাবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এই পার্লামেন্টের সৌন্দর্য বিধানের জন্য উনাকে দুঃখপ্রকাশ করতে হবে এবং উনার বক্তব্য সংসদের কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। যদি এইটুকু করেন তাহলে আমরা বসব। না হলে অপমান নিয়ে আমাদের এখানে বসার কোনো প্রশ্নই উঠে না।&#160;
]]></description>
                <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 21:20:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/153/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17878440146654.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সংসদে হট্টগোল হয়েছে। তার বক্তব্য এক্সপাঞ্জের দাবিও জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বের সময় এ পরিস্থিতির তৈরি হয়। &#160;&#160;
প্রথমে কুমিল্লা- ৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো নাকি পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।
এর পরপরই প্রতিবাদ জানান বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা। তাদের হট্টগোলের সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এটা তো আওয়ামী লীগের আমল না। আপনারা তো ইচ্ছেমতো সরকারকে ক্রিটিসাইজ করতে পারছেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য দেবেন। তারপর আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে দেব। প্রশ্নোত্তর উনি দিক, তারপর যদি তা পছন্দ না হয় আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে মাইক দেব।
এরপরও প্রতিবাদ জানাতে থাকেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। এ সময় স্পিকার বলেন, পরমতসহিষ্ঞুতা না থাকলে গণতন্ত্র ব্যর্থ হবে। স্পিকারের কথা বলার সময় যে রোষটা আপনারা দেখাচ্ছেন এটা সংসদ পরিপন্থি কাজ। আমি আমার জ্ঞান বুদ্ধিমতো নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করার চেষ্টা করছি।
তখন স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে কথা বলার সুযোগ দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার যে শব্দচয়নে ওনাদের আপত্তি সেটার জবাবটা আমি দিতে পারবো। আপনারা সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকতে পারলে আমিও পারবো। যদি কথা না বলতে দেন তাহলে কীসের বাক্‌স্বাধীনতা। তিনি বলেন, বিরোধী দলীয় কোন এমপির মামলায় আসামি গ্রেপ্তার হয় নাই সেটার স্পেসিফিক বর্ণনা দরকার। শুধু হাওয়াইভাবে যদি বলা হয় এসব হচ্ছে প্রতিকার কী। স্পেসিফিক প্রশ্ন করতে হবে।
এরপরে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন স্পিকার। বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আমি সম্মান রেখেই বলতে চাই, আজকে নতুন করে তিনি এই শব্দগুলা উচ্চারণ করেননি। সংসদ অধিবেশন যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই তিনি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে সবাইকে বক্তব্য দেন। উনি নিজেকে কী মনে করেন আমি বুঝতে পারি না। তিনি বলেছেন যে এই সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই। শিক্ষকতা করতে চাইলে তিনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন। ওখানে যার পছন্দ গিয়ে ভর্তি হবে, উনার লেকচার শুনবে।&#160;
তিনি আরও বলেন, আজকে একই বক্তব্যে দুইবার উনি অ্যাটাক করে ফেললেন। আমি মনে করি, এটা পার্লামেন্টারিয়ান ফ্যাসিজম। এটা হওয়া উচিত না। উনি এই পল্টন আজকে নতুন করে বলেন নাই, উনি আজকে নতুন করে হিট দিয়ে কথা বলেননি। আমি সুস্পষ্টভাবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এই পার্লামেন্টের সৌন্দর্য বিধানের জন্য উনাকে দুঃখপ্রকাশ করতে হবে এবং উনার বক্তব্য সংসদের কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। যদি এইটুকু করেন তাহলে আমরা বসব। না হলে অপমান নিয়ে আমাদের এখানে বসার কোনো প্রশ্নই উঠে না।&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/152/</link>
                <description><![CDATA[বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী।&#160;
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি সাংবাদিক কামাল উদ্দিন সবুজের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮ এর ধারা ১০ (১) অনুযায়ী মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীকে অন্য যেকোন পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে ১ বছর মেয়াদে বাসস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।’
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a90543da26df" ) );
কাদের গনি চৌধুরী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা এবং জ্যেষ্ঠ গণমাধ্যমকর্মী। তিনি দেশের সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন সময় বস্তুনিষ্ঠ ও নীতিপরায়ণ সাংবাদিকতার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন এবং ক্ষমতার প্রভাবমুক্ত থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেন।&#160;
]]></description>
                <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 21:19:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/152/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17878439889291.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী।&#160;
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি সাংবাদিক কামাল উদ্দিন সবুজের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮ এর ধারা ১০ (১) অনুযায়ী মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীকে অন্য যেকোন পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে ১ বছর মেয়াদে বাসস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।’
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a90543da26df" ) );
কাদের গনি চৌধুরী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা এবং জ্যেষ্ঠ গণমাধ্যমকর্মী। তিনি দেশের সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন সময় বস্তুনিষ্ঠ ও নীতিপরায়ণ সাংবাদিকতার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন এবং ক্ষমতার প্রভাবমুক্ত থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেন।&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/151/</link>
                <description><![CDATA[বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতির ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাসকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলাগুলো ২০০৭ সালে দায়ের করা হয়। এতে বিনা দরপত্রে সরকারি ১৮টি বাড়ি বিক্রির মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার আদালত মির্জা আব্বাসকে এসব মামলার অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
সার সংকটে কৃষকের ভোগান্তি চরম আকার নিয়েছে বলেও এসময় মন্তব্য করেন নাহিদ। তার মতে, বিদ্যুৎ-জ্বালানির &#160;মতোই কৌশলে সারের সংকট গোপন করছে সরকার।&#160;
এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘সার সংকটের কারণে আমাদের কৃষকদের ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। ফলে এর মধ্য দিয়েই তারা আবার এই ধরণের ঘৃণ্য আইন পাশ করার চেষ্টা করছে। ফলে আমরা মনে করছি যে, জনগণ...এটি মেনে নেবে না।&#160;
দেশের সব সংকট সমাধানে সংসদ ও রাজপথে, বিরোধী জোট আরো কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
&#160;
]]></description>
                <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 14:15:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/151/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17878185238162.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতির ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাসকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলাগুলো ২০০৭ সালে দায়ের করা হয়। এতে বিনা দরপত্রে সরকারি ১৮টি বাড়ি বিক্রির মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছিল।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার আদালত মির্জা আব্বাসকে এসব মামলার অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
সার সংকটে কৃষকের ভোগান্তি চরম আকার নিয়েছে বলেও এসময় মন্তব্য করেন নাহিদ। তার মতে, বিদ্যুৎ-জ্বালানির &#160;মতোই কৌশলে সারের সংকট গোপন করছে সরকার।&#160;
এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘সার সংকটের কারণে আমাদের কৃষকদের ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। ফলে এর মধ্য দিয়েই তারা আবার এই ধরণের ঘৃণ্য আইন পাশ করার চেষ্টা করছে। ফলে আমরা মনে করছি যে, জনগণ...এটি মেনে নেবে না।&#160;
দেশের সব সংকট সমাধানে সংসদ ও রাজপথে, বিরোধী জোট আরো কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>যেখানে রিজিকের দায়িত্ব নিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ, তবু এত দুশ্চিন্তা কিসের?  </title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/150/</link>
                <description><![CDATA[রিজিক মানুষের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবিকা, খাদ্য, অর্থ, স্বাস্থ্য, সন্তান, জ্ঞান, শান্তি—সবই আল্লাহর দেওয়া রিজিক। কিন্তু রিজিক নিয়ে উদ্বেগ, ভয় ও দুশ্চিন্তা আজ অনেক মানুষের নিত্যসঙ্গী। অথচ পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বারবার বলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষের রিজিক মহান আল্লাহ আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছেন। তাই হালাল পথে চেষ্টা করার পাশাপাশি আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।রিজিকের জন্য চেষ্টা করার নির্দেশইসলাম মানুষকে কর্মবিমুখ হতে শেখায় না। বরং হালাল উপায়ে জীবিকা অর্জনের নির্দেশ দিয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন—আরবি:فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ وَاذْكُرُوا اللَّهَ كَثِيرًا لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَউচ্চারণ: ফা ইযা কুদিয়াতিস সালাতু ফান্তাশিরু ফিল আরদি ওয়াবতাগু মিন ফাদলিল্লাহি ওয়াজকুরুল্লাহা কাছিরাল্লা আল্লাকুম তুফলিহূন।অর্থ: "অতঃপর যখন নামাজ শেষ হবে, তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) অনুসন্ধান করো। আর বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফল হতে পার।" (সুরা আল-জুমু'আহ, আয়াত: ১০)প্রত্যেক প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহরপবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন—আরবি:وَمَا مِنْ دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَاউচ্চারণ: ওয়া মা মিন দাব্বাতিন ফিল আরদি ইল্লা আলাল্লাহি রিযকুহা।অর্থ: "পৃথিবীর এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তিনি জানেন তারা কোথায় থাকে এবং কোথায় সমাপিত হয়। সবকিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে (লাওহে মাহফুজে) লিপিবদ্ধ রয়েছে।" (সুরা হুদ, আয়াত: ৬)রিজিকের উৎস আল্লাহর কাছেইমহান আল্লাহ বলেন—আরবি:وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَউচ্চারণ: ওয়া ফিস সামা-ই রিযকুকুম ওয়া মা তূআদূন।অর্থ: "আকাশেই রয়েছে তোমাদের রিজিক এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত সবকিছু।" (সুরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ২২)আরেক আয়াতে আল্লাহ বলেন—আরবি:إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُউচ্চারণ: ইন্নাল্লাহা হুওয়ার রাজ্জাকু যুল কুওয়াতিল মাতীন।অর্থ: "নিশ্চয়ই আল্লাহই একমাত্র রিজিকদাতা। তিনি মহাশক্তিধর ও পরাক্রমশালী।" (সুরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ৫৮)রিজিক কম-বেশি হওয়াও আল্লাহর পরীক্ষাঅনেক সময় মানুষ কঠোর পরিশ্রম করেও প্রত্যাশিত আয় করতে পারে না। আবার কেউ অল্প চেষ্টায় অনেক কিছু পেয়ে যায়। ইসলাম শেখায়, এটিও আল্লাহর পরীক্ষা।মহান আল্লাহ বলেন—আরবি:وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ۗ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَঅর্থ: "আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয়, ক্ষুধা, সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।" (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৫৫)আল্লাহ আরও বলেন—আরবি:إِنَّ رَبَّكَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَشَاءُ وَيَقْدِرُঅর্থ: "নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক যাকে ইচ্ছা রিজিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সীমিত করে দেন।" (সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত: ৩০)আল্লাহর ওপর ভরসা করলে তিনি যথেষ্টরিজিক নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা না করে আল্লাহর ওপর ভরসা করার নির্দেশ দিয়েছে কোরআন।আরবি:وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُউচ্চারণ: ওয়া মান ইয়াতাওয়াক্কাল আলাল্লাহি ফাহুওয়া হাসবুহু।অর্থ: "আর যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।" (সুরা আত-তালাক, আয়াত: ৩)আল্লাহ আরও বলেন—আরবি:أَمَّنْ هَذَا الَّذِي يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُঅর্থ: "তিনি যদি তাঁর রিজিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে যে তোমাদের রিজিক দেবে?" (সুরা আল-মুলক, আয়াত: ২১)রিজিক শুধু অর্থ নয়ইসলামি শিক্ষায় রিজিক বলতে শুধু টাকা-পয়সা বা খাবারকে বোঝানো হয়নি। সুস্থ শরীর, ঈমান, জ্ঞান, নেক সন্তান, ভালো পরিবার, মানসিক শান্তি, সময় ও সম্মান—এসবও আল্লাহর দেওয়া মূল্যবান রিজিক।আল্লাহ তাআলা বলেন—"যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে প্রচুর রিজিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। তাই তিনি যাকে যতটুকু ইচ্ছা, ততটুকুই রিজিক দান করেন।" (সুরা আশ-শুরা, আয়াত: ২৭)রিজিক পূর্ণ না করে কেউ মৃত্যুবরণ করবে নারিজিক নিয়ে হাদিসেও এসেছে সুস্পষ্ট আশ্বাস। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—"হে মানুষ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং উত্তম উপায়ে জীবিকা অনুসন্ধান করো। কেননা কোনো মানুষ তার নির্ধারিত রিজিক পূর্ণভাবে লাভ করার আগে মৃত্যুবরণ করবে না, যদিও তা পেতে দেরি হয়।" (সুনানে ইবনে মাজাহ)ইসলাম মানুষকে অলসতা নয়, পরিশ্রমের শিক্ষা দেয়। তবে সেই পরিশ্রম হতে হবে হালাল পথে। একই সঙ্গে বিশ্বাস রাখতে হবে, রিজিকের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। তিনি যাকে যতটুকু কল্যাণ মনে করেন, ততটুকুই দান করেন। তাই রিজিক নিয়ে হতাশ না হয়ে, হালাল উপায়ে চেষ্টা করা, বেশি বেশি দোয়া করা এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের জন্য সর্বোত্তম পথ।]]></description>
                <pubDate>Wed, 26 Aug 2026 21:06:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/150/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17877571042220.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রিজিক মানুষের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবিকা, খাদ্য, অর্থ, স্বাস্থ্য, সন্তান, জ্ঞান, শান্তি—সবই আল্লাহর দেওয়া রিজিক। কিন্তু রিজিক নিয়ে উদ্বেগ, ভয় ও দুশ্চিন্তা আজ অনেক মানুষের নিত্যসঙ্গী। অথচ পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বারবার বলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষের রিজিক মহান আল্লাহ আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছেন। তাই হালাল পথে চেষ্টা করার পাশাপাশি আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।রিজিকের জন্য চেষ্টা করার নির্দেশইসলাম মানুষকে কর্মবিমুখ হতে শেখায় না। বরং হালাল উপায়ে জীবিকা অর্জনের নির্দেশ দিয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন—আরবি:فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ وَاذْكُرُوا اللَّهَ كَثِيرًا لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَউচ্চারণ: ফা ইযা কুদিয়াতিস সালাতু ফান্তাশিরু ফিল আরদি ওয়াবতাগু মিন ফাদলিল্লাহি ওয়াজকুরুল্লাহা কাছিরাল্লা আল্লাকুম তুফলিহূন।অর্থ: "অতঃপর যখন নামাজ শেষ হবে, তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) অনুসন্ধান করো। আর বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফল হতে পার।" (সুরা আল-জুমু'আহ, আয়াত: ১০)প্রত্যেক প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহরপবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন—আরবি:وَمَا مِنْ دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَاউচ্চারণ: ওয়া মা মিন দাব্বাতিন ফিল আরদি ইল্লা আলাল্লাহি রিযকুহা।অর্থ: "পৃথিবীর এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তিনি জানেন তারা কোথায় থাকে এবং কোথায় সমাপিত হয়। সবকিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে (লাওহে মাহফুজে) লিপিবদ্ধ রয়েছে।" (সুরা হুদ, আয়াত: ৬)রিজিকের উৎস আল্লাহর কাছেইমহান আল্লাহ বলেন—আরবি:وَفِي السَّمَاءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَউচ্চারণ: ওয়া ফিস সামা-ই রিযকুকুম ওয়া মা তূআদূন।অর্থ: "আকাশেই রয়েছে তোমাদের রিজিক এবং তোমাদের প্রতিশ্রুত সবকিছু।" (সুরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ২২)আরেক আয়াতে আল্লাহ বলেন—আরবি:إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُউচ্চারণ: ইন্নাল্লাহা হুওয়ার রাজ্জাকু যুল কুওয়াতিল মাতীন।অর্থ: "নিশ্চয়ই আল্লাহই একমাত্র রিজিকদাতা। তিনি মহাশক্তিধর ও পরাক্রমশালী।" (সুরা আয-যারিয়াত, আয়াত: ৫৮)রিজিক কম-বেশি হওয়াও আল্লাহর পরীক্ষাঅনেক সময় মানুষ কঠোর পরিশ্রম করেও প্রত্যাশিত আয় করতে পারে না। আবার কেউ অল্প চেষ্টায় অনেক কিছু পেয়ে যায়। ইসলাম শেখায়, এটিও আল্লাহর পরীক্ষা।মহান আল্লাহ বলেন—আরবি:وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ۗ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَঅর্থ: "আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয়, ক্ষুধা, সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।" (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৫৫)আল্লাহ আরও বলেন—আরবি:إِنَّ رَبَّكَ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَشَاءُ وَيَقْدِرُঅর্থ: "নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক যাকে ইচ্ছা রিজিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সীমিত করে দেন।" (সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত: ৩০)আল্লাহর ওপর ভরসা করলে তিনি যথেষ্টরিজিক নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা না করে আল্লাহর ওপর ভরসা করার নির্দেশ দিয়েছে কোরআন।আরবি:وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُউচ্চারণ: ওয়া মান ইয়াতাওয়াক্কাল আলাল্লাহি ফাহুওয়া হাসবুহু।অর্থ: "আর যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।" (সুরা আত-তালাক, আয়াত: ৩)আল্লাহ আরও বলেন—আরবি:أَمَّنْ هَذَا الَّذِي يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُঅর্থ: "তিনি যদি তাঁর রিজিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে যে তোমাদের রিজিক দেবে?" (সুরা আল-মুলক, আয়াত: ২১)রিজিক শুধু অর্থ নয়ইসলামি শিক্ষায় রিজিক বলতে শুধু টাকা-পয়সা বা খাবারকে বোঝানো হয়নি। সুস্থ শরীর, ঈমান, জ্ঞান, নেক সন্তান, ভালো পরিবার, মানসিক শান্তি, সময় ও সম্মান—এসবও আল্লাহর দেওয়া মূল্যবান রিজিক।আল্লাহ তাআলা বলেন—"যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে প্রচুর রিজিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। তাই তিনি যাকে যতটুকু ইচ্ছা, ততটুকুই রিজিক দান করেন।" (সুরা আশ-শুরা, আয়াত: ২৭)রিজিক পূর্ণ না করে কেউ মৃত্যুবরণ করবে নারিজিক নিয়ে হাদিসেও এসেছে সুস্পষ্ট আশ্বাস। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—"হে মানুষ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং উত্তম উপায়ে জীবিকা অনুসন্ধান করো। কেননা কোনো মানুষ তার নির্ধারিত রিজিক পূর্ণভাবে লাভ করার আগে মৃত্যুবরণ করবে না, যদিও তা পেতে দেরি হয়।" (সুনানে ইবনে মাজাহ)ইসলাম মানুষকে অলসতা নয়, পরিশ্রমের শিক্ষা দেয়। তবে সেই পরিশ্রম হতে হবে হালাল পথে। একই সঙ্গে বিশ্বাস রাখতে হবে, রিজিকের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। তিনি যাকে যতটুকু কল্যাণ মনে করেন, ততটুকুই দান করেন। তাই রিজিক নিয়ে হতাশ না হয়ে, হালাল উপায়ে চেষ্টা করা, বেশি বেশি দোয়া করা এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের জন্য সর্বোত্তম পথ।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>‘মা-মেয়েকে ধর্ষণের আলামত’ ডোমের বয়ানকে ভুল বলছেন চিকিৎসক</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/149/</link>
                <description><![CDATA[রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে কি না, তা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোমের দেওয়া তথ্যের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। এদিকে নিহতদের স্বজনদের দাবি, মাত্র দুইজনের পক্ষে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তারা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী এসব কথা বলেন।
গোপীনাথ চক্রবর্তী বলেন, দুইজনের পক্ষে চারজনকে হত্যা করে দীর্ঘ সময় সেখানে অবস্থান করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন না। হত্যাকাণ্ডের পেছনে ‘বড় কোনো শক্তি’ এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তার সন্দেহ। তবে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার সন্দেহ নেই বলেও জানান তিনি।
হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রশাসন যদি একের পর এক ব্যর্থ হয়, তাহলে পরিবারের পক্ষ থেকে আর কী করার থাকে। বিদ্যুৎ সংযোগ আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে বলে জানান তিনি।
ধর্ষণের আলামত নিয়ে দুই ধরনের তথ্য
পুলিশের পক্ষ থেকে নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছিল। তবে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোম যতনের দাবি, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তার মায়ের শরীরেও ধর্ষণের আলামত ও বীর্যের উপস্থিতি পাওয়ার দাবি করেন তিনি।
তবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. বাবুলকুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, ধর্ষণের চেষ্টার কোনো লক্ষণ তারা পাননি। যেসব নমুনা পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলো মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পাঠানো হলেও সেখানে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
পুলিশের বক্তব্য ও মর্গের ডোমের দাবির এই ভিন্নতায় হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
দুইজনকে মূল আসামি দেখানো হচ্ছে
গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাদের অভিযোগ, দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে চার হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা ঘটনাটিকে ‘সাজানো নাটক’ বলেও দাবি করেছেন।
পুলিশ প্রথমদিকে হত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ডাকাতির কথা বললেও পরে সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশের এই ব্যাখ্যা নিয়েও নিহতদের স্বজনদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
এর আগে মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ছিল, নিহতদের মুখমণ্ডলে তরল পদার্থ পাওয়া যাওয়ায় কোনো রাসায়নিক বা অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, মরদেহে রাসায়নিক বা অ্যাসিডে পোড়ার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় মরদেহ পড়ে থাকায় স্বাভাবিক পচন প্রক্রিয়ায় মুখ কালচে ও বিকৃত দেখিয়েছে বলে জানান তিনি।
]]></description>
                <pubDate>Tue, 25 Aug 2026 21:49:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/149/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17876730024505.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে কি না, তা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোমের দেওয়া তথ্যের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। এদিকে নিহতদের স্বজনদের দাবি, মাত্র দুইজনের পক্ষে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তারা।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী এসব কথা বলেন।
গোপীনাথ চক্রবর্তী বলেন, দুইজনের পক্ষে চারজনকে হত্যা করে দীর্ঘ সময় সেখানে অবস্থান করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন না। হত্যাকাণ্ডের পেছনে ‘বড় কোনো শক্তি’ এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তার সন্দেহ। তবে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার সন্দেহ নেই বলেও জানান তিনি।
হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রশাসন যদি একের পর এক ব্যর্থ হয়, তাহলে পরিবারের পক্ষ থেকে আর কী করার থাকে। বিদ্যুৎ সংযোগ আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে বলে জানান তিনি।
ধর্ষণের আলামত নিয়ে দুই ধরনের তথ্য
পুলিশের পক্ষ থেকে নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছিল। তবে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোম যতনের দাবি, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তার মায়ের শরীরেও ধর্ষণের আলামত ও বীর্যের উপস্থিতি পাওয়ার দাবি করেন তিনি।
তবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. বাবুলকুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, ধর্ষণের চেষ্টার কোনো লক্ষণ তারা পাননি। যেসব নমুনা পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলো মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পাঠানো হলেও সেখানে ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
পুলিশের বক্তব্য ও মর্গের ডোমের দাবির এই ভিন্নতায় হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
দুইজনকে মূল আসামি দেখানো হচ্ছে
গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাদের অভিযোগ, দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে চার হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা ঘটনাটিকে ‘সাজানো নাটক’ বলেও দাবি করেছেন।
পুলিশ প্রথমদিকে হত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ডাকাতির কথা বললেও পরে সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশের এই ব্যাখ্যা নিয়েও নিহতদের স্বজনদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।
এর আগে মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ছিল, নিহতদের মুখমণ্ডলে তরল পদার্থ পাওয়া যাওয়ায় কোনো রাসায়নিক বা অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, মরদেহে রাসায়নিক বা অ্যাসিডে পোড়ার কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় মরদেহ পড়ে থাকায় স্বাভাবিক পচন প্রক্রিয়ায় মুখ কালচে ও বিকৃত দেখিয়েছে বলে জানান তিনি।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>‎২৫তম বিসিএস পুলিশ ফোরামের নতুন কমিটি গঠন</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/148/</link>
                <description><![CDATA[‎২৫তম বিসিএস পুলিশ ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক।
‎
‎শনিবার রাজারবাগ পুলিশ মিলনায়তনে ২৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
‎
‎২৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের সব কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শামীমা পারভীন, ২৫তম বিসিএস ফোরামের বিদায়ী সভাপতি ও যুগ্ম সচিব মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবিরসহ বিভিন্ন বিসিএস পুলিশ ব্যাচের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান এর আগে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন। নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
‎
‎উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেওয়া ২৫তম বিসিএসের কর্মকর্তারা বর্তমানে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৫তম বিসিএস পুলিশ ফোরাম ব্যাচ সদস্যদের কল্যাণ, পেশাগত উৎকর্ষ এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করে আসছে।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 24 Aug 2026 17:34:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/148/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17875712772339.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[‎২৫তম বিসিএস পুলিশ ফোরামের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন নরসিংদী জেলার পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক।
‎
‎শনিবার রাজারবাগ পুলিশ মিলনায়তনে ২৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
‎
‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
‎
‎২৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের সব কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শামীমা পারভীন, ২৫তম বিসিএস ফোরামের বিদায়ী সভাপতি ও যুগ্ম সচিব মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইলিয়াস কবিরসহ বিভিন্ন বিসিএস পুলিশ ব্যাচের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
‎নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান এর আগে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন। নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
‎
‎উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেওয়া ২৫তম বিসিএসের কর্মকর্তারা বর্তমানে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৫তম বিসিএস পুলিশ ফোরাম ব্যাচ সদস্যদের কল্যাণ, পেশাগত উৎকর্ষ এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করে আসছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে: অর্থমন্ত্রী</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/147/</link>
                <description><![CDATA[ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রথমে অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে; এরপর ধীরে ধীরে গতি ফিরবে। বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির নতুন পর্যায়ে যাবে।
আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পভিত্তিক গবেষণা ও উদ্ভাবন উৎসাহিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আওতাধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের’ আওতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষকদের যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটা দেশের প্রথম সরকারি উদ্যোগ।
দক্ষতা উন্নয়ন ও শিল্প প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবন কর্মসূচির অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী কর্মসূচি পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব মো. খাইরুজ্জামান মজুমদার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি, তা পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি হচ্ছে। আমরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি। অর্থনীতিতে যেসব সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ শিথিল, নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সুফল ধীরে ধীরে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়াতে সারাদেশে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো দিকে যাবে ‘
এর আগে স্বাগত বক্তব্যে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, শিল্পের উদ্ভাবনী সমাধানের জন্য মোট ১২৩টি প্রকল্প জমে পড়েছিল। সেখান থেকে ১২টি বাছাই করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এক বছর তাঁদের গবেষণা করে সমাধানের পথ দেখাবেন।
ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ শিল্প গবেষণা, উন্নয়ন ও উদ্ভাবন উদ্যোগটি বাস্তবমুখী ও শিল্পবান্ধব সমাধান তৈরির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সক্ষমতা সুসংহত করা এবং দক্ষ জনশক্তির ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিংফেং ঝাং। তিনি কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি ও শক্তিশালী অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। সভায় বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য ১২ জনকে অর্থ ও পুরস্কার দেওয়া হয়। শিল্পের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তাঁরা এই অর্থ কাজে লাগাবেন।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 24 Aug 2026 17:33:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/147/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17875712395618.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রথমে অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে; এরপর ধীরে ধীরে গতি ফিরবে। বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির নতুন পর্যায়ে যাবে।
আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পভিত্তিক গবেষণা ও উদ্ভাবন উৎসাহিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আওতাধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের’ আওতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষকদের যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটা দেশের প্রথম সরকারি উদ্যোগ।
দক্ষতা উন্নয়ন ও শিল্প প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবন কর্মসূচির অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী কর্মসূচি পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব মো. খাইরুজ্জামান মজুমদার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি, তা পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি হচ্ছে। আমরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি। অর্থনীতিতে যেসব সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ শিথিল, নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সুফল ধীরে ধীরে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়াতে সারাদেশে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো দিকে যাবে ‘
এর আগে স্বাগত বক্তব্যে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, শিল্পের উদ্ভাবনী সমাধানের জন্য মোট ১২৩টি প্রকল্প জমে পড়েছিল। সেখান থেকে ১২টি বাছাই করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এক বছর তাঁদের গবেষণা করে সমাধানের পথ দেখাবেন।
ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ শিল্প গবেষণা, উন্নয়ন ও উদ্ভাবন উদ্যোগটি বাস্তবমুখী ও শিল্পবান্ধব সমাধান তৈরির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সক্ষমতা সুসংহত করা এবং দক্ষ জনশক্তির ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ছিংফেং ঝাং। তিনি কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি ও শক্তিশালী অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। সভায় বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য ১২ জনকে অর্থ ও পুরস্কার দেওয়া হয়। শিল্পের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তাঁরা এই অর্থ কাজে লাগাবেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ভাসানটেক-করাইল-সাততলা বস্তির হাজার মানুষের বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/146/</link>
                <description><![CDATA[রাজধানীর ভাসানটেক, করাইল ও সাততলা বস্তি এলাকার প্রায় এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন। চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, ওষুধ ও চশমা বিতরণের পাশাপাশি ছানি রোগী শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনা মূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এবং আল বাশার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর ভাষানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
দিনব্যাপী এই চক্ষু চিকিৎসা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে নিম্নআয়ের মানুষের একটি বড় অংশ সময়মতো চোখের চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে ছানি ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত অনেক মানুষ অর্থের অভাবে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন। তাঁদের কাছে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। তাঁরা আরও বলেন, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, পরিচালক (প্রোগ্রাম) প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম, পরিচালক (প্রোগ্রাম) কৃষিবিদ ড. খন্দকার মাহফুজুল হক বাচ্চু, পরিচালক প্রকৌশলী একেএম জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য রেজাউর রহমান চৌধুরী সুমন, ডা. সাঈদ মেহেবুব কাদির ও সোহেল আহমেদ। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকেরা কর্মসূচিতে দায়িত্ব পালন করেন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 23:36:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/146/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17874201875400.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাজধানীর ভাসানটেক, করাইল ও সাততলা বস্তি এলাকার প্রায় এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন। চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, ওষুধ ও চশমা বিতরণের পাশাপাশি ছানি রোগী শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনা মূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এবং আল বাশার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর ভাষানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
দিনব্যাপী এই চক্ষু চিকিৎসা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে নিম্নআয়ের মানুষের একটি বড় অংশ সময়মতো চোখের চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে ছানি ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত অনেক মানুষ অর্থের অভাবে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন। তাঁদের কাছে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। তাঁরা আরও বলেন, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, পরিচালক (প্রোগ্রাম) প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম, পরিচালক (প্রোগ্রাম) কৃষিবিদ ড. খন্দকার মাহফুজুল হক বাচ্চু, পরিচালক প্রকৌশলী একেএম জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য রেজাউর রহমান চৌধুরী সুমন, ডা. সাঈদ মেহেবুব কাদির ও সোহেল আহমেদ। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকেরা কর্মসূচিতে দায়িত্ব পালন করেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>শামীম কায়সারকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করায় প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/145/</link>
                <description><![CDATA[গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করার সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে সরকারকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মুফতী কিফায়াতুল্লাহ আজহারী এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ানো হয়েছে। দেশের আলেম-উলামা ও তাওহীদি জনতার পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
হেফাজতে ইসলামের নেতারা দাবি করেন, এর আগের দিন ‘সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছিল।
সংগঠনটির ভাষ্য, শামীম কায়সার লিংকন দেশের প্রচলিত পীর-মাশায়েখ, তাবলিগ জামাত এবং ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত চার মাযহাবের চেতনার বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী।
হেফাজতে ইসলাম বলেছে, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিশেষায়িত একটি ক্ষেত্র। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ইসলামী মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল এবং উলামায়ে কেরামের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির হাতে দেওয়া উচিত বলে মনে করে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, এমন একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব না দিয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে।
বিবৃতিতে সরকারকে সতর্ক করে হেফাজতে ইসলাম বলেছে, কওমি আলেম সমাজ ও তাওহীদি জনতার অবদান ও পরামর্শ উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে উলামায়ে কেরামের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক ও আস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সংগঠনটি শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে।
একই সঙ্গে আলেম-উলামাদের সঙ্গে পরামর্শ করে একজন যোগ্য, অভিজ্ঞ ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 00:47:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/145/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17873380512897.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করার সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে সরকারকে এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মুফতী কিফায়াতুল্লাহ আজহারী এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ানো হয়েছে। দেশের আলেম-উলামা ও তাওহীদি জনতার পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
হেফাজতে ইসলামের নেতারা দাবি করেন, এর আগের দিন ‘সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছিল।
সংগঠনটির ভাষ্য, শামীম কায়সার লিংকন দেশের প্রচলিত পীর-মাশায়েখ, তাবলিগ জামাত এবং ঐতিহাসিকভাবে প্রতিষ্ঠিত চার মাযহাবের চেতনার বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী।
হেফাজতে ইসলাম বলেছে, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিশেষায়িত একটি ক্ষেত্র। এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ইসলামী মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল এবং উলামায়ে কেরামের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির হাতে দেওয়া উচিত বলে মনে করে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, এমন একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব না দিয়ে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে।
বিবৃতিতে সরকারকে সতর্ক করে হেফাজতে ইসলাম বলেছে, কওমি আলেম সমাজ ও তাওহীদি জনতার অবদান ও পরামর্শ উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে উলামায়ে কেরামের সঙ্গে সরকারের সুসম্পর্ক ও আস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সংগঠনটি শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে।
একই সঙ্গে আলেম-উলামাদের সঙ্গে পরামর্শ করে একজন যোগ্য, অভিজ্ঞ ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>মৃত আহমেদ আনাস বাপ্পি</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/144/</link>
                <description><![CDATA[বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বৃহস্পতিবার বিকেলে নববধূকে ঘরে তুলেছিলেন আহমেদ আনাস বাপ্পি (২২)। শুক্রবার ছিল বৌভাতের আয়োজন। কিন্তু সেই আনন্দ আর স্থায়ী হলো না। গভীর রাতে স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় আনাসের।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ২টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছের দিয়াড় স্কুলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃত আনাস ওই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে আনাসের সাথে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের বাহেরমাদি আলীনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে সাইরা খাতুনের বিয়ে পড়ানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সাইরাকে আনাসের বাড়িতে তুলে আনা হয়। শুক্রবার দুপুরে নববধূকে ঘিরে বৌভাতের আয়োজন করা হয়েছিল। এ জন্য বাড়িতে অতিথিদের খাবারের স্থান ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ চলছিল রাত পর্যন্ত।
আনাসও সেখানে উপস্থিত থেকে কাজের তদারকি করছিলেন। রাত ২টার দিকে একটি স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মিলন হোসেন বলেন, ‘স্ট্যান্ড ফ্যান থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আনাসের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে তার বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার নববধূকে বাড়িতে আনা হয়। শুক্রবার বৌভাতের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যেই এমন দুর্ঘটনায় সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।’
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পুলিশ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।’
]]></description>
                <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 18:02:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/144/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17873137707817.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বৃহস্পতিবার বিকেলে নববধূকে ঘরে তুলেছিলেন আহমেদ আনাস বাপ্পি (২২)। শুক্রবার ছিল বৌভাতের আয়োজন। কিন্তু সেই আনন্দ আর স্থায়ী হলো না। গভীর রাতে স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় আনাসের।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ২টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছের দিয়াড় স্কুলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃত আনাস ওই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে আনাসের সাথে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের বাহেরমাদি আলীনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে সাইরা খাতুনের বিয়ে পড়ানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সাইরাকে আনাসের বাড়িতে তুলে আনা হয়। শুক্রবার দুপুরে নববধূকে ঘিরে বৌভাতের আয়োজন করা হয়েছিল। এ জন্য বাড়িতে অতিথিদের খাবারের স্থান ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ চলছিল রাত পর্যন্ত।
আনাসও সেখানে উপস্থিত থেকে কাজের তদারকি করছিলেন। রাত ২টার দিকে একটি স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মিলন হোসেন বলেন, ‘স্ট্যান্ড ফ্যান থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আনাসের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে তার বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার নববধূকে বাড়িতে আনা হয়। শুক্রবার বৌভাতের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যেই এমন দুর্ঘটনায় সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।’
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পুলিশ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।’
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>পুলিশ সদস্যকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা, মোটরসাইকেলচালক গ্রেপ্তার</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/143/</link>
                <description><![CDATA[রাজশাহীতে এক পুলিশ সদস্যকে মোটরসাইকেল চাপা দেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় শফিউল আলম পাভেল (৩৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বোয়ালিয়া থানার রানীনগর মোন্নাফের মোড় এলাকা থেকে যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শফিউল আলম পাভেল পাবনার সুজানগর থানার মথুরাপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গনি খাঁর ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজশাহীর রানীনগর মোন্নাফের মোড় এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ জানায়, গতকাল বিকেলে নগরীর শ্রীরামপুর মোড়ের নভোথিয়েটার পার্কের সামনে তিন রাস্তার মোড়ে ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্টসহ আরএমপির বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা নিয়মিত চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালক পাভেলকে থামার সংকেত দেওয়া হয়।
তবে তিনি সংকেত অমান্য করে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্যকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে পালিয়ে যান। ঘটনার পর সার্জেন্টসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা আহত কনস্টেবলকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ও সিসিটিভি ইউনিটের সহায়তায় মোটরসাইকেল চালককে শনাক্ত করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় ট্রাফিক বিভাগের এক সার্জেন্ট বাদী হয়ে শফিউল আলম পাভেলের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তারের পর আজ তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 18:01:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/143/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17873137183717.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাজশাহীতে এক পুলিশ সদস্যকে মোটরসাইকেল চাপা দেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় শফিউল আলম পাভেল (৩৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বোয়ালিয়া থানার রানীনগর মোন্নাফের মোড় এলাকা থেকে যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শফিউল আলম পাভেল পাবনার সুজানগর থানার মথুরাপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গনি খাঁর ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজশাহীর রানীনগর মোন্নাফের মোড় এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ জানায়, গতকাল বিকেলে নগরীর শ্রীরামপুর মোড়ের নভোথিয়েটার পার্কের সামনে তিন রাস্তার মোড়ে ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্টসহ আরএমপির বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা নিয়মিত চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালক পাভেলকে থামার সংকেত দেওয়া হয়।
তবে তিনি সংকেত অমান্য করে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্যকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে পালিয়ে যান। ঘটনার পর সার্জেন্টসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা আহত কনস্টেবলকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ও সিসিটিভি ইউনিটের সহায়তায় মোটরসাইকেল চালককে শনাক্ত করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় ট্রাফিক বিভাগের এক সার্জেন্ট বাদী হয়ে শফিউল আলম পাভেলের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তারের পর আজ তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের জীবনবৃত্তান্ত</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/142/</link>
                <description><![CDATA[বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছাত্রজীবনে বামপন্থী রাজনীতিতে হাতেখড়ি, মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকের ভূমিকা পালন এবং এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে এবার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন প্রবীণ এই রাজনীতিক।
জাতীয় সংসদের প্রত্যক্ষ ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রবীণ এই রাজনীতিককে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেছেন সংসদ সদস্যরা।
দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়ার আগে ৭৮ বছর বয়সি এই রাজনীতিক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিবের দায়িত্বেও ছিলেন।
মধ্য-ডানপন্থী রাজনৈতিক দল বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার আগে সিভিল সার্ভিসের শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য হিসেবে অর্থনীতির শিক্ষকতা করেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দায়িত্বও পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি বামপন্থী পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (ইপিএসইউ) যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থানের সময় মির্জা ফখরুল সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ঢাকা কলেজে পড়াশোনা করেন তিনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন। এর আগে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় অল্প সময়ের জন্য মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সঙ্গে যুক্ত হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি।
১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানই শেষ পর্যন্ত জাতিকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিকে নিয়ে যায়। সে সময় বামপন্থী মুক্তিযোদ্ধাদের একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। পরে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে যোগ দেন শিক্ষকতা পেশায় এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক। ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। একই সময়ে সরকারি চাকরির অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারির একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। এ ছাড়া ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনেও কাজ করেন।
মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দিতে ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। এর দুই বছর পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজের জন্মস্থান উত্তরাঞ্চলের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে এই পদটি মেয়র হিসেবে পরিচিত। এর কিছুদিন পর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বিএনপিতে যোগ দেন আলমগীর।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলার কালীবাড়ি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন আলমগীর।
তার বাবা ছিলেন তৎকালীন মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সাবেক সদস্য মির্জা রুহুল আমিন। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে স্বৈরাচারী শাসক ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
২০১১ সালে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুল ইসলামকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। পরে ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তাকে মহাসচিবের স্থায়ী দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর তিনিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দলটির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী দলটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে তাকে।
তবে মির্জা ফখরুলের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের সময়টিই ছিল বিএনপির ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনে ব্যাপক দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখে পড়েন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকেও কারাবন্দি হতে হয়। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তার ছেলে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৮ সালে সেনা-সমর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তথা ১/১১ সরকার নির্বাসনে যেতে বাধ্য করেছিল।
এমন পরিস্থিতিতে লন্ডন থেকে তৎকালীন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় দলের সামনের সারির প্রধান নেতা হিসেবে দল পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মির্জা ফখরুল। তবে এ সময় তাকে তিনবার কারাবরণ করতে হয়।
মহাসচিব হওয়ার আগে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোর বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। প্রথমে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পরে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হন। দীর্ঘদিন দলের অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও পরে সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
২০০১ সালের নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।
২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বগুড়ার একটি আসন থেকে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
তবে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মির্জা ফখরুল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। যদিও দলের অন্য পাঁচ সংসদ সদস্যকে সংসদে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তারা ২০২২ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই বছর দলীয় নির্দেশে তারাও পদত্যাগ করেন।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গঠন করে। এরপরই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন আলমগীর।
দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়ার কারণে সংবিধান অনুযায়ী বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে তাকে। এ সময় আবেগঘন এক অনুষ্ঠানে তার এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। পরে বেসরকারি বীমা কোম্পানিতে কাজ করেছেন। এই দম্পতির দুই মেয়ে। তারা দুজনই শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত।
বড় মেয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে কাজ করছেন। ছোট মেয়ে ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আলমগীর একজন মধ্যপন্থী ও বিনয়ী রাজনীতিক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, এমনকি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও ব্যক্তিগতভাবে তার প্রশংসা করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিএনপি নেতাসহ অন্যান্য রাজনীতিকরা দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলামকে স্বাগত জানিয়েছেন। দলের কঠিন সময়ে তার দীর্ঘদিনের ভূমিকা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক মনোভাব ও উদার মানসিকতার কথা স্মরণ করেছেন তারা।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 15:52:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/142/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17873059574351.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছাত্রজীবনে বামপন্থী রাজনীতিতে হাতেখড়ি, মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকের ভূমিকা পালন এবং এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে এবার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন প্রবীণ এই রাজনীতিক।
জাতীয় সংসদের প্রত্যক্ষ ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রবীণ এই রাজনীতিককে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেছেন সংসদ সদস্যরা।
দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়ার আগে ৭৮ বছর বয়সি এই রাজনীতিক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিবের দায়িত্বেও ছিলেন।
মধ্য-ডানপন্থী রাজনৈতিক দল বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার আগে সিভিল সার্ভিসের শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য হিসেবে অর্থনীতির শিক্ষকতা করেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি দায়িত্বও পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি বামপন্থী পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (ইপিএসইউ) যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থানের সময় মির্জা ফখরুল সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ঢাকা কলেজে পড়াশোনা করেন তিনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হন। এর আগে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় অল্প সময়ের জন্য মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সঙ্গে যুক্ত হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি।
১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানই শেষ পর্যন্ত জাতিকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিকে নিয়ে যায়। সে সময় বামপন্থী মুক্তিযোদ্ধাদের একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। পরে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে যোগ দেন শিক্ষকতা পেশায় এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক। ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। একই সময়ে সরকারি চাকরির অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারির একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। এ ছাড়া ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনেও কাজ করেন।
মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দিতে ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। এর দুই বছর পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজের জন্মস্থান উত্তরাঞ্চলের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে এই পদটি মেয়র হিসেবে পরিচিত। এর কিছুদিন পর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বিএনপিতে যোগ দেন আলমগীর।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলার কালীবাড়ি এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন আলমগীর।
তার বাবা ছিলেন তৎকালীন মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সাবেক সদস্য মির্জা রুহুল আমিন। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে স্বৈরাচারী শাসক ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
২০১১ সালে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া মির্জা ফখরুল ইসলামকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেন। পরে ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তাকে মহাসচিবের স্থায়ী দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর তিনিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দলটির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী দলটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে তাকে।
তবে মির্জা ফখরুলের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণের সময়টিই ছিল বিএনপির ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনে ব্যাপক দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখে পড়েন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকেও কারাবন্দি হতে হয়। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তার ছেলে ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৮ সালে সেনা-সমর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তথা ১/১১ সরকার নির্বাসনে যেতে বাধ্য করেছিল।
এমন পরিস্থিতিতে লন্ডন থেকে তৎকালীন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় দলের সামনের সারির প্রধান নেতা হিসেবে দল পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মির্জা ফখরুল। তবে এ সময় তাকে তিনবার কারাবরণ করতে হয়।
মহাসচিব হওয়ার আগে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোর বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। প্রথমে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পরে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হন। দীর্ঘদিন দলের অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও পরে সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
২০০১ সালের নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।
২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বগুড়ার একটি আসন থেকে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
তবে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মির্জা ফখরুল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। যদিও দলের অন্য পাঁচ সংসদ সদস্যকে সংসদে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তারা ২০২২ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই বছর দলীয় নির্দেশে তারাও পদত্যাগ করেন।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গঠন করে। এরপরই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন আলমগীর।
দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়ার কারণে সংবিধান অনুযায়ী বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে তাকে। এ সময় আবেগঘন এক অনুষ্ঠানে তার এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। পরে বেসরকারি বীমা কোম্পানিতে কাজ করেছেন। এই দম্পতির দুই মেয়ে। তারা দুজনই শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত।
বড় মেয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে কাজ করছেন। ছোট মেয়ে ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আলমগীর একজন মধ্যপন্থী ও বিনয়ী রাজনীতিক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, এমনকি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও ব্যক্তিগতভাবে তার প্রশংসা করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিএনপি নেতাসহ অন্যান্য রাজনীতিকরা দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলামকে স্বাগত জানিয়েছেন। দলের কঠিন সময়ে তার দীর্ঘদিনের ভূমিকা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক মনোভাব ও উদার মানসিকতার কথা স্মরণ করেছেন তারা।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>গোপনে বাগদান করে যে স্বপ্নের কথা জানালেন আয়শা খান</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/141/</link>
                <description><![CDATA[বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’খ্যাত অভিনেত্রী আয়শা খানকে নিয়ে সম্প্রতি এক জল্পনাই তৈরি হয়েছে। অনামিকায় হীরের আংটি পরে সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে নেওয়ার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল— সত্যিই কি ‘শরারত’ সুন্দরী খুঁজে পেলেন মনের মানুষ?
সম্প্রতি এক রহস্যময় পুরুষকে নিয়ে একগুচ্ছ ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী আয়শা খান। সেই ছবিতে নজর কেড়েছে একটি হীরের আংটি। সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে— গোপনে কি বাগদান সেরে ফেলেছেন আয়শা খান?
‘ধুরন্ধর’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘শরারত’-এর সঙ্গে নেচে প্রশংসিত ও জনপ্রিয়তা পান আয়শা খান। গানটিতে তার সঙ্গে ছিলেন ক্রিস্টল ডি' সুজাও। করাচির এক জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল ‘শরারত’ গানটি।&#160;
সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন আয়শা খান। তিনি বলেছিলেন— দুদিন ধরে চলছিল শুটিং। কাজের চাপ ছিল প্রচণ্ড। তার ওপর সেই সময়ে তার ঋতুস্রাব চলছিল। ফলে শরীর ফোলা ছিল, নিজের চেহারাও তার সেরা অবস্থায় ছিল না।
আয়শা জানান, দুদিনের মধ্যে প্রচুর কাজ করতে হয়েছিল। সময়ও কম ছিল। টানা নাচের কারণে শরীরের হাড় পর্যন্ত যেন ব্যথা করছিল। শারীরিক ক্লান্তির সঙ্গে আবেগও তাকে চাপে ফেলেছিল। একসময় আর নিজেকে সামলাতে না পেরে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। তবে সেই কান্না ছিল আনন্দের।
এর আগে যন্তর-মন্তরের আন্দোলন চলাকালেও খবরে উঠে এসেছিলেন আয়শা খান। তিনি ছাত্রদের সমর্থন করছিলেন। আন্দোলনের রেশ পৌঁছে ছিল মুম্বাই শহর পর্যন্ত। সেখানে আন্দোলনে শামিল হতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তখনই মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করেছিল। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন অভিনেত্রী।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিগুলোতে পুরুষটির মুখ আড়ালেই রেখেছেন আয়শা খান। হীরের আংটি দেখে বাগদানের জল্পনা শুরু হলেও তার ক্যাপশন বলছে ভিন্ন কথা।&#160;
ছবির নেপথ্যে অন্য কোনো গল্পও থাকতে পারে। মনে করা হচ্ছে, এটি কোনো গহনার সংস্থার হয়ে করা ফটোশুটের অংশ। যদিও আয়শা খান নিজে এখনো এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেননি। আয়শা শুধু লিখেছেন— একটা স্বপ্ন।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 11:57:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/141/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17872918368966.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’খ্যাত অভিনেত্রী আয়শা খানকে নিয়ে সম্প্রতি এক জল্পনাই তৈরি হয়েছে। অনামিকায় হীরের আংটি পরে সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে নেওয়ার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল— সত্যিই কি ‘শরারত’ সুন্দরী খুঁজে পেলেন মনের মানুষ?
সম্প্রতি এক রহস্যময় পুরুষকে নিয়ে একগুচ্ছ ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী আয়শা খান। সেই ছবিতে নজর কেড়েছে একটি হীরের আংটি। সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে— গোপনে কি বাগদান সেরে ফেলেছেন আয়শা খান?
‘ধুরন্ধর’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘শরারত’-এর সঙ্গে নেচে প্রশংসিত ও জনপ্রিয়তা পান আয়শা খান। গানটিতে তার সঙ্গে ছিলেন ক্রিস্টল ডি' সুজাও। করাচির এক জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল ‘শরারত’ গানটি।&#160;
সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন আয়শা খান। তিনি বলেছিলেন— দুদিন ধরে চলছিল শুটিং। কাজের চাপ ছিল প্রচণ্ড। তার ওপর সেই সময়ে তার ঋতুস্রাব চলছিল। ফলে শরীর ফোলা ছিল, নিজের চেহারাও তার সেরা অবস্থায় ছিল না।
আয়শা জানান, দুদিনের মধ্যে প্রচুর কাজ করতে হয়েছিল। সময়ও কম ছিল। টানা নাচের কারণে শরীরের হাড় পর্যন্ত যেন ব্যথা করছিল। শারীরিক ক্লান্তির সঙ্গে আবেগও তাকে চাপে ফেলেছিল। একসময় আর নিজেকে সামলাতে না পেরে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। তবে সেই কান্না ছিল আনন্দের।
এর আগে যন্তর-মন্তরের আন্দোলন চলাকালেও খবরে উঠে এসেছিলেন আয়শা খান। তিনি ছাত্রদের সমর্থন করছিলেন। আন্দোলনের রেশ পৌঁছে ছিল মুম্বাই শহর পর্যন্ত। সেখানে আন্দোলনে শামিল হতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তখনই মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করেছিল। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন অভিনেত্রী।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিগুলোতে পুরুষটির মুখ আড়ালেই রেখেছেন আয়শা খান। হীরের আংটি দেখে বাগদানের জল্পনা শুরু হলেও তার ক্যাপশন বলছে ভিন্ন কথা।&#160;
ছবির নেপথ্যে অন্য কোনো গল্পও থাকতে পারে। মনে করা হচ্ছে, এটি কোনো গহনার সংস্থার হয়ে করা ফটোশুটের অংশ। যদিও আয়শা খান নিজে এখনো এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেননি। আয়শা শুধু লিখেছেন— একটা স্বপ্ন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>কালিহাতীতে ট্রেনের ধাক্কায় লেগুনা চালক নিহত</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/140/</link>
                <description><![CDATA[টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় লেগুনা খাদে পড়ে যায়। এসময় লেগুনা চালক মাসুদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌরসভার রাজাবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লেগুনা চালক মাসুদ কালিহাতী উপজেলার আইসড়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশের এএসআই এনামুল জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। একই সময় লেগুনো নিয়ে মাসুদ বাড়ি ফিরছিল।
এসময় অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় লেগুনা খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই লেগুনার চালক মাসুদ মারা যায়।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় লেগুনা চালক মাসুদের লাশ বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। তাদের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 01:32:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/140/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17872543829936.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় লেগুনা খাদে পড়ে যায়। এসময় লেগুনা চালক মাসুদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌরসভার রাজাবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লেগুনা চালক মাসুদ কালিহাতী উপজেলার আইসড়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশের এএসআই এনামুল জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। একই সময় লেগুনো নিয়ে মাসুদ বাড়ি ফিরছিল।
এসময় অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় লেগুনা খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই লেগুনার চালক মাসুদ মারা যায়।
স্থানীয়দের সহযোগিতায় লেগুনা চালক মাসুদের লাশ বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। তাদের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>দ্রুত ধনী হওয়ার লোভে প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরিকাঘাতে হত্যা, ২ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/139/</link>
                <description><![CDATA[দ্রুত ধনী হওয়া এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের চরম লোভে অন্ধ হয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকাকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে দশম শ্রেণির দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের নালগোন্ডা জেলা পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কোন্ডামাল্লেপল্লির নাগার্জুনা পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালক কাল্লু রুপা রেড্ডি (৪৮)।
গত ১২ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে রুপা রেড্ডির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে মোট ২৭টি ছুরিকাঘাতের ক্ষত পাওয়া যায়। ঘটনার সময় তাঁর স্বামী রাজ্যের রাজধানী হায়দরাবাদে অবস্থান করছিলেন। ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ পাঁচটি বিশেষ দল গঠন করে। সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক আলামত, আঙুলের ছাপ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি ৮০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তদন্ত চলাকালে পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লু পায়। জানা যায়, ফোন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন রুপা রেড্ডি এবং ওই আলাপে তাঁর উচ্চারিত শেষ শব্দটি ছিল ‘বাবু’।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা শরৎ চন্দ্র পাওয়ার জানান, ফোনে রেকর্ড হওয়া এই ‘বাবু’ শব্দটি কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে গিয়েই সন্দেহের তির যায় স্কুলের ছাত্রদের দিকে।
এরপর তদন্ত দল ছাত্রদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং ঘটনার দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকা দশম শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে। এদের মধ্যে দুজনকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অস্বাভাবিকভাবে অর্থ খরচ করতে এবং পার্টি উদযাপন করতে দেখা যায়। বুধবার সকালে ওই দুই ছাত্রকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর কথা স্বীকার করে।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, কিছুদিন আগে হোস্টেলে ওই দুই ছাত্রের ব্যাগে বিপুল নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন পাওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা তাদের শাসন করেছিলেন এবং বিষয়টি তাদের অভিভাবকদেরও জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাদের হোস্টেল থেকে সরিয়ে বাড়ি থেকে স্কুলে আসা-যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পর থেকেই প্রধান শিক্ষিকার ওপর তীব্র ক্ষোভ জন্মায় তাদের মনে।
হত্যাকাণ্ডের অন্তত পাঁচ দিন আগে থেকে চুরির ছক কষে তারা এবং রুপা রেড্ডির বাড়ির আশপাশে নজরদারি চালায়। আঙুলের ছাপ বা কোনো শারীরিক প্রমাণ যাতে পুলিশের হাতে না পড়ে, সে জন্য আগে থেকেই ছুরি ও গ্লাভস কিনে রাখে তারা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন এক ছাত্র পুরো মুখ ঢাকা মাঙ্কি টুপি ও গ্লাভস পরে প্রধান শিক্ষিকার ঘরে প্রবেশ করে। শোবার ঘর থেকে আড়াই লাখ রুপি হাতিয়ে নিয়ে পালানোর সময় দুর্ঘটনাবশত তার মুখের টুপি খুলে যায় এবং রুপা রেড্ডি তাকে চিনে ফেলেন। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আতঙ্কে সে সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রুপা রেড্ডিকে উপর্যুপরি ২৭ বার কুপিয়ে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ড শেষ করে নগদ টাকা লুট করে রক্তমাখা পোশাক ও টুপি মাটিতে পুঁতে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে তারা। এরপর সেই টাকায় তারা সরাসরি গোয়া ভ্রমণে চলে যায়।
পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার রুপি (যার কিছু নোটে রক্তের দাগ রয়েছে), তাদের কেনা একটি নতুন আইফোন এবং নিহত রুপা রেড্ডির ব্যবহৃত ফোনটি উদ্ধার করেছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অপরাধ সংগঠনের আগে অভিযুক্ত দুই ছাত্র ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ‘কীভাবে দ্রুত টাকা আয় করা যায়’ লিখে একাধিকবার সার্চ করেছিল।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 01:12:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/139/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17872531698906.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[দ্রুত ধনী হওয়া এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের চরম লোভে অন্ধ হয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকাকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে দশম শ্রেণির দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের নালগোন্ডা জেলা পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কোন্ডামাল্লেপল্লির নাগার্জুনা পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালক কাল্লু রুপা রেড্ডি (৪৮)।
গত ১২ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে রুপা রেড্ডির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরে মোট ২৭টি ছুরিকাঘাতের ক্ষত পাওয়া যায়। ঘটনার সময় তাঁর স্বামী রাজ্যের রাজধানী হায়দরাবাদে অবস্থান করছিলেন। ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ পাঁচটি বিশেষ দল গঠন করে। সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক আলামত, আঙুলের ছাপ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি ৮০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তদন্ত চলাকালে পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্লু পায়। জানা যায়, ফোন বন্ধ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন রুপা রেড্ডি এবং ওই আলাপে তাঁর উচ্চারিত শেষ শব্দটি ছিল ‘বাবু’।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা শরৎ চন্দ্র পাওয়ার জানান, ফোনে রেকর্ড হওয়া এই ‘বাবু’ শব্দটি কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে গিয়েই সন্দেহের তির যায় স্কুলের ছাত্রদের দিকে।
এরপর তদন্ত দল ছাত্রদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং ঘটনার দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকা দশম শ্রেণির পাঁচজন শিক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে। এদের মধ্যে দুজনকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অস্বাভাবিকভাবে অর্থ খরচ করতে এবং পার্টি উদযাপন করতে দেখা যায়। বুধবার সকালে ওই দুই ছাত্রকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর কথা স্বীকার করে।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, কিছুদিন আগে হোস্টেলে ওই দুই ছাত্রের ব্যাগে বিপুল নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন পাওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা তাদের শাসন করেছিলেন এবং বিষয়টি তাদের অভিভাবকদেরও জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাদের হোস্টেল থেকে সরিয়ে বাড়ি থেকে স্কুলে আসা-যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পর থেকেই প্রধান শিক্ষিকার ওপর তীব্র ক্ষোভ জন্মায় তাদের মনে।
হত্যাকাণ্ডের অন্তত পাঁচ দিন আগে থেকে চুরির ছক কষে তারা এবং রুপা রেড্ডির বাড়ির আশপাশে নজরদারি চালায়। আঙুলের ছাপ বা কোনো শারীরিক প্রমাণ যাতে পুলিশের হাতে না পড়ে, সে জন্য আগে থেকেই ছুরি ও গ্লাভস কিনে রাখে তারা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন এক ছাত্র পুরো মুখ ঢাকা মাঙ্কি টুপি ও গ্লাভস পরে প্রধান শিক্ষিকার ঘরে প্রবেশ করে। শোবার ঘর থেকে আড়াই লাখ রুপি হাতিয়ে নিয়ে পালানোর সময় দুর্ঘটনাবশত তার মুখের টুপি খুলে যায় এবং রুপা রেড্ডি তাকে চিনে ফেলেন। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আতঙ্কে সে সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রুপা রেড্ডিকে উপর্যুপরি ২৭ বার কুপিয়ে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ড শেষ করে নগদ টাকা লুট করে রক্তমাখা পোশাক ও টুপি মাটিতে পুঁতে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে তারা। এরপর সেই টাকায় তারা সরাসরি গোয়া ভ্রমণে চলে যায়।
পুলিশ গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার রুপি (যার কিছু নোটে রক্তের দাগ রয়েছে), তাদের কেনা একটি নতুন আইফোন এবং নিহত রুপা রেড্ডির ব্যবহৃত ফোনটি উদ্ধার করেছে। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অপরাধ সংগঠনের আগে অভিযুক্ত দুই ছাত্র ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ‘কীভাবে দ্রুত টাকা আয় করা যায়’ লিখে একাধিকবার সার্চ করেছিল।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>এই প্রথম আসাদের কোনো সহযোগীকে সিরিয়ায় প্রত্যর্পণ</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/138/</link>
                <description><![CDATA[সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে দায়িত্ব পালন করা সাবেক এক জেনারেলকে যুদ্ধাপরাধসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে সিরিয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে লেবানন। আসাদ সরকারের পতনের পর এই প্রথম কোনো সাবেক উচ্চপদস্থ সিরীয় সামরিক কর্মকর্তাকে লেবানন থেকে সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রত্যর্পণ করা হলো।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিবিসি জানায়, প্রত্যর্পণ করা ওই কর্মকর্তার নাম মেজর জেনারেল আদেল ইসা। ৬৭ বছর বয়সী ইসা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে বিভিন্ন সামরিক দায়িত্ব পালন করেছেন। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ—তিনি হত্যা, নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানো এবং গৃহযুদ্ধ ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত উসকে দেওয়ার উদ্দেশে আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অপরাধে জড়িত ছিলেন।
গত ৮ আগস্ট বৈরুতে সিরীয় দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ সারতে গেলে আদেল ইসাকে আটক করা হয়। পরে গত বুধবার তাঁকে সিরীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়।
বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার বহু সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী লেবাননে আশ্রয় নেন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লেবাননের ওপর নতুন সিরীয় সরকারের চাপ ছিল বলে জানা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আদেল ইসার প্রত্যর্পণকে দুই দেশের সম্পর্ক ও যুদ্ধাপরাধের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ-জোর প্রদেশে স্থলবাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন আদেল ইসা। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ওই অঞ্চলে সরকারি বাহিনী ও বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল।
তবে গ্রেপ্তারের সময় ইসা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যে ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির আওতায় ইসাকে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন তাঁর মামলাটি দামেস্কের একজন রেফারেল বিচারকের কাছে যাবে। তিনি অভিযোগগুলো বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করবেন। এরপর মামলাটি ফৌজদারি আদালতে পাঠানো হতে পারে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে সিরিয়া লেবানন কর্তৃপক্ষের কাছে ২০০ জনের বেশি সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার একটি তালিকা দিয়েছিল। সিরিয়ার নতুন সরকার এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচার ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে চায়।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আসাদ আমলের সাবেক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা শুরু হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে দামেস্কের একটি আদালত সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ এবং তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদকে গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। সিরিয়ায় নতুন বাহিনী ক্ষমতা দখল করার সময় তাঁরা মস্কোতে পালিয়ে যান।
এদিকে বাশার আল-আসাদের দুই চাচাতো ভাই ওয়াসিম আল-আসাদ ও আতিফ নাজিবকে সিরিয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০১১ সালে শুরু হওয়া সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ দেশটিকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিদ্রোহী বাহিনী রাজধানী দামেস্ক দখল করলে বাশার আল-আসাদের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটে। এরপর থেকেই নতুন সিরীয় সরকার সাবেক শাসনামলের নির্যাতন, হত্যা ও অন্যান্য অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 01:11:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/138/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17872531063805.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে দায়িত্ব পালন করা সাবেক এক জেনারেলকে যুদ্ধাপরাধসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে সিরিয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে লেবানন। আসাদ সরকারের পতনের পর এই প্রথম কোনো সাবেক উচ্চপদস্থ সিরীয় সামরিক কর্মকর্তাকে লেবানন থেকে সিরিয়ার নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রত্যর্পণ করা হলো।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিবিসি জানায়, প্রত্যর্পণ করা ওই কর্মকর্তার নাম মেজর জেনারেল আদেল ইসা। ৬৭ বছর বয়সী ইসা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে বিভিন্ন সামরিক দায়িত্ব পালন করেছেন। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ—তিনি হত্যা, নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানো এবং গৃহযুদ্ধ ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত উসকে দেওয়ার উদ্দেশে আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অপরাধে জড়িত ছিলেন।
গত ৮ আগস্ট বৈরুতে সিরীয় দূতাবাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ সারতে গেলে আদেল ইসাকে আটক করা হয়। পরে গত বুধবার তাঁকে সিরীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়।
বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার বহু সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী লেবাননে আশ্রয় নেন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লেবাননের ওপর নতুন সিরীয় সরকারের চাপ ছিল বলে জানা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে আদেল ইসার প্রত্যর্পণকে দুই দেশের সম্পর্ক ও যুদ্ধাপরাধের বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আজ-জোর প্রদেশে স্থলবাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন আদেল ইসা। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ওই অঞ্চলে সরকারি বাহিনী ও বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল।
তবে গ্রেপ্তারের সময় ইসা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যে ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির আওতায় ইসাকে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন তাঁর মামলাটি দামেস্কের একজন রেফারেল বিচারকের কাছে যাবে। তিনি অভিযোগগুলো বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করবেন। এরপর মামলাটি ফৌজদারি আদালতে পাঠানো হতে পারে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে সিরিয়া লেবানন কর্তৃপক্ষের কাছে ২০০ জনের বেশি সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার একটি তালিকা দিয়েছিল। সিরিয়ার নতুন সরকার এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচার ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে চায়।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আসাদ আমলের সাবেক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা শুরু হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে দামেস্কের একটি আদালত সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ এবং তাঁর ভাই মাহের আল-আসাদকে গৃহযুদ্ধের সময় সংঘটিত নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। সিরিয়ায় নতুন বাহিনী ক্ষমতা দখল করার সময় তাঁরা মস্কোতে পালিয়ে যান।
এদিকে বাশার আল-আসাদের দুই চাচাতো ভাই ওয়াসিম আল-আসাদ ও আতিফ নাজিবকে সিরিয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০১১ সালে শুরু হওয়া সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ দেশটিকে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিদ্রোহী বাহিনী রাজধানী দামেস্ক দখল করলে বাশার আল-আসাদের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটে। এরপর থেকেই নতুন সিরীয় সরকার সাবেক শাসনামলের নির্যাতন, হত্যা ও অন্যান্য অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>নরসিংদীতে স্ত্রীকে হত্যার পর লা-শ গুম, স্বামী আটক</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/137/</link>
                <description><![CDATA[নরসিংদীর মাধবদীতে স্ত্রীকে হ-ত্যার পর ম-রদেহ গু*ম করার ঘটনায় স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে স্বামী শরীফ মিয়াকে (৪২) আটক করে পুলিশ।নি*হতের নাম জাহানারা বেগম (৩৯)। নিহতের স্বজনেরা জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে সামাজিকভাবে জাহানারার সঙ্গে শরীফের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ৮ বছর বয়সি একটি মেয়েসন্তান রয়েছে। শরীফ মাধবদী শহরের একটি হোটেলে কাজ করতেন। তারা হ*ত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।স্বামী শরীফ মিয়া বলেন, ‘সোমবার বিকেলে স্ত্রীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় তিনি স্ত্রীকে থাপ্পড় দিলে টিউবওয়েলের ওপর পড়ে গিয়ে অচেতন হয়ে যান। পরে জ্ঞান না ফেরায় তাকে ঘরে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী মা*রা গেছেন বুঝতে পারেন।’জানাজানি হওয়ার ভয়ে কাউকে না জানিয়ে ম*রদেহটি দাফন করেন বলে জানান তিনি।মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘স্ত্রীকে হ*ত্যার পর মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে শরীফ মিয়াকে আটক করা হয়েছে।’ঘটনার দুইদিন পর শরীফ বুধবার দুপুরে থানায় এসে এক নাটক সাজিয়ে স্ত্রী হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করার চেষ্টা করেন। তখনই তার কথাবার্তায় পুলিশের সন্দেহ হলে পুলিশ ও স্থানীয়দের তাকে নজরদারিতে রাখতে বলা হয়। অবশেষে বেরিয়ে আসে ঘটনার রহস্য।যেহেতু ম*রদেহ মাটিচাপা দিয়ে দিয়েছেন, তাই তা উদ্ধারের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ লাগবে। নিহতের ম*রদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।]]></description>
                <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 22:01:30 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/137/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17872416903886.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[নরসিংদীর মাধবদীতে স্ত্রীকে হ-ত্যার পর ম-রদেহ গু*ম করার ঘটনায় স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে স্বামী শরীফ মিয়াকে (৪২) আটক করে পুলিশ।নি*হতের নাম জাহানারা বেগম (৩৯)। নিহতের স্বজনেরা জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে সামাজিকভাবে জাহানারার সঙ্গে শরীফের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ৮ বছর বয়সি একটি মেয়েসন্তান রয়েছে। শরীফ মাধবদী শহরের একটি হোটেলে কাজ করতেন। তারা হ*ত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।স্বামী শরীফ মিয়া বলেন, ‘সোমবার বিকেলে স্ত্রীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় তিনি স্ত্রীকে থাপ্পড় দিলে টিউবওয়েলের ওপর পড়ে গিয়ে অচেতন হয়ে যান। পরে জ্ঞান না ফেরায় তাকে ঘরে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী মা*রা গেছেন বুঝতে পারেন।’জানাজানি হওয়ার ভয়ে কাউকে না জানিয়ে ম*রদেহটি দাফন করেন বলে জানান তিনি।মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘স্ত্রীকে হ*ত্যার পর মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে শরীফ মিয়াকে আটক করা হয়েছে।’ঘটনার দুইদিন পর শরীফ বুধবার দুপুরে থানায় এসে এক নাটক সাজিয়ে স্ত্রী হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করার চেষ্টা করেন। তখনই তার কথাবার্তায় পুলিশের সন্দেহ হলে পুলিশ ও স্থানীয়দের তাকে নজরদারিতে রাখতে বলা হয়। অবশেষে বেরিয়ে আসে ঘটনার রহস্য।যেহেতু ম*রদেহ মাটিচাপা দিয়ে দিয়েছেন, তাই তা উদ্ধারের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ লাগবে। নিহতের ম*রদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/136/</link>
                <description><![CDATA[দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ভোট পেয়েছেন ২৫৫টি ও কর্নেল অলি ৮০ টি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশ্যে ভোট গণনা করা হয়। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন ফলাফল ঘোষণা করেন।

বিস্তারিত আসছে...&#160;
]]></description>
                <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 17:44:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/136/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17872262825842.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ভোট পেয়েছেন ২৫৫টি ও কর্নেল অলি ৮০ টি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশ্যে ভোট গণনা করা হয়। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন ফলাফল ঘোষণা করেন।

বিস্তারিত আসছে...&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/134/</link>
                <description><![CDATA[ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জাদুঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ এনে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। বিচারক বাদীর জবানবন্দি শুনে রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, মাহফুজ আলম, আখতার হোসেন, মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সার্জিস আলম, সামান্থা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন, কনক সরোয়ার, নুরনবী (অব. কর্নেল), তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 14:55:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/134/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17872161739753.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জাদুঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ এনে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। বিচারক বাদীর জবানবন্দি শুনে রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, মাহফুজ আলম, আখতার হোসেন, মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সার্জিস আলম, সামান্থা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন, কনক সরোয়ার, নুরনবী (অব. কর্নেল), তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>গাছা জোন অফিস পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস।</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/133/</link>
                <description><![CDATA[আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রোজ মঙ্গলবার, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) জনাব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা জোন অফিস পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি গাছা জোনে কর্মরত অফিসার ও ফোর্সের সার্বিক কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠা বজায় রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় তিনি ফোর্সের আবাসন ব্যবস্থা, ব্যারাকসহ অন্যান্য কল্যাণমূলক সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।পরিদর্শনকালে উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ),অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ), সহকারী পুলিশ কমিশনার (গাছা জোন), গাছা থানার অফিসার ইনচার্জসহ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।]]></description>
                <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 20:55:52 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/133/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17871513527466.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রোজ মঙ্গলবার, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) জনাব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা জোন অফিস পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি গাছা জোনে কর্মরত অফিসার ও ফোর্সের সার্বিক কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠা বজায় রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় তিনি ফোর্সের আবাসন ব্যবস্থা, ব্যারাকসহ অন্যান্য কল্যাণমূলক সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।পরিদর্শনকালে উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ),অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ), সহকারী পুলিশ কমিশনার (গাছা জোন), গাছা থানার অফিসার ইনচার্জসহ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/132/</link>
                <description><![CDATA[সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত্রী ডা. দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পর তার মেয়ে তানি দীপাবলি নেওয়াজের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই প্যারোল মঞ্জুর করা হয়েছে। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বাবার মরদেহ ঢাকায় রেখে বুধবার সকাল থেকেই মায়ের মুক্তির জন্য মুন্সীগঞ্জে বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়াদৌড়ি করেন দীপাবলি। দুপুর ১২টার দিকে তিনি মুন্সীগঞ্জ কারাগারে মায়ের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর দুপুর পৌনে ২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে চার দিনের জন্য মায়ের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জমা দেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করে প্রশাসন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীপু মনি প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ঢাকায় পৌঁছানোর পর তার স্বামীর মরদেহের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৬ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ৬০টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এরপর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 16:05:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/132/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17871339418450.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত্রী ডা. দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুর পর তার মেয়ে তানি দীপাবলি নেওয়াজের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই প্যারোল মঞ্জুর করা হয়েছে। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বাবার মরদেহ ঢাকায় রেখে বুধবার সকাল থেকেই মায়ের মুক্তির জন্য মুন্সীগঞ্জে বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়াদৌড়ি করেন দীপাবলি। দুপুর ১২টার দিকে তিনি মুন্সীগঞ্জ কারাগারে মায়ের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর দুপুর পৌনে ২টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজাউল করিমের কাছে চার দিনের জন্য মায়ের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জমা দেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করে প্রশাসন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীপু মনি প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ঢাকায় পৌঁছানোর পর তার স্বামীর মরদেহের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৬ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ৬০টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এরপর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, বলে বুঝাতে পারবো না: ঢাবি শিক্ষক মোনামি</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/131/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রদল ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার ব্যক্তিগত একটি ছবি ও পোস্ট নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার পর তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
সোমবার বিকালে দেওয়া ওই পোস্টে ঢাবি শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি উল্লেখ করেন, তিনি তার ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার একটি ছবি ও পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। কিন্তু তার সেই ছবি শেয়ার করে যে ধরনের অমার্জিত পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি পোস্টে লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ভালো ভাবার কোনো কারণ তিনি দেখেন না। তার মতে, তথাকথিত সুশীল সমাজের একাংশ বিশেষ রাজনৈতিক দল ও নির্দিষ্ট শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সহানুভূতিশীল হলেও অন্য শিক্ষকদের বেলায় উদাসীন থাকে। এছাড়া নিজের ওপর ‘জামায়াত ট্যাগ’ দেওয়ার প্রবণতা নিয়েও তিনি হতাশা ব্যক্ত করেন।
পোস্টটিতে ডাকসুর পর থেকে ছাত্রদল ও বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীর আচরণ নীরব দর্শকের মতো সহ্য করে যাওয়ার কথা জানান এই শিক্ষক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের উদ্ধত আচরণ করে ব্যক্তিগত জীবনে কেউ খুব বেশি দূর এগোতে পারে না। পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার মানসিকতাই এমন আচরণের জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা মন্তব্য করেন। তার সেই কমেন্টের জবাবে শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক ছাত্র নেত্রীকে সহায়তা করার একটি পুরোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বামের এক বড় নেত্রীর অনেক বড় একটা সাহায্য করেছিলাম। সকল দরজা যখন তার জন্য বন্ধ, তখন প্রক্টর অফিসে এসে কেঁদেছিলো, ব্যবস্থা না করলে ওর পড়ালেখা হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। আমি ওর জন্য কত দৌড় ঝাপ দিলাম। অবশেষে ওকে সাহায্য করতে পারলাম। ওকে বল্লামও, সবকিছুর পাশাপাশি এবার পড়াশোনাটা শেষ করো কিন্তু। আমাকে জড়িয়ে ধরলো। সেই সেম মেয়ে কিছুদিন পর রাজুতে দাঁড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভাষণ দিলো। আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, আমি বলে বুঝাতে পারবো না।&#160;
&#160;
]]></description>
                <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 23:25:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/131/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17869875258686.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রদল ও বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীদের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার ব্যক্তিগত একটি ছবি ও পোস্ট নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার পর তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
সোমবার বিকালে দেওয়া ওই পোস্টে ঢাবি শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি উল্লেখ করেন, তিনি তার ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার একটি ছবি ও পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। কিন্তু তার সেই ছবি শেয়ার করে যে ধরনের অমার্জিত পোস্ট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি পোস্টে লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলকে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ভালো ভাবার কোনো কারণ তিনি দেখেন না। তার মতে, তথাকথিত সুশীল সমাজের একাংশ বিশেষ রাজনৈতিক দল ও নির্দিষ্ট শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সহানুভূতিশীল হলেও অন্য শিক্ষকদের বেলায় উদাসীন থাকে। এছাড়া নিজের ওপর ‘জামায়াত ট্যাগ’ দেওয়ার প্রবণতা নিয়েও তিনি হতাশা ব্যক্ত করেন।
পোস্টটিতে ডাকসুর পর থেকে ছাত্রদল ও বাম ধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু নেতাকর্মীর আচরণ নীরব দর্শকের মতো সহ্য করে যাওয়ার কথা জানান এই শিক্ষক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের উদ্ধত আচরণ করে ব্যক্তিগত জীবনে কেউ খুব বেশি দূর এগোতে পারে না। পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার মানসিকতাই এমন আচরণের জন্য দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা মন্তব্য করেন। তার সেই কমেন্টের জবাবে শিক্ষক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক ছাত্র নেত্রীকে সহায়তা করার একটি পুরোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি লিখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বামের এক বড় নেত্রীর অনেক বড় একটা সাহায্য করেছিলাম। সকল দরজা যখন তার জন্য বন্ধ, তখন প্রক্টর অফিসে এসে কেঁদেছিলো, ব্যবস্থা না করলে ওর পড়ালেখা হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। আমি ওর জন্য কত দৌড় ঝাপ দিলাম। অবশেষে ওকে সাহায্য করতে পারলাম। ওকে বল্লামও, সবকিছুর পাশাপাশি এবার পড়াশোনাটা শেষ করো কিন্তু। আমাকে জড়িয়ে ধরলো। সেই সেম মেয়ে কিছুদিন পর রাজুতে দাঁড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভাষণ দিলো। আমি কি পরিমান কষ্ট পেয়েছি, আমি বলে বুঝাতে পারবো না।&#160;
&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>অসুস্থ হওয়ায় প্রবাসীকে রাস্তায় ফেলে যান স্ত্রী-সন্তান, সেই জামাল মারা গেছেন</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/130/</link>
                <description><![CDATA[টাঙ্গাইলের সখীপুরে রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় আলোচিত সেই অসুস্থ প্রবাসী জামাল উদ্দিন (৫৫) মারা গেছেন। সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার কালমেঘা গ্রামে ভাতিজি ইসমত আরার বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। দুটি কিডনি বিকল হওয়া এই ব্যক্তিকে গত ১ আগস্ট গভীর রাতে তার স্ত্রী রাস্তায় ফেলে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, জামাল উদ্দিনের দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৪ আগস্ট গ্রামবাসীর চাঁদার টাকায় তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসায় কোনো উন্নতি না হওয়ায় গত শুক্রবার তাকে হাসপাতাল থেকে পুনরায় ভাতিজির বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
ভাতিজির স্বামী শাহ আলম জানান, তাদের বাড়িতে মাত্র একটি ঘর থাকায় জামাল উদ্দিনকে বারান্দায় রেখে সেবাযত্নের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে সুস্থ করার অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
গত ১ আগস্ট গভীর রাতে কালমেঘা এলাকায় পৈতৃক ভিটার কাছের একটি রাস্তায় জামাল উদ্দিনকে ফেলে রেখে যায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা। পরদিন সকালে স্থানীয়রা তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। একপর্যায়ে বৃষ্টি শুরু হলে ভাতিজি ইসমত আরা তাকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দেন। অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার এই অমানবিক ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
জামাল উদ্দিনের পারিবারিক প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, প্রায় ২২ বছর আগে কালমেঘা গ্রামে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাঁশবাড়িতে স্ত্রীর বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তিনি। এরপর দীর্ঘ ১২ বছর সৌদি আরবে কাজ করেন।
নিহতের ভাই আবদুল জলিলের অভিযোগ, প্রবাসে থাকা অবস্থায় উপার্জিত সব অর্থ স্ত্রীর নামেই দেশে পাঠিয়েছেন জামাল। কিন্তু তিন মাস আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর স্ত্রী ও সন্তানেরা তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
তবে জামাল উদ্দিনকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার বিষয়ে গত ৩ আগস্ট তার স্ত্রী রিনা আক্তার দাবি করেছিলেন, আড়াই মাস আগেই তিনি জামাল উদ্দিনকে তালাক দিয়েছেন। আইনগতভাবে তিনি আর স্বামী না হওয়ায় তাকে গাড়িতে করে তার নিজ গ্রামে রেখে আসা হয়েছে।
জীবনের পুরো উপার্জন স্ত্রীর নামে পাঠিয়ে শেষ বয়সে এসে চরম অসহায়ত্বের শিকার হন জামাল উদ্দিন। বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান, গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে এই ব্যক্তির চিকিৎসার চেষ্টা করেছিলেন। এখন তার মৃত্যুর পর আবারও সবার কাছ থেকে টাকা তুলেই দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 23:04:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/130/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17869862611462.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[টাঙ্গাইলের সখীপুরে রাতের আঁধারে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় আলোচিত সেই অসুস্থ প্রবাসী জামাল উদ্দিন (৫৫) মারা গেছেন। সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার কালমেঘা গ্রামে ভাতিজি ইসমত আরার বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। দুটি কিডনি বিকল হওয়া এই ব্যক্তিকে গত ১ আগস্ট গভীর রাতে তার স্ত্রী রাস্তায় ফেলে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, জামাল উদ্দিনের দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৪ আগস্ট গ্রামবাসীর চাঁদার টাকায় তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসায় কোনো উন্নতি না হওয়ায় গত শুক্রবার তাকে হাসপাতাল থেকে পুনরায় ভাতিজির বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।
ভাতিজির স্বামী শাহ আলম জানান, তাদের বাড়িতে মাত্র একটি ঘর থাকায় জামাল উদ্দিনকে বারান্দায় রেখে সেবাযত্নের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে সুস্থ করার অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
গত ১ আগস্ট গভীর রাতে কালমেঘা এলাকায় পৈতৃক ভিটার কাছের একটি রাস্তায় জামাল উদ্দিনকে ফেলে রেখে যায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা। পরদিন সকালে স্থানীয়রা তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। একপর্যায়ে বৃষ্টি শুরু হলে ভাতিজি ইসমত আরা তাকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দেন। অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার এই অমানবিক ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
জামাল উদ্দিনের পারিবারিক প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, প্রায় ২২ বছর আগে কালমেঘা গ্রামে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাঁশবাড়িতে স্ত্রীর বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তিনি। এরপর দীর্ঘ ১২ বছর সৌদি আরবে কাজ করেন।
নিহতের ভাই আবদুল জলিলের অভিযোগ, প্রবাসে থাকা অবস্থায় উপার্জিত সব অর্থ স্ত্রীর নামেই দেশে পাঠিয়েছেন জামাল। কিন্তু তিন মাস আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর স্ত্রী ও সন্তানেরা তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
তবে জামাল উদ্দিনকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার বিষয়ে গত ৩ আগস্ট তার স্ত্রী রিনা আক্তার দাবি করেছিলেন, আড়াই মাস আগেই তিনি জামাল উদ্দিনকে তালাক দিয়েছেন। আইনগতভাবে তিনি আর স্বামী না হওয়ায় তাকে গাড়িতে করে তার নিজ গ্রামে রেখে আসা হয়েছে।
জীবনের পুরো উপার্জন স্ত্রীর নামে পাঠিয়ে শেষ বয়সে এসে চরম অসহায়ত্বের শিকার হন জামাল উদ্দিন। বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান, গ্রামবাসী নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে এই ব্যক্তির চিকিৎসার চেষ্টা করেছিলেন। এখন তার মৃত্যুর পর আবারও সবার কাছ থেকে টাকা তুলেই দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>পরকীয়ার অভিযোগে গাছে বেঁধে নারী-পুরুষকে মারধর, যুবক হাসপাতালে</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/129/</link>
                <description><![CDATA[রাজশাহীর পুঠিয়ায় পরকীয়ার অভিযোগে এক নারী ও এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নের সিংড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিংড়া গ্রামের নারী (৩৫) ও একই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মো. সজল (৩০) পরকীয়ায় জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগের জেরে স্থানীয় কয়েকজন তাদের আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে জানা গেছে।
পরে খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় তাদের পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সজলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর ওই নারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরকীয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি নারী ও যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত শেষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে মারধর করা বা অপমান করার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 23:03:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/129/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17869862292761.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাজশাহীর পুঠিয়ায় পরকীয়ার অভিযোগে এক নারী ও এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নের সিংড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিংড়া গ্রামের নারী (৩৫) ও একই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মো. সজল (৩০) পরকীয়ায় জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগের জেরে স্থানীয় কয়েকজন তাদের আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন বলে জানা গেছে।
পরে খবর পেয়ে পুঠিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় তাদের পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সজলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর ওই নারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরকীয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি নারী ও যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত শেষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে মারধর করা বা অপমান করার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>নিজেকে জুলাই শহীদ হিসেবে দেখে সাংবাদিক বললেন, ‘আমি মরি নাই’</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/128/</link>
                <description><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের নিয়ে একটি উপস্থাপনায় জীবিত এক সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে তাকে শহীদ হিসেবে দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।সোমবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।ওই সাংবাদিকের নাম মিজানুর রহমান সোহেল। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের একটি প্রেজেন্টেশনে তাকে ২০২৪ সালের ৪ জুলাই হবিগঞ্জে শহীদ হয়েছেন বলে দেখানো হয়। তবে তার ছবির সঙ্গে নাম হিসেবে উল্লেখ করা হয় সাংবাদিক সোহেল আকাঞ্জির।এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মিজানুর রহমান সোহেল জানান, তিনি পেশায় লেখক ও সাংবাদিক এবং বর্তমানে জীবিত রয়েছেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর পরিচিতজন, সহকর্মী ও সাংবাদিকদের অনেকেই ফোন করে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চান। ফলে বিষয়টি পরিষ্কার করতে তাকে বারবার বলতে হয়েছে, ‘আমি মরি নাই।’সোহেল বলেন, কোনো জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বা শহীদ হিসেবে তুলে ধরা কেবল একটি সাধারণ তথ্যগত ভুলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এমন ভুলের সামাজিক ও পেশাগত প্রভাবও রয়েছে। বিশেষ করে তথ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার পরিবার, স্বজন, পরিচিতজন ও সহকর্মীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কোনো সাংবাদিকের নাম ও ছবি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানের প্রেজেন্টেশনে ব্যবহারের আগে কেন তা যাচাই করা হলো না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয় নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।&#160;তবে এ ঘটনায় কাউকে অযথা দায়ী করতে চান না বলে জানান সোহেল। একই সঙ্গে তিনি জানতে চান, তথ্যগুলো কারা সংগ্রহ ও যাচাই করেছেন, প্রেজেন্টেশনটি কে অনুমোদন করেছেন এবং ভুলটির জন্য দায়ভার কার? এসব বিষয়ে দায়িত্বশীল ব্যাখ্যার পাশাপাশি সংশোধনেরও দাবি জানান তিনি।ডিজেএর আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করা সাংবাদিকদের স্মৃতিচারণ এবং তাদের ভূমিকা তুলে ধরতেই অনুষ্ঠানটির আয়োজন। এমন একটি আয়োজনে জীবিত একজন সাংবাদিককে শহীদ হিসেবে দেখানোর ঘটনায় তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।পরে এনসিপির মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে হয়েছে। এতে মিজানুর রহমান সোহেলকে দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে এ ভুলের জন্য এনসিপির মিডিয়া, ব্র্যান্ডিং ও প্রচারবিষয়ক উপকমিটির পক্ষ থেকে তার এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দুঃখপ্রকাশ করা হয়।]]></description>
                <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 22:28:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/128/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17869842061245.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের নিয়ে একটি উপস্থাপনায় জীবিত এক সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে তাকে শহীদ হিসেবে দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।সোমবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।ওই সাংবাদিকের নাম মিজানুর রহমান সোহেল। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের একটি প্রেজেন্টেশনে তাকে ২০২৪ সালের ৪ জুলাই হবিগঞ্জে শহীদ হয়েছেন বলে দেখানো হয়। তবে তার ছবির সঙ্গে নাম হিসেবে উল্লেখ করা হয় সাংবাদিক সোহেল আকাঞ্জির।এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মিজানুর রহমান সোহেল জানান, তিনি পেশায় লেখক ও সাংবাদিক এবং বর্তমানে জীবিত রয়েছেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর পরিচিতজন, সহকর্মী ও সাংবাদিকদের অনেকেই ফোন করে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে চান। ফলে বিষয়টি পরিষ্কার করতে তাকে বারবার বলতে হয়েছে, ‘আমি মরি নাই।’সোহেল বলেন, কোনো জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বা শহীদ হিসেবে তুলে ধরা কেবল একটি সাধারণ তথ্যগত ভুলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এমন ভুলের সামাজিক ও পেশাগত প্রভাবও রয়েছে। বিশেষ করে তথ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার পরিবার, স্বজন, পরিচিতজন ও সহকর্মীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কোনো সাংবাদিকের নাম ও ছবি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানের প্রেজেন্টেশনে ব্যবহারের আগে কেন তা যাচাই করা হলো না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয় নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।&#160;তবে এ ঘটনায় কাউকে অযথা দায়ী করতে চান না বলে জানান সোহেল। একই সঙ্গে তিনি জানতে চান, তথ্যগুলো কারা সংগ্রহ ও যাচাই করেছেন, প্রেজেন্টেশনটি কে অনুমোদন করেছেন এবং ভুলটির জন্য দায়ভার কার? এসব বিষয়ে দায়িত্বশীল ব্যাখ্যার পাশাপাশি সংশোধনেরও দাবি জানান তিনি।ডিজেএর আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করা সাংবাদিকদের স্মৃতিচারণ এবং তাদের ভূমিকা তুলে ধরতেই অনুষ্ঠানটির আয়োজন। এমন একটি আয়োজনে জীবিত একজন সাংবাদিককে শহীদ হিসেবে দেখানোর ঘটনায় তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।পরে এনসিপির মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে হয়েছে। এতে মিজানুর রহমান সোহেলকে দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে এ ভুলের জন্য এনসিপির মিডিয়া, ব্র্যান্ডিং ও প্রচারবিষয়ক উপকমিটির পক্ষ থেকে তার এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দুঃখপ্রকাশ করা হয়।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>গাজীপুরের চুক্তিভিত্তিক ঝুট ব্যবসা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা বিএনপি নেতা কালাম বাহিনীর </title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/127/</link>
                <description><![CDATA[গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের গাছায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি টুটুল আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে তিনি গাছা থানায় নয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। তবে মামলায় বিএনপি নেতা ও স্থানীয় কয়েকজনকে আসামি করায় তা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাছা থানাধীন ডেকেরচালা রোডের ইনডেসোর সোয়েটার কারখানার সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক ঝুট ব্যবসা করে আসছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হামিদ মন্ডল। গত ১৩ আগস্ট কারখানা থেকে ঝুট নেওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. কালামের লোকজন ঝুট বহনকারী ট্রাকটি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে হামিদ মন্ডলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে সংঘর্ষের মধ্যে সাংবাদিক টুটুল আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে টুটুলের কথা কাটাকাটি হয়। পরে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে আঘাত করে সেখান থেকে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।আহত টুটুলকে প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। পরে উপস্থিত সাংবাদিকরা তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হামিদ মন্ডল ও তার ছেলে সোহেলও টুটুলকে চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করেন বলে তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।হামিদ মন্ডলের অভিযোগ, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে মো. কালাম, আব্দুল মান্নান ও মিন্টু সরকারসহ শতাধিক লোক তার বাড়ি, দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় রাস্তা ও দোকানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত আছে বলেও জানান হামিদ মন্ডলের পক্ষের লোকজন।অন্যদিকে সাংবাদিক টুটুলের করা মামলায় হামিদ মন্ডলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলায় নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হামিদ মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বৈধ চুক্তিভিত্তিক ঝুট ব্যবসা দখলের চেষ্টা থেকেই বিরোধের সূত্রপাত। সাংবাদিক টুটুলকে হামলার সঙ্গে তিনি বা তার ছেলে জড়িত নন বলেও দাবি করেন তিনি।হামিদ মন্ডলের ভাষ্য, টুটুল আহত হওয়ার পর তিনি ও তার ছেলে সোহেলসহ উপস্থিত লোকজন তাকে নিরাপত্তা দেন এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সাংবাদিকের চিকিৎসায় সহযোগিতা করার পাশাপাশি হামলাকারীদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাসও দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।তার দাবি, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ঝুট ব্যবসা দখলের চেষ্টার অংশ হিসেবেই তাকে ও তার ছেলেসহ অন্যদের মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।মামলার ৯ নম্বর আসামি মো. আলমাস খানও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সাংবাদিক টুটুলের ওপর হামলার সময় তিনি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ছিলেন। চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে টুটুলকে আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ফার্মেসিতে নেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তিনি সঙ্গে ছিলেন বলে দাবি করেন আলমাস খান।আলমাস খান বলেন, আহত সাংবাদিকের চিকিৎসা ও খোঁজখবর নেওয়ার পরও তাকে হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।এদিকে স্থানীয় সাংবাদিকদের কয়েকজনের দাবি, সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থলে সাংবাদিক টুটুলের গলায় কোনো পরিচয়পত্র ছিল না। সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা কাটাকাটির পর হামলার ঘটনা ঘটে বলে তারা জানান। তবে হামলাকারী কে—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও তাদের দাবি।এবং তারা আরো বলেন সাংবাদিকদের উপর হামলা ও মব সৃষ্টিকারীদের অতি দ্রুত সনাক্ত করে আইনের আওতায় আন দাবি জানান।গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, গত ১৩ আগস্ট ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় যারা জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হবে এবং জড়িতদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় বিভিন্ন সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থাকায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, সাংবাদিকের ওপর হামলাকারী এবং মামলায় আসামিদের সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।]]></description>
                <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 21:00:35 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/127/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17869788357154.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের গাছায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি টুটুল আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে তিনি গাছা থানায় নয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। তবে মামলায় বিএনপি নেতা ও স্থানীয় কয়েকজনকে আসামি করায় তা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাছা থানাধীন ডেকেরচালা রোডের ইনডেসোর সোয়েটার কারখানার সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক ঝুট ব্যবসা করে আসছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হামিদ মন্ডল। গত ১৩ আগস্ট কারখানা থেকে ঝুট নেওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. কালামের লোকজন ঝুট বহনকারী ট্রাকটি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে হামিদ মন্ডলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে সংঘর্ষের মধ্যে সাংবাদিক টুটুল আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে টুটুলের কথা কাটাকাটি হয়। পরে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে আঘাত করে সেখান থেকে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।আহত টুটুলকে প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। পরে উপস্থিত সাংবাদিকরা তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হামিদ মন্ডল ও তার ছেলে সোহেলও টুটুলকে চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করেন বলে তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।হামিদ মন্ডলের অভিযোগ, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে মো. কালাম, আব্দুল মান্নান ও মিন্টু সরকারসহ শতাধিক লোক তার বাড়ি, দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় রাস্তা ও দোকানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত আছে বলেও জানান হামিদ মন্ডলের পক্ষের লোকজন।অন্যদিকে সাংবাদিক টুটুলের করা মামলায় হামিদ মন্ডলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলায় নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। হামিদ মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বৈধ চুক্তিভিত্তিক ঝুট ব্যবসা দখলের চেষ্টা থেকেই বিরোধের সূত্রপাত। সাংবাদিক টুটুলকে হামলার সঙ্গে তিনি বা তার ছেলে জড়িত নন বলেও দাবি করেন তিনি।হামিদ মন্ডলের ভাষ্য, টুটুল আহত হওয়ার পর তিনি ও তার ছেলে সোহেলসহ উপস্থিত লোকজন তাকে নিরাপত্তা দেন এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সাংবাদিকের চিকিৎসায় সহযোগিতা করার পাশাপাশি হামলাকারীদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাসও দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।তার দাবি, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ঝুট ব্যবসা দখলের চেষ্টার অংশ হিসেবেই তাকে ও তার ছেলেসহ অন্যদের মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।মামলার ৯ নম্বর আসামি মো. আলমাস খানও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সাংবাদিক টুটুলের ওপর হামলার সময় তিনি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ছিলেন। চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে টুটুলকে আহত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় ফার্মেসিতে নেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তিনি সঙ্গে ছিলেন বলে দাবি করেন আলমাস খান।আলমাস খান বলেন, আহত সাংবাদিকের চিকিৎসা ও খোঁজখবর নেওয়ার পরও তাকে হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।এদিকে স্থানীয় সাংবাদিকদের কয়েকজনের দাবি, সংঘর্ষের সময় ঘটনাস্থলে সাংবাদিক টুটুলের গলায় কোনো পরিচয়পত্র ছিল না। সাংবাদিক পরিচয় নিয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা কাটাকাটির পর হামলার ঘটনা ঘটে বলে তারা জানান। তবে হামলাকারী কে—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও তাদের দাবি।এবং তারা আরো বলেন সাংবাদিকদের উপর হামলা ও মব সৃষ্টিকারীদের অতি দ্রুত সনাক্ত করে আইনের আওতায় আন দাবি জানান।গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, গত ১৩ আগস্ট ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় যারা জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হবে এবং জড়িতদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় বিভিন্ন সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থাকায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, সাংবাদিকের ওপর হামলাকারী এবং মামলায় আসামিদের সংশ্লিষ্টতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বৈছাআ নেতা মাহদীসহ আটক ৩</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/126/</link>
                <description><![CDATA[লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের সংকট নিরসন ও দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্ততিকালে হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজন আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।&#160;
আটক অন্যরা হচ্ছেন- নেতা মির্জা সুমন ও রাকিব। এদিকে বিক্ষোভ মিছিল ডাকা হলেও মাহদীসহ তিনজন ছাড়া আন্দোলনকারী অন্যদের কোর্ট মসজিদ এলাকায় দেখা যায়নি। এর আগে রোববার সর্বস্তরের ছাত্রজনতার ব্যানারে এ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।
সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ছাত্রজনতার ব্যানারে তারা বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। কিন্তু প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে তারা জড়ো হলে ঘটনাস্থল থেকে মাহদীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 20:15:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/126/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17869761181689.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের সংকট নিরসন ও দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্ততিকালে হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজন আটক করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে তাদের আটক করে পুলিশ।&#160;
আটক অন্যরা হচ্ছেন- নেতা মির্জা সুমন ও রাকিব। এদিকে বিক্ষোভ মিছিল ডাকা হলেও মাহদীসহ তিনজন ছাড়া আন্দোলনকারী অন্যদের কোর্ট মসজিদ এলাকায় দেখা যায়নি। এর আগে রোববার সর্বস্তরের ছাত্রজনতার ব্যানারে এ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।
সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ছাত্রজনতার ব্যানারে তারা বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। কিন্তু প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে তারা জড়ো হলে ঘটনাস্থল থেকে মাহদীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>তারেক রহমানের সফর নিয়ে কী বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/125/</link>
                <description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা চলছে। ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে এ বিষয়ে যোগাযোগও হয়েছে। তবে শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণ এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের বিষয়ে অগ্রগতি না হওয়ায় সফরের পরিবেশ অনুকূল নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিমের বক্তব্যের পর এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে মূলত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি  কোনো কোনো প্রতিবেদনে আগের আলোচনার সূত্র ধরে সফরের সম্ভাব্য সময়, ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের আমন্ত্রণ এবং দুই দেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।
আজ রোববার ঢাকায় এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ও ভারত কয়েক সপ্তাহ ধরে সফরের সম্ভাবনা নিয়ে যোগাযোগ করলেও ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি জটিল হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শহীদুল করিম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ওই প্রকাশ্য বক্তব্যের কারণে সফর আয়োজনের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও জানান, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’ পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে তাদের শিরোনাম করেছে, ‘Bangladesh seeks ‘conducive environment’ from Centre for PM Tarique Rahman’s possible Delhi visit’। অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফরের জন্য বাংলাদেশ ভারতের কাছে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে আগের আলোচনার সূত্র ধরে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। গত সপ্তাহে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।
কিন্তু গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্যের পর ঢাকা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। বাংলাদেশ বলেছিল, ওই ঘটনা দেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭ আগস্ট জানায়, ওই অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের কোনো হাত ছিল না এবং শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য সরকার সমর্থন করে না বলে জানায় দিল্লি।
দ্য প্রিন্ট শিরোনাম করেছে, ‘PM Tarique’s India trip hinges on ‘propitious environment, expedition of Hasina extradition’—Dhaka’। অর্থাৎ, তারেক রহমানের ভারত সফর নির্ভর করছে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির পাশাপাশি শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের দ্রুত প্রত্যর্পণের ওপর।
দ্য প্রিন্টও তাদের প্রতিবেদনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যটি তুলে ধরেছে।
এর বাইরে দ্য প্রিন্ট গত ১৪ আগস্ট তাদের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ঢাকা ও নয়াদিল্লি কয়েক সপ্তাহ ধরে সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফরের সময় নিয়ে আলোচনা করছে। ভারতের পক্ষ থেকে ২১ ও ২২ আগস্ট সফরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে সফর আয়োজনকে বেশি সুবিধাজনক মনে করা হচ্ছে।
এর পেছনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা থাকায় সেপ্টেম্বরের শুরুতে সফর আয়োজনকে ঢাকার জন্য বেশি সুবিধাজনক মনে করা হচ্ছে।
দ্য প্রিন্ট আরও জানায়, ফেব্রুয়ারিতে ভারত তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ঢাকা শুধু বহুপক্ষীয় সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক নয়, পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
তবে আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যের এসব সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ হয়ে যাচ্ছে। কারণ ঢাকা স্পষ্ট করেছে যে, ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির পাশাপাশি শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের দ্রুত প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত ভারত সফর করবেন না তারেক রহমান।
এনডিটিভি শিরোনাম করেছে, ‘Bangladesh Lists 2 Riders For PM Rahman's India Visit. One Is Hasina Return’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে অগ্রগতি না হলে তারেক রহমানের ভারত সফর হওয়ার সম্ভাবনা কম।
এনডিটিভি আরও জানায়, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে মার্চে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে ঢাকা।
ইন্ডিয়া টুডে তাদের শিরোনামে বলেছে, ‘Bangladesh links Tarique Rahman's India visit to Hasina extradition demand’। অর্থাৎ, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবির সঙ্গে তারেক রহমানের ভারত সফরকে যুক্ত করেছে বাংলাদেশ। তাদের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ঢাকার বক্তব্য অনুযায়ী সফরের আগে একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে দ্য ওয়্যার তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘Dhaka Says Hasina's Press Meet in Delhi 'Vitiated' Bangladesh PM's India Trip, Seeks Extradition Update’।
দ্য ওয়্যার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতর বরাত দিয়ে লিখেছে, ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্য তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রক্রিয়াকে ‘বিনষ্ট’ করেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২১ থেকে ২৩ আগস্টের মধ্যে সফরের একটি সম্ভাব্য সময় নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো তারিখ চূড়ান্ত করা ছিল না। আর সফরটি শুধু ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ছিল না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়, অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এই সফরের আলোচনায় ছিল।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে আছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁর মৃত্যুদণ্ডের পর ঢাকা আরও জোরালোভাবে তাঁকে ফেরত চেয়ে আসছে। ভারত অবশ্য জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধটি প্রযোজ্য আইন ও প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
গত ১০ আগস্ট ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকের পর তিনি বলেন, ভারতের আমন্ত্রণ বহাল রয়েছে এবং নয়াদিল্লি তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় আছে। দুই দেশের মধ্যে কিছু সমস্যা থাকলেও সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তবে আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়টি সফরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে গেছে। একই সঙ্গে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের হস্তান্তরের বিষয়টিও সামনে এনেছে ঢাকা।
ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র শহীদুল করিম বলেন, বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অব্যাহত রাখবে। এই নীতির ভিত্তি হবে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থ। প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নেও বাংলাদেশ আগ্রহী বলে জানান তিনি। অর্থাৎ, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ ঢাকার দাবিগুলোতে নয়াদিল্লির অবস্থান ও পরবর্তী পদক্ষেপের ওপরই নির্ভর করছে সফরের সময়সূচি এবং দুই দেশের সম্পর্কের পরবর্তী গতিপথ।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 23:53:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/125/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17869028221926.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা চলছে। ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে এ বিষয়ে যোগাযোগও হয়েছে। তবে শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণ এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের বিষয়ে অগ্রগতি না হওয়ায় সফরের পরিবেশ অনুকূল নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিমের বক্তব্যের পর এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে মূলত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি  কোনো কোনো প্রতিবেদনে আগের আলোচনার সূত্র ধরে সফরের সম্ভাব্য সময়, ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের আমন্ত্রণ এবং দুই দেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।
আজ রোববার ঢাকায় এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ও ভারত কয়েক সপ্তাহ ধরে সফরের সম্ভাবনা নিয়ে যোগাযোগ করলেও ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের পর পরিস্থিতি জটিল হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শহীদুল করিম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ওই প্রকাশ্য বক্তব্যের কারণে সফর আয়োজনের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও জানান, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দু’ পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে তাদের শিরোনাম করেছে, ‘Bangladesh seeks ‘conducive environment’ from Centre for PM Tarique Rahman’s possible Delhi visit’। অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফরের জন্য বাংলাদেশ ভারতের কাছে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে আগের আলোচনার সূত্র ধরে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। গত সপ্তাহে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়।
কিন্তু গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্যের পর ঢাকা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। বাংলাদেশ বলেছিল, ওই ঘটনা দেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭ আগস্ট জানায়, ওই অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের কোনো হাত ছিল না এবং শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য সরকার সমর্থন করে না বলে জানায় দিল্লি।
দ্য প্রিন্ট শিরোনাম করেছে, ‘PM Tarique’s India trip hinges on ‘propitious environment, expedition of Hasina extradition’—Dhaka’। অর্থাৎ, তারেক রহমানের ভারত সফর নির্ভর করছে ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির পাশাপাশি শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের দ্রুত প্রত্যর্পণের ওপর।
দ্য প্রিন্টও তাদের প্রতিবেদনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যটি তুলে ধরেছে।
এর বাইরে দ্য প্রিন্ট গত ১৪ আগস্ট তাদের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ঢাকা ও নয়াদিল্লি কয়েক সপ্তাহ ধরে সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফরের সময় নিয়ে আলোচনা করছে। ভারতের পক্ষ থেকে ২১ ও ২২ আগস্ট সফরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে সফর আয়োজনকে বেশি সুবিধাজনক মনে করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:121]
এর পেছনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা থাকায় সেপ্টেম্বরের শুরুতে সফর আয়োজনকে ঢাকার জন্য বেশি সুবিধাজনক মনে করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:124]
দ্য প্রিন্ট আরও জানায়, ফেব্রুয়ারিতে ভারত তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ঢাকা শুধু বহুপক্ষীয় সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক নয়, পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
তবে আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যের এসব সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ হয়ে যাচ্ছে। কারণ ঢাকা স্পষ্ট করেছে যে, ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরির পাশাপাশি শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের দ্রুত প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত ভারত সফর করবেন না তারেক রহমান।
এনডিটিভি শিরোনাম করেছে, ‘Bangladesh Lists 2 Riders For PM Rahman's India Visit. One Is Hasina Return’। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে অগ্রগতি না হলে তারেক রহমানের ভারত সফর হওয়ার সম্ভাবনা কম।
এনডিটিভি আরও জানায়, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে মার্চে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে ঢাকা।
ইন্ডিয়া টুডে তাদের শিরোনামে বলেছে, ‘Bangladesh links Tarique Rahman's India visit to Hasina extradition demand’। অর্থাৎ, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবির সঙ্গে তারেক রহমানের ভারত সফরকে যুক্ত করেছে বাংলাদেশ। তাদের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, ঢাকার বক্তব্য অনুযায়ী সফরের আগে একটি ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে দ্য ওয়্যার তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘Dhaka Says Hasina's Press Meet in Delhi 'Vitiated' Bangladesh PM's India Trip, Seeks Extradition Update’।
দ্য ওয়্যার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতর বরাত দিয়ে লিখেছে, ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্য তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রক্রিয়াকে ‘বিনষ্ট’ করেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২১ থেকে ২৩ আগস্টের মধ্যে সফরের একটি সম্ভাব্য সময় নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো তারিখ চূড়ান্ত করা ছিল না। আর সফরটি শুধু ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ছিল না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়, অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এই সফরের আলোচনায় ছিল।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যাওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে আছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁর মৃত্যুদণ্ডের পর ঢাকা আরও জোরালোভাবে তাঁকে ফেরত চেয়ে আসছে। ভারত অবশ্য জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধটি প্রযোজ্য আইন ও প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
গত ১০ আগস্ট ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকের পর তিনি বলেন, ভারতের আমন্ত্রণ বহাল রয়েছে এবং নয়াদিল্লি তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় আছে। দুই দেশের মধ্যে কিছু সমস্যা থাকলেও সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তবে আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, শেখ হাসিনা ও অন্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়টি সফরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে গেছে। একই সঙ্গে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের হস্তান্তরের বিষয়টিও সামনে এনেছে ঢাকা।
ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র শহীদুল করিম বলেন, বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অব্যাহত রাখবে। এই নীতির ভিত্তি হবে সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থ। প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নেও বাংলাদেশ আগ্রহী বলে জানান তিনি। অর্থাৎ, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ ঢাকার দাবিগুলোতে নয়াদিল্লির অবস্থান ও পরবর্তী পদক্ষেপের ওপরই নির্ভর করছে সফরের সময়সূচি এবং দুই দেশের সম্পর্কের পরবর্তী গতিপথ।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>পুলিশকে দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা দিতে হবে: এমপি বকুল</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/124/</link>
                <description><![CDATA[জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশরাফ উদ্দিন বকুল। তিনি বলেছেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশকে আরও সক্রিয় ও দ্রুতগতিতে দায়িত্ব পালন করতে হবে।রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে রায়পুরা থানায় দুটি পুলিশ ভ্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এমপি আশরাফ উদ্দিন বকুলের উদ্যোগে রায়পুরা থানা পুলিশের জন্য ভ্যান দুটি দেওয়া হয়। পরে ফিতা কেটে যানবাহন দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, “রায়পুরার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। কোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশ যেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য তাদের প্রয়োজনীয় যানবাহন ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।”তিনি বলেন, “শুধু পুলিশকে দায়িত্ব দিলেই হবে না, দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সক্ষমতাও দিতে হবে। এই দুটি পুলিশ ভ্যান রায়পুরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কাজকে আরও গতিশীল করবে বলে আমি আশা করি।”এমপি বকুল আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে। অপরাধ দমনে পুলিশকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন দ্রুত পুলিশের সেবা পায়, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।রায়পুরা থানা পুলিশ জানায়, নতুন দুটি ভ্যান যুক্ত হওয়ায় থানার নিয়মিত টহল, জরুরি সেবা, অভিযান ও প্রত্যন্ত এলাকায় পুলিশের দ্রুত যাতায়াতের সক্ষমতা বাড়বে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ সময় নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফরুক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) বায়েজিদ বিন মনসুর, অফিসার ইনচার্জ মজিবর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভুইয়া মোহন, রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সী, রায়পুরা থানার পুলিশ কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 21:41:45 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/124/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868949053947.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আশরাফ উদ্দিন বকুল। তিনি বলেছেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশকে আরও সক্রিয় ও দ্রুতগতিতে দায়িত্ব পালন করতে হবে।রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে রায়পুরা থানায় দুটি পুলিশ ভ্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এমপি আশরাফ উদ্দিন বকুলের উদ্যোগে রায়পুরা থানা পুলিশের জন্য ভ্যান দুটি দেওয়া হয়। পরে ফিতা কেটে যানবাহন দুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, “রায়পুরার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। কোনো ঘটনা ঘটলে পুলিশ যেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য তাদের প্রয়োজনীয় যানবাহন ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।”তিনি বলেন, “শুধু পুলিশকে দায়িত্ব দিলেই হবে না, দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সক্ষমতাও দিতে হবে। এই দুটি পুলিশ ভ্যান রায়পুরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কাজকে আরও গতিশীল করবে বলে আমি আশা করি।”এমপি বকুল আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে। অপরাধ দমনে পুলিশকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন দ্রুত পুলিশের সেবা পায়, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।রায়পুরা থানা পুলিশ জানায়, নতুন দুটি ভ্যান যুক্ত হওয়ায় থানার নিয়মিত টহল, জরুরি সেবা, অভিযান ও প্রত্যন্ত এলাকায় পুলিশের দ্রুত যাতায়াতের সক্ষমতা বাড়বে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ সময় নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফরুক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুরা সার্কেল) বায়েজিদ বিন মনসুর, অফিসার ইনচার্জ মজিবর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক ভুইয়া মোহন, রায়পুরা পৌর বিএনপির সভাপতি ইদ্রিছ আলী মুন্সী, রায়পুরা থানার পুলিশ কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ঐতিহাসিক জয়ের নায়কের পুরস্কার জিতে যা বললেন হাসান মাহমুদ</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/122/</link>
                <description><![CDATA[ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের স্মরণীয় জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে ৬ আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩… বাংলাদেশের জয়ের প্রধান কুশীলব তিনিই। তার হাতেই তাই উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।
পুরস্কার নেওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানান এই পেসার। হাসান মাহমুদ বলেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে আমরা নিজেদের উজাড় করে দিয়েছিলাম। মাথা পরিষ্কার রেখেছিলাম, প্রক্রিয়ায় আস্থা রেখেছিলাম এবং ফলাফলের চেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছিলাম বাস্তবায়নের দিকে। পাঁচ দিন ধরে লড়াই করার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম, জানতাম ফলাফল এমনিতেই আসবে।’
শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, এই প্রশ্নের জবাবে হাসান বলেন, ‘কোচ ও বিশ্লেষকদের সঙ্গে ভিডিও ফুটেজ দেখে আমাদের নির্দিষ্ট দলগত পরিকল্পনা ছিল। তবে মাঠে নেমে সেই পরিকল্পনা ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করাটাই আসল পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’
এই কন্ডিশনে বোলিং করে কতটা উপভোগ করেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘাসের উইকেটে আগে বোলিং করার জন্য প্রচুর ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের দরকার ছিল। বল বাই বল সঠিক লাইন ও লেংথে অবিচল থাকাটাই আসল বিষয় ছিল।’
দেশে উদযাপন নিয়ে জানতে চাইলে হাসান মাহমুদ বলেন, ‘দেশে আমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং নিজের এলাকার মানুষ আমাকে আবার বোলিংয়ে ফিরতে ও ভালো পারফর্ম করতে দেখে দারুণ খুশি হবে। জানি তারা এই মুহূর্ত উদযাপন করবে, আর এটাই আমার কাছে সব।’
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 12:50:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/122/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868630862969.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটের স্মরণীয় জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসে ৬ আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩… বাংলাদেশের জয়ের প্রধান কুশীলব তিনিই। তার হাতেই তাই উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।
পুরস্কার নেওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানান এই পেসার। হাসান মাহমুদ বলেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে আমরা নিজেদের উজাড় করে দিয়েছিলাম। মাথা পরিষ্কার রেখেছিলাম, প্রক্রিয়ায় আস্থা রেখেছিলাম এবং ফলাফলের চেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছিলাম বাস্তবায়নের দিকে। পাঁচ দিন ধরে লড়াই করার জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম, জানতাম ফলাফল এমনিতেই আসবে।’[TECHTARANGA-POST:113]
শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না, এই প্রশ্নের জবাবে হাসান বলেন, ‘কোচ ও বিশ্লেষকদের সঙ্গে ভিডিও ফুটেজ দেখে আমাদের নির্দিষ্ট দলগত পরিকল্পনা ছিল। তবে মাঠে নেমে সেই পরিকল্পনা ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করাটাই আসল পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’
এই কন্ডিশনে বোলিং করে কতটা উপভোগ করেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘাসের উইকেটে আগে বোলিং করার জন্য প্রচুর ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের দরকার ছিল। বল বাই বল সঠিক লাইন ও লেংথে অবিচল থাকাটাই আসল বিষয় ছিল।’
দেশে উদযাপন নিয়ে জানতে চাইলে হাসান মাহমুদ বলেন, ‘দেশে আমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং নিজের এলাকার মানুষ আমাকে আবার বোলিংয়ে ফিরতে ও ভালো পারফর্ম করতে দেখে দারুণ খুশি হবে। জানি তারা এই মুহূর্ত উদযাপন করবে, আর এটাই আমার কাছে সব।’
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/121/</link>
                <description><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
সকাল ১১টার দিকে সিইসির সভাকক্ষে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অলি আহমদের নামে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, একটি মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ায় অপরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। ১১ দলীয় জোট গত ১৩ আগস্ট তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল।
এদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রও রোববার যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং সেটিও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোট হবে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদকক্ষে। এ নির্বাচনে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন।
অলি আহমদ ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 12:45:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/121/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868627692862.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
সকাল ১১টার দিকে সিইসির সভাকক্ষে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় ১১ দলীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অলি আহমদের নামে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, একটি মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ায় অপরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। ১১ দলীয় জোট গত ১৩ আগস্ট তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল।
এদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রও রোববার যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং সেটিও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। ভোট হবে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদকক্ষে। এ নির্বাচনে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন।
অলি আহমদ ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/118/</link>
                <description><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
গত ১৩ আগস্ট নির্বাচন কার্যালয়ে এসে নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রস্তাবক হয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। সমর্থক হয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
এর আগে ওইদিন দুপুরে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে মনোনয়নপত্র তুলে দেন চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। মনোনয়ন পাওয়ার আগে বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন মির্জা ফখরুল।
গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে জানান, ভোট গ্রহণের তারিখ ২০ আগস্ট। একাধিক প্রার্থী থাকলে ওই দিন বেলা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট গ্রহণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের তারিখ ছিল ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আজ ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৮ আগস্ট। আর ভোট হবে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে। ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এই নির্বাচনের ভোটার।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 12:30:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/118/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868618243248.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
গত ১৩ আগস্ট নির্বাচন কার্যালয়ে এসে নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রস্তাবক হয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। সমর্থক হয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
এর আগে ওইদিন দুপুরে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে মনোনয়নপত্র তুলে দেন চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। মনোনয়ন পাওয়ার আগে বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন মির্জা ফখরুল।
গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে জানান, ভোট গ্রহণের তারিখ ২০ আগস্ট। একাধিক প্রার্থী থাকলে ওই দিন বেলা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট গ্রহণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের তারিখ ছিল ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আজ ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৮ আগস্ট। আর ভোট হবে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে। ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এই নির্বাচনের ভোটার।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>লোহাগড়া থানা</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/119/</link>
                <description><![CDATA[নড়াইলের লোহাগড়ায় তুলি বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গৃহবধূর স্বজনদের অভিযোগ, প্রায় সাত মাস আগে বেলটিয়া গ্রামের সাকায়েত মোল্যার ছেলে রবিন মোল্যার (২৫) সাথে তুলি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকার জন্য রবিন স্ত্রীকে চাপ দিতেন। একপর্যায়ে তুলির বাবা ইলিয়াস শেখ জামাইকে ৫০ হাজার টাকা দেন। এরপরও আরো টাকার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছিল। শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এর পরদিন শনিবার ভোরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তুলির লাশ উদ্ধার করে।
তুলির বাবা ইলিয়াস শেখ অভিযোগ করেন, তার মেয়ের গলা, কান, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যৌতুকের টাকার জন্য রবিন ও তার পরিবারের সদস্যরা তুলিকে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রবিন মোল্যার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আব্দুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।’
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 12:30:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/119/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868618442148.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[নড়াইলের লোহাগড়ায় তুলি বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের বেলটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গৃহবধূর স্বজনদের অভিযোগ, প্রায় সাত মাস আগে বেলটিয়া গ্রামের সাকায়েত মোল্যার ছেলে রবিন মোল্যার (২৫) সাথে তুলি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকার জন্য রবিন স্ত্রীকে চাপ দিতেন। একপর্যায়ে তুলির বাবা ইলিয়াস শেখ জামাইকে ৫০ হাজার টাকা দেন। এরপরও আরো টাকার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছিল। শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এর পরদিন শনিবার ভোরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তুলির লাশ উদ্ধার করে।
তুলির বাবা ইলিয়াস শেখ অভিযোগ করেন, তার মেয়ের গলা, কান, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যৌতুকের টাকার জন্য রবিন ও তার পরিবারের সদস্যরা তুলিকে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় তিনি মেয়ের হত্যার বিচার দাবি করেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রবিন মোল্যার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আব্দুর রহমান বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।’
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>যেকোনো মূল্যে ৭০ অনুচ্ছেদ সংধোশন করতে হবে: ১১ দলীয় জোট</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/120/</link>
                <description><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। যাচাই-বাছাই শেষে ১১ দলীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের জামায়াত দলীয় সংসদ সদস্য আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তবে এই ভোটে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংসদ সদস্যের স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা বলেও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে জোট।
আজ রোববার নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কনফারেন্স রুমে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
আবদুল বাতেন বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমেদের মনোনয়ন পত্রটি সঠিক হিসেবে পাওয়া গেছে। আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠেয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি।
আবদুল বাতেন বলেন, নিয়ম হচ্ছে যাচাই-বাছাইয়ে প্রথমটি বৈধ ঘোষণা করা হলে দ্বিতীয়টি যাচাই-বাছাই হয় না। বৈধ হওয়া মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও প্রস্তাবক ছিলেন এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিন।
১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল বাতেন বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হবে না। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করার জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছি। প্রায় ৩৫ বছর পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক, তা আমরা চাই। বিষয়টি আরও সুন্দর হতো, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন না। আমরা মনে করি, এটা স্বাধীন ভোটাধিকারের পথে বড় ধরনের অন্তরায়। আমরা চাই যেকোনো মূল্যে এ ধারাটি সংশোধন করতে হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এলডিপির মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 12:30:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/120/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868618688415.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। যাচাই-বাছাই শেষে ১১ দলীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের জামায়াত দলীয় সংসদ সদস্য আবদুল বাতেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তবে এই ভোটে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংসদ সদস্যের স্বাধীন ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা বলেও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে জোট।
আজ রোববার নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কনফারেন্স রুমে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
আবদুল বাতেন বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমেদের মনোনয়ন পত্রটি সঠিক হিসেবে পাওয়া গেছে। আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠেয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি।
আবদুল বাতেন বলেন, নিয়ম হচ্ছে যাচাই-বাছাইয়ে প্রথমটি বৈধ ঘোষণা করা হলে দ্বিতীয়টি যাচাই-বাছাই হয় না। বৈধ হওয়া মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও প্রস্তাবক ছিলেন এনসিপির আবদুল্লাহ আল আমিন।
১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল বাতেন বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হবে না। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করার জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছি। প্রায় ৩৫ বছর পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হচ্ছে, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক, তা আমরা চাই। বিষয়টি আরও সুন্দর হতো, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন না। আমরা মনে করি, এটা স্বাধীন ভোটাধিকারের পথে বড় ধরনের অন্তরায়। আমরা চাই যেকোনো মূল্যে এ ধারাটি সংশোধন করতে হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এলডিপির মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>‘বগুড়ার না, ও বাংলাদেশের ছেলে’—তানজিদকে নিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/117/</link>
                <description><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্টে তাদের বিপক্ষে ৯ উইকেটের স্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এই জয়ের জন্য দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রবিবার, ১৬ আগস্ট, এক ভিডিও কলে প্রধানমন্ত্রী দলের খেলোয়াড় ও দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। এই সময় তিনি সিরিজের পরের টেস্টের জন্যও দলকে শুভকামনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত ফেসবুক ভিডিওতে দেখা যায়, তারেক রহমান বাংলাদেশ দলকে বলেন, ‘বাংলাদেশে অপেক্ষা করছি আপনাদের ওয়েলকাম করার জন্য। সবার শরীর ভালো আছে তো? আসেন, আপনারা সবাই সুস্থভাবে আসেন। বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করছে আপনাদের ওয়েলকাম করার জন্য। আবারও কনগ্রাচুলেশন।’
এই সময় বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল প্রধানমন্ত্রীকে হাসান মাহমুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘হাসান প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট আর দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেট নিয়েছে।’
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ, দেখলাম দেখলাম, নিউজে। এক্সিলেন্ট, এক্সিলেন্ট, ওয়ান্ডারফুল।’
এরপর তামিম ইকবাল তানজিদ হাসান তামিমকে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আর আমাদের ইয়াংস্টার, বগুড়ার।' তানজিদ তামিম কুশলাদি বিনিময় করেন তানজিদ তামিম। এরপর&#160;তামিম ইকবাল বলেন, ‘বগুড়ার ছেলে ভাইয়া, বগুড়ার ছেলে।’
জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘বগুড়ার না, ও বাংলাদেশের ছেলে। বগুড়ার না, বাংলাদেশের ছেলে। হি রিপ্রেজেন্টস বাংলাদেশ, নট বগুড়া।’
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 12:29:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/117/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868617814506.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্টে তাদের বিপক্ষে ৯ উইকেটের স্মরণীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এই জয়ের জন্য দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রবিবার, ১৬ আগস্ট, এক ভিডিও কলে প্রধানমন্ত্রী দলের খেলোয়াড় ও দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। এই সময় তিনি সিরিজের পরের টেস্টের জন্যও দলকে শুভকামনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত ফেসবুক ভিডিওতে দেখা যায়, তারেক রহমান বাংলাদেশ দলকে বলেন, ‘বাংলাদেশে অপেক্ষা করছি আপনাদের ওয়েলকাম করার জন্য। সবার শরীর ভালো আছে তো? আসেন, আপনারা সবাই সুস্থভাবে আসেন। বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করছে আপনাদের ওয়েলকাম করার জন্য। আবারও কনগ্রাচুলেশন।’
এই সময় বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল প্রধানমন্ত্রীকে হাসান মাহমুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘হাসান প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট আর দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেট নিয়েছে।’
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ, দেখলাম দেখলাম, নিউজে। এক্সিলেন্ট, এক্সিলেন্ট, ওয়ান্ডারফুল।’
এরপর তামিম ইকবাল তানজিদ হাসান তামিমকে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আর আমাদের ইয়াংস্টার, বগুড়ার।' তানজিদ তামিম কুশলাদি বিনিময় করেন তানজিদ তামিম। এরপর&#160;তামিম ইকবাল বলেন, ‘বগুড়ার ছেলে ভাইয়া, বগুড়ার ছেলে।’
জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘বগুড়ার না, ও বাংলাদেশের ছেলে। বগুড়ার না, বাংলাদেশের ছেলে। হি রিপ্রেজেন্টস বাংলাদেশ, নট বগুড়া।’
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ভিডিও কলে টাইগারদের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/123/</link>
                <description><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের স্মরণীয় জয় পাওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক এই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই এমন সাফল্য পেল টাইগাররা।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি দলের সবাইকে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং সিরিজের পরের টেস্টের জন্য শুভকামনা জানান। বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকেও খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
বাংলাদেশ দল যখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে, তখন কিশোরগঞ্জের পথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই ভিডিও কলে দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টেস্টে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়ে সেই জয়ের সঙ্গে যোগ হলো আরও বড় এক অর্জন। টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দলকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 12:17:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/123/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868635035754.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের স্মরণীয় জয় পাওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক এই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই এমন সাফল্য পেল টাইগাররা।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি দলের সবাইকে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান এবং সিরিজের পরের টেস্টের জন্য শুভকামনা জানান। বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকেও খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
বাংলাদেশ দল যখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে, তখন কিশোরগঞ্জের পথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই ভিডিও কলে দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি টেস্টে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়ে সেই জয়ের সঙ্গে যোগ হলো আরও বড় এক অর্জন। টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দলকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>স্বামীকে ‘কুপথে’ নেওয়া ব্যক্তিদের বিচার দাবি হেনার</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/116/</link>
                <description><![CDATA[সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে মানুষ টাকা-পয়সার পাশাপাশি নানা আকুতিও রেখে যান। কেউ চান নিজের বা স্বজনের মঙ্গল, কেউ লেখেন কোনো মানত বা প্রার্থনার কথা। শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনার সময় পাওয়া গেছে এমন কয়েকটি চিঠিও।
এরমধ্যে হেনা নামের এক নারীর লেখা একটি চিঠি নজর কেড়েছে। চিঠিতে স্বামীকে ‘কুপথে’ নেওয়া ব্যক্তিদের বিচারের জন্য প্রার্থনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘যারা আমার স্বামীকে কুপথে নিছে, আল্লাহ তুমি তাদের বিচার করিও এবং তাদের হেদায়েত করিও। আমার মতো কষ্ট যেন কেউ না পায়। আল্লাহ, তুমি মাদকদ্রব্য পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দাও।’
আরেকটি চিঠিতে ব্যক্তিগত প্রার্থনার পাশাপাশি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে। একই চিঠিতে নেতা-কর্মীদের হয়রানি থেকে রক্ষার জন্যও প্রার্থনা করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে মাজারের দানবাক্স ও দানের ডেগগুলোর সিলগালা খোলার কাজ শুরু হয়। তিনটি ডেগ ও তিনটি বড় দানবাক্স খোলার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টাকা গণনা শুরু হয়। অন্তত ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রকাশ্যে বসে টাকা গুনছেন। তাদের পাশে প্রশাসনের প্রতিনিধি, মাজারের মুয়াল্লি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত রয়েছেন।
আজ ৩৪ দিন পর দানবাক্স খোলা হলো। এর আগে সর্বশেষ ১১ জুলাই দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তারও আগে ২২ জুন প্রথমবার নতুন দানবাক্স খুলে প্রকাশ্যে টাকা গণনা করা হয়।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 23:50:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/116/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868162147024.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে মানুষ টাকা-পয়সার পাশাপাশি নানা আকুতিও রেখে যান। কেউ চান নিজের বা স্বজনের মঙ্গল, কেউ লেখেন কোনো মানত বা প্রার্থনার কথা। শনিবার (১৫ আগস্ট) তৃতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনার সময় পাওয়া গেছে এমন কয়েকটি চিঠিও।
এরমধ্যে হেনা নামের এক নারীর লেখা একটি চিঠি নজর কেড়েছে। চিঠিতে স্বামীকে ‘কুপথে’ নেওয়া ব্যক্তিদের বিচারের জন্য প্রার্থনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘যারা আমার স্বামীকে কুপথে নিছে, আল্লাহ তুমি তাদের বিচার করিও এবং তাদের হেদায়েত করিও। আমার মতো কষ্ট যেন কেউ না পায়। আল্লাহ, তুমি মাদকদ্রব্য পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দাও।’
আরেকটি চিঠিতে ব্যক্তিগত প্রার্থনার পাশাপাশি জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে। একই চিঠিতে নেতা-কর্মীদের হয়রানি থেকে রক্ষার জন্যও প্রার্থনা করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে মাজারের দানবাক্স ও দানের ডেগগুলোর সিলগালা খোলার কাজ শুরু হয়। তিনটি ডেগ ও তিনটি বড় দানবাক্স খোলার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টাকা গণনা শুরু হয়। অন্তত ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রকাশ্যে বসে টাকা গুনছেন। তাদের পাশে প্রশাসনের প্রতিনিধি, মাজারের মুয়াল্লি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত রয়েছেন।
আজ ৩৪ দিন পর দানবাক্স খোলা হলো। এর আগে সর্বশেষ ১১ জুলাই দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তারও আগে ২২ জুন প্রথমবার নতুন দানবাক্স খুলে প্রকাশ্যে টাকা গণনা করা হয়।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ধামরাইয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/115/</link>
                <description><![CDATA[ধামরাইয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে যুবক শংকর মণ্ডলকে (২৬) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। অভিযোগের তীর স্থানীয় ধান-চাল ব্যবসায়ী ওয়াজেদ হাজীর বিরুদ্ধে। শনিবার ধামরাইয়ের পশ্চিম কায়েতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শংকর মণ্ডল কায়েতপাড়ার বদন মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ৮ আগস্ট ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিলে মোটর যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যায়। ওইদিন চুরির অভিযোগে কায়েতপাড়ার শংকর মণ্ডলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন ওয়াজেদ হাজী। পরে তাকে মোটরের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে বেধড়ক মারধর করা হয়। টাকার অভাবে গুরুতর আহত শংকরকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
মারধরের কয়েক দিন পার হলে শনিবার সকালে তার মৃত্যু ঘটে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে পরিবারের অভিযোগ, চুরির অপবাদ দিয়ে শংকরকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধান-চাল ব্যবসায়ী ওয়াজেদ হাজী জড়িত বলে তারা দাবি করেন। অভিযোগের বিষয়ে ওয়াজেদ হাজীর বক্তব্য জানতে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) শহীদুল ইসলাম বলেন, শংকরের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে। পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 23:49:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/115/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17868161633344.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ধামরাইয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে যুবক শংকর মণ্ডলকে (২৬) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। অভিযোগের তীর স্থানীয় ধান-চাল ব্যবসায়ী ওয়াজেদ হাজীর বিরুদ্ধে। শনিবার ধামরাইয়ের পশ্চিম কায়েতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শংকর মণ্ডল কায়েতপাড়ার বদন মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ৮ আগস্ট ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিলে মোটর যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যায়। ওইদিন চুরির অভিযোগে কায়েতপাড়ার শংকর মণ্ডলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন ওয়াজেদ হাজী। পরে তাকে মোটরের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে বেধড়ক মারধর করা হয়। টাকার অভাবে গুরুতর আহত শংকরকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
মারধরের কয়েক দিন পার হলে শনিবার সকালে তার মৃত্যু ঘটে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে পরিবারের অভিযোগ, চুরির অপবাদ দিয়ে শংকরকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধান-চাল ব্যবসায়ী ওয়াজেদ হাজী জড়িত বলে তারা দাবি করেন। অভিযোগের বিষয়ে ওয়াজেদ হাজীর বক্তব্য জানতে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) শহীদুল ইসলাম বলেন, শংকরের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে। পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন মাশরাফি</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/114/</link>
                <description><![CDATA[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।
শনিবার (১৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা জানান তিনি।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত এক ছবি শেয়ার করে মাশরাফি লেখেন, বিনম্র শ্রদ্ধা।&#160;
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার এক নৃশংস ও মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের শিকার হোন বঙ্গবন্ধু। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এই দিনে তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব; তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে হত্যা করা হয়।&#160;
বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, সামরিক সচিব জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও একই দিনে হামলা চলে। তিনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি হত্যার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আবদুল নঈম খান নামে এক আত্মীয়কেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় ছিলেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। তারা প্রাণে বেঁচে যান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এদিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যা এখনো বহাল রয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 16:34:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/114/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867900815792.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।
শনিবার (১৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা জানান তিনি।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত এক ছবি শেয়ার করে মাশরাফি লেখেন, বিনম্র শ্রদ্ধা।&#160;
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার এক নৃশংস ও মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের শিকার হোন বঙ্গবন্ধু। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এই দিনে তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব; তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে হত্যা করা হয়।&#160;
বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, সামরিক সচিব জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও একই দিনে হামলা চলে। তিনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি হত্যার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আবদুল নঈম খান নামে এক আত্মীয়কেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় ছিলেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। তারা প্রাণে বেঁচে যান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এদিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যা এখনো বহাল রয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসে যুবলীগ কর্মী আটক</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/113/</link>
                <description><![CDATA[রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা থেকে কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম অর্ণব দাস (৩৭)।শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ধানমন্ডি ৩২ এলাকায় অবস্থানকালে তাকে আটক করা হয়। পরে পুলিশের গাড়িতে করে তাকে ধানমন্ডি থানায় নেওয়া হয়।অর্ণব দাসের বাড়ি টাঙ্গাইল।ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, অর্ণব দাস যুবলীগের সদস্য। তার বাড়ি টাঙ্গাইলে, তিনি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসেছিলেন।তিনি আরও বলেন, আটক অর্ণবকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:52:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/113/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867804171081.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা থেকে কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম অর্ণব দাস (৩৭)।শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ধানমন্ডি ৩২ এলাকায় অবস্থানকালে তাকে আটক করা হয়। পরে পুলিশের গাড়িতে করে তাকে ধানমন্ডি থানায় নেওয়া হয়।অর্ণব দাসের বাড়ি টাঙ্গাইল।ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, অর্ণব দাস যুবলীগের সদস্য। তার বাড়ি টাঙ্গাইলে, তিনি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে এসেছিলেন।তিনি আরও বলেন, আটক অর্ণবকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/112/</link>
                <description><![CDATA[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার এক নৃশংস ও মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের শিকার হোন বঙ্গবন্ধু।&#160;
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এই দিনে তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব; তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে হত্যা করা হয়।&#160;
বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, সামরিক সচিব জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও একই দিনে হামলা চলে। তিনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি হত্যার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আবদুল নঈম খান নামে এক আত্মীয়কেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় ছিলেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। তারা প্রাণে বেঁচে যান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এদিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যা এখনো বহাল রয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:49:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/112/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867801884157.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার এক নৃশংস ও মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের শিকার হোন বঙ্গবন্ধু।&#160;
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এই দিনে তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব; তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে হত্যা করা হয়।&#160;
বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, সামরিক সচিব জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও একই দিনে হামলা চলে। তিনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি হত্যার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আবদুল নঈম খান নামে এক আত্মীয়কেও হত্যা করে ঘাতকেরা।
শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় ছিলেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। তারা প্রাণে বেঁচে যান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এদিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যা এখনো বহাল রয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও অপরাজনীতির কালিমা</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/111/</link>
                <description><![CDATA[গতকালের পর
আজ বেদনাবিধুর ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এই দিনে হত্যা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। সপরিবারে তিনি নিহত হয়েছিলেন। বিদেশে ছিলেন বলে বেঁচে গিয়েছিলেন তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। যদিও বলা হয়ে থাকে, কয়েকজন বিপথগামী সেনাসদস্য হত্যা করেছিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে দেশি-বিদেশি আর কারা যুক্ত ছিল, তা নিয়ে বহুদিন আরও গবেষণা হবে। কারণ, বিষয়টি এখনো অস্পষ্ট।
গতকাল আমরা চারজন রাজনৈতিক নেতার হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। ধারাবাহিকভাবে এগোলে এরপর সালভাদর আয়েন্দের কথাই আসে। কিন্তু আজকের এই দিনটিতে আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখব আমাদের দেশে ঘটে যাওয়া সেই মর্মন্তুদ ঘটনাটির মধ্যেই। পরে অন্যান্য রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করব।
কে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশের নির্মোহ ইতিহাস কীভাবে তাঁর মূল্যায়ন করে, সে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গোয়েবলসীয় ধারায় কখনো কখনো বারবার মিথ্যে কথা বলে তা সত্য হিসেবে কিছু সময়ের জন্য প্রতিষ্ঠিত করা যায় বটে, কিন্তু শেষ বিচারে সেই মিথ্যা ধোপে টেকে না। নইলে হিটলারের জার্মানি যে প্রচণ্ড ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে নীল রক্তের আরাধনা করেছিল, সেটাই টিকে যেত। সময়ের পরিবর্তনে সত্য ও ন্যায় ফিরে আসে তার নির্দিষ্ট জায়গায়।
১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের বিশাল ক্যানভাসে আঁকা বাংলাদেশের ছবিটি উজ্জ্বল করে তোলার পেছনে তিনিই ছিলেন মূল কারিগর। এই সত্যকে গোয়েবলসীয় ধারায় ম্লান করার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু কখনো কখনো কেউ কেউ শেখ মুজিবুর রহমানকে খাটো করার অভিপ্রায়ে নানা প্রশ্ন এনে হাজির করেন। ইতিহাসের তথ্য-উপাত্ত এতটাই মজবুত যে, সেসব অসার তথ্য দিয়ে তাঁকে নস্যাৎ করা যায় না।
২. বিভিন্নজনের কথা থেকে আমরা শেখ মুজিবকে বোঝার চেষ্টা করব। কোন মানুষটাকে হত্যা করেছিল নৃশংস বর্বররা, সেটা এই আলোচনা থেকে বোঝা যাবে। প্রথমেই আহমদ ছফার মূল্যায়ন। আহমদ ছফাকে তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রুও বঙ্গবন্ধুপ্রেমী বলবেন না। বামপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তিনি ইতিহাস বিচার করেছেন। সেই বিচারে শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা আছে। তবে ইতিহাসে শেখ মুজিব চরিত্রটির ব্যাপারে ছফা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং শেখ মুজিবুর রহমান একটি যমজ শব্দ। একটাকে বাদ দিয়ে অন্যটার অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। যারা এই সত্য অস্বীকার করবে, তাদের সঙ্গে কোনো রকমের বিতর্ক, বাদ-প্রতিবাদ করতেও আমরা রাজি হব না।’
বাংলাদেশে শুধু নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মনীষীরা শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলতে গেলে বাংলার মুক্তিসংগ্রামের প্রাণপুরুষ হিসেবেই অভিহিত করে থাকেন।&#160; ভুল শোনেননি। এটা আহমদ ছফারই কথা। আরও একটু শুনুন, নইলে এই কথার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বোঝা কঠিন হবে। ছফা আরও লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে শেখ মুজিবের নাম এমন অচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত হয়ে পড়েছে, যত পণ্ডিত হোন না কেন, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের নিপুণতা এবং যুক্তির মারপ্যাঁচ দেখিয়ে কোনো ব্যক্তি একটা থেকে আর একটাকে পৃথক করতে পারবেন না।’
এটুকু বলার পর ছফা বিষয়টির গভীরতা মাপার চেষ্টা করেন এইভাবে, ‘শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকাকে স্বাধীনতাসংগ্রামের সময়কালীন অন্য দশটা রাজনৈতিক দলের ভূমিকার সঙ্গে অবশ্যই তুলনামূলক মানদণ্ড প্রয়োগ করে বিচার করতে হবে। বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের চাইতে প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক নেতা হয়তো ছিলেন, তার চাইতে মেধাবী রাজনৈতিক নেতারও হয়তো অভাব ছিল না, জাতির সবচেয়ে নির্যাতিত অংশের সংগ্রামে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো নেতাও এ দেশে ছিলেন না, এই কথা বললে সত্য বলা হবে না।
‘কিন্তু একটি জাতি অন্তস্থ সত্তা, প্রাণ-পাতালের উত্তাপে আত্মপরিচয় অনুসন্ধান করার তাগিদে বাংলার ইতিহাসের স্মরণকালের সবচাইতে মহত্তম ও ব্যাপক জনযুদ্ধটিতে যখন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তার বেগ আবেগ সবটুকু ধারণ করেছিলেন শেখ মুজিব, আর কেউ নন।’
অধ্যাপক, ইতিহাসবিদ সালাহউদ্দীন আহমদ লিখেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো, তিনি আমাদের বাঙালি জাতিসত্তাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই প্রক্রিয়া হঠাৎ করে হয়নি। বাঙালির দীর্ঘদিনের আত্মানুসন্ধান, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও সংগ্রামের অমোঘ পরিণতি হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। আজ এ কথা ভেবে বিস্মিত হই যে এই ভূখণ্ড যেটি পাকিস্তান সৃষ্টির পর ‘পূর্ব বাংলা’ এবং ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামে পরিচিত ছিল, সেটিকে ‘বাংলাদেশ’ বলে ঘোষণা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই জাঁদরেল পাকিস্তানি সমরনায়কদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে।’
অধ্যাপক রেহমান সোবহান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ওপর যে ভয়াবহ নৃশংসতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সারা বিশ্ব তা লক্ষ করেছে। তাই বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের নেতা এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে সময় লাগেনি। ১৯৭১-এর পর বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়ে যে যা-ই বলুক না কেন, সব বাংলাদেশিকে অন্তত এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে বঙ্গবন্ধু যদি এ দেশের মানুষের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও আত্মসচেতনতা না জাগাতে পারতেন (বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের আগে) এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে তিনি যদি বিশ্বের সামনে প্রস্তাব উত্থাপন না করতেন, তবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হতো আরও বিলম্বিত এবং দীর্ঘায়িত একটি প্রক্রিয়া।’
অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর মূল্যায়ন: বঙ্গবন্ধুর যে কীর্তি সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে—বাঙালি জাতির জন্য এই জাতিরাষ্ট্র গঠনে স্বপ্ন ও সেই কীর্তির প্রসঙ্গটাই চলে গেছে অনেক তুচ্ছ ও অপ্রাসঙ্গিক বিতর্কের আড়ালে। ইতালির জন্য যে কাজ করেছিলেন কাভুর, মাৎসিনি, গ্যারিবল্ডি; জার্মানির জন্য যে কাজ করেছিলেন বিসমার্ক, সে হলো একটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে জাতি হিসেবে সংগঠিত হওয়ার ও সেই সূত্রে একটি জাতিরাষ্ট্র গড়ার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। ইতিহাসের মহানায়কেরাই এই মহাকর্ম করেছেন। শেখ মুজিব তাঁদেরই একজন। এই উপমহাদেশে বাংলাদেশই একমাত্র রাষ্ট্র, একটি সুস্পষ্ট চারিত্র্যলক্ষণে বিশিষ্ট জনগোষ্ঠী যার রাষ্ট্রীয় বুনিয়াদ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই বুনিয়াদ অপর রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি দৃঢ়। এর মধ্যে এই সম্ভাব্য জাতি গঠনের সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগিয়ে তিনি যে জাতীয় ঐক্যের ও রাষ্ট্রের পথ তৈরি করে গেলেন, সেটাই তাঁর কীর্তি, সেখানেই তিনি ইতিহাসের মহানায়ক।’
৩. বাংলাদেশে শুধু নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মনীষীরা শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলতে গেলে বাংলার মুক্তিসংগ্রামের প্রাণপুরুষ হিসেবেই অভিহিত করে থাকেন। ১৯৭১ সালের ঘটনাবলি নিয়ে রুশ ভাষায় লিখিত দুটি বই যখন পড়েছি, তখন সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানকেই বলা হয়েছে এই সংগ্রামের মূল নায়ক। ‘বাংলার ডায়েরি’ নামের বইটি লিখেছেন রাশিয়ার কেন্দ্রীয় টেলিভিশনের তৎকালীন ভারত প্রতিনিধি বরিস কালিয়াগিন ও ইজভেস্তিয়া পত্রিকার প্রতিনিধি ভ্লাদিমির স্কোসিরোভ। দ্বিতীয় বইটির লেখক আলেকসান্দর ফিলিপোভ। তিনি ছিলেন পাকিস্তানে প্রাভদা পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদক। বইটির নাম বাংলা অনুবাদে, ‘অতীতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে’। দুটি বই-ই আমাদের দেশের ইতিহাস রচনার জন্য তথ্যের খোরাক জোগাতে পারে। বই দুটির অনুবাদ হওয়া উচিত।
২৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের এবিসি নিউজে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছিল। যে কেউ ইউটিউবে সেই তথ্য পেয়ে যাবেন। আর ১৯৭১ সালে বছরজুড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকা বাংলাদেশের যুদ্ধ নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেগুলো পড়ে দেখলেও মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল নায়ককে খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে না।
৪. ১৯৬৬ সালের ৬ দফার মাধ্যমেই মূলত জাতীয় নেতা হয়ে উঠেছিলেন শেখ মুজিব। আহমদ ছফার মতো আমরাও বলব, তাঁর চেয়েও প্রতিভাধর বহু রাজনীতিবিদ ছিলেন বাংলায়, কিন্তু পাকিস্তানি শাসকদের তখত্‌-তাউস কাঁপিয়ে দেওয়ার ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব ছিল কেবলই শেখ মুজিবুর রহমানের। অসীম সাহস আর ক্ষমতাধরদের চ্যালেঞ্জ করার অপরিসীম ব্যক্তিত্ব ছিল তাঁর। এ কারণেই দেশের মানুষ তাদের নেতা নির্দিষ্ট করতে ভুল করেনি।
স্বাধীনতার পর কত ধরনের প্রতিবন্ধকতার মধ্যে বঙ্গবন্ধু দেশ চালাচ্ছিলেন, তা নিয়ে গবেষণা আজও শেষ হয়নি। তিনি কেন তাঁর ভাষণে বলতেন, ‘চাটার দল সব চেটে খেল’, সে কথা বুঝতে হলে সেই অসময় ও পরিপ্রেক্ষিতও বুঝতে হবে। যেকোনো মানুষের মতো তিনিও ভুল করেছেন। সেই ভুলের সমালোচনাও করা হয়। কিন্তু ঠিক ও ভুলকে বিশ্লেষণ করতে বসলে কোন দিকটা হেলে পড়বে, সেটা বুঝতে হলে ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে হবে। এবং তখন দেখা যাবে, চাইলেই শেখ মুজিবুর রহমানকে নাকচ করে দেওয়ার কোনো পথ খোলা নেই। কারণ, বাঙালিদের জন্য বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য শেখ মুজিব যে দীর্ঘ পথটি বেছে নিয়েছিলেন, সেই পথটিই তাঁকে অমর করে রাখবে।
হত্যার রাজনীতি, লাশের রাজনীতি কোনো রাজনীতি নয়। উগ্রতা, হানাহানি, রক্তপাত কোনো শান্তির ঠিকানা দিতে পারে না। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার যে সুযোগগুলো আমাদের দেশে এসেছে, তা বারবার আমরা হাতছাড়া করেছি। শ্রদ্ধেয় মানুষদের অসম্মান করা হয়েছে। নিজের শিকড়কে অবহেলা করে অন্যের গুণগান বর্ণনা করা হয়েছে। বারবার দিগ্‌ভ্রান্ত হয়েছে দেশ। আমরা কি এই ঘৃণা ও অসম্মানের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় বীরদের সম্মান করতে শিখব না?
৫৫ বছর গেল, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বপ্ন দেখতে দেখতে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বারবার। মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করা এবং মুক্তিযুদ্ধের নায়কদের অবনত মস্তকে সম্মান করার মাধ্যমেই বাংলাদেশ স্বপ্নের দেশে পরিণত হওয়ার প্রাথমিক পদক্ষেপটি রাখতে পারে।
(শেষ)
লেখক: উপসম্পাদক, আজকের পত্রিকা
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:34:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/111/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867793067480.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[গতকালের পর
আজ বেদনাবিধুর ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এই দিনে হত্যা করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। সপরিবারে তিনি নিহত হয়েছিলেন। বিদেশে ছিলেন বলে বেঁচে গিয়েছিলেন তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। যদিও বলা হয়ে থাকে, কয়েকজন বিপথগামী সেনাসদস্য হত্যা করেছিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে দেশি-বিদেশি আর কারা যুক্ত ছিল, তা নিয়ে বহুদিন আরও গবেষণা হবে। কারণ, বিষয়টি এখনো অস্পষ্ট।
গতকাল আমরা চারজন রাজনৈতিক নেতার হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। ধারাবাহিকভাবে এগোলে এরপর সালভাদর আয়েন্দের কথাই আসে। কিন্তু আজকের এই দিনটিতে আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখব আমাদের দেশে ঘটে যাওয়া সেই মর্মন্তুদ ঘটনাটির মধ্যেই। পরে অন্যান্য রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করব।
কে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশের নির্মোহ ইতিহাস কীভাবে তাঁর মূল্যায়ন করে, সে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গোয়েবলসীয় ধারায় কখনো কখনো বারবার মিথ্যে কথা বলে তা সত্য হিসেবে কিছু সময়ের জন্য প্রতিষ্ঠিত করা যায় বটে, কিন্তু শেষ বিচারে সেই মিথ্যা ধোপে টেকে না। নইলে হিটলারের জার্মানি যে প্রচণ্ড ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে নীল রক্তের আরাধনা করেছিল, সেটাই টিকে যেত। সময়ের পরিবর্তনে সত্য ও ন্যায় ফিরে আসে তার নির্দিষ্ট জায়গায়।
১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের বিশাল ক্যানভাসে আঁকা বাংলাদেশের ছবিটি উজ্জ্বল করে তোলার পেছনে তিনিই ছিলেন মূল কারিগর। এই সত্যকে গোয়েবলসীয় ধারায় ম্লান করার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু কখনো কখনো কেউ কেউ শেখ মুজিবুর রহমানকে খাটো করার অভিপ্রায়ে নানা প্রশ্ন এনে হাজির করেন। ইতিহাসের তথ্য-উপাত্ত এতটাই মজবুত যে, সেসব অসার তথ্য দিয়ে তাঁকে নস্যাৎ করা যায় না।
২. বিভিন্নজনের কথা থেকে আমরা শেখ মুজিবকে বোঝার চেষ্টা করব। কোন মানুষটাকে হত্যা করেছিল নৃশংস বর্বররা, সেটা এই আলোচনা থেকে বোঝা যাবে। প্রথমেই আহমদ ছফার মূল্যায়ন। আহমদ ছফাকে তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রুও বঙ্গবন্ধুপ্রেমী বলবেন না। বামপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তিনি ইতিহাস বিচার করেছেন। সেই বিচারে শেখ মুজিব বা আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা আছে। তবে ইতিহাসে শেখ মুজিব চরিত্রটির ব্যাপারে ছফা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং শেখ মুজিবুর রহমান একটি যমজ শব্দ। একটাকে বাদ দিয়ে অন্যটার অস্তিত্ব কল্পনাও করা যায় না। শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। যারা এই সত্য অস্বীকার করবে, তাদের সঙ্গে কোনো রকমের বিতর্ক, বাদ-প্রতিবাদ করতেও আমরা রাজি হব না।’
বাংলাদেশে শুধু নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মনীষীরা শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলতে গেলে বাংলার মুক্তিসংগ্রামের প্রাণপুরুষ হিসেবেই অভিহিত করে থাকেন।&#160; ভুল শোনেননি। এটা আহমদ ছফারই কথা। আরও একটু শুনুন, নইলে এই কথার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বোঝা কঠিন হবে। ছফা আরও লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে শেখ মুজিবের নাম এমন অচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত হয়ে পড়েছে, যত পণ্ডিত হোন না কেন, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের নিপুণতা এবং যুক্তির মারপ্যাঁচ দেখিয়ে কোনো ব্যক্তি একটা থেকে আর একটাকে পৃথক করতে পারবেন না।’
এটুকু বলার পর ছফা বিষয়টির গভীরতা মাপার চেষ্টা করেন এইভাবে, ‘শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকাকে স্বাধীনতাসংগ্রামের সময়কালীন অন্য দশটা রাজনৈতিক দলের ভূমিকার সঙ্গে অবশ্যই তুলনামূলক মানদণ্ড প্রয়োগ করে বিচার করতে হবে। বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের চাইতে প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক নেতা হয়তো ছিলেন, তার চাইতে মেধাবী রাজনৈতিক নেতারও হয়তো অভাব ছিল না, জাতির সবচেয়ে নির্যাতিত অংশের সংগ্রামে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো নেতাও এ দেশে ছিলেন না, এই কথা বললে সত্য বলা হবে না।
‘কিন্তু একটি জাতি অন্তস্থ সত্তা, প্রাণ-পাতালের উত্তাপে আত্মপরিচয় অনুসন্ধান করার তাগিদে বাংলার ইতিহাসের স্মরণকালের সবচাইতে মহত্তম ও ব্যাপক জনযুদ্ধটিতে যখন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তার বেগ আবেগ সবটুকু ধারণ করেছিলেন শেখ মুজিব, আর কেউ নন।’
অধ্যাপক, ইতিহাসবিদ সালাহউদ্দীন আহমদ লিখেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো, তিনি আমাদের বাঙালি জাতিসত্তাকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই প্রক্রিয়া হঠাৎ করে হয়নি। বাঙালির দীর্ঘদিনের আত্মানুসন্ধান, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও সংগ্রামের অমোঘ পরিণতি হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। আজ এ কথা ভেবে বিস্মিত হই যে এই ভূখণ্ড যেটি পাকিস্তান সৃষ্টির পর ‘পূর্ব বাংলা’ এবং ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামে পরিচিত ছিল, সেটিকে ‘বাংলাদেশ’ বলে ঘোষণা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই জাঁদরেল পাকিস্তানি সমরনায়কদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে।’
অধ্যাপক রেহমান সোবহান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ওপর যে ভয়াবহ নৃশংসতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সারা বিশ্ব তা লক্ষ করেছে। তাই বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের নেতা এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেতে সময় লাগেনি। ১৯৭১-এর পর বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়ে যে যা-ই বলুক না কেন, সব বাংলাদেশিকে অন্তত এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে বঙ্গবন্ধু যদি এ দেশের মানুষের মধ্যে জাতীয় চেতনা ও আত্মসচেতনতা না জাগাতে পারতেন (বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের আগে) এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে তিনি যদি বিশ্বের সামনে প্রস্তাব উত্থাপন না করতেন, তবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হতো আরও বিলম্বিত এবং দীর্ঘায়িত একটি প্রক্রিয়া।’
অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর মূল্যায়ন: বঙ্গবন্ধুর যে কীর্তি সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে—বাঙালি জাতির জন্য এই জাতিরাষ্ট্র গঠনে স্বপ্ন ও সেই কীর্তির প্রসঙ্গটাই চলে গেছে অনেক তুচ্ছ ও অপ্রাসঙ্গিক বিতর্কের আড়ালে। ইতালির জন্য যে কাজ করেছিলেন কাভুর, মাৎসিনি, গ্যারিবল্ডি; জার্মানির জন্য যে কাজ করেছিলেন বিসমার্ক, সে হলো একটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে জাতি হিসেবে সংগঠিত হওয়ার ও সেই সূত্রে একটি জাতিরাষ্ট্র গড়ার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। ইতিহাসের মহানায়কেরাই এই মহাকর্ম করেছেন। শেখ মুজিব তাঁদেরই একজন। এই উপমহাদেশে বাংলাদেশই একমাত্র রাষ্ট্র, একটি সুস্পষ্ট চারিত্র্যলক্ষণে বিশিষ্ট জনগোষ্ঠী যার রাষ্ট্রীয় বুনিয়াদ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই বুনিয়াদ অপর রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি দৃঢ়। এর মধ্যে এই সম্ভাব্য জাতি গঠনের সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগিয়ে তিনি যে জাতীয় ঐক্যের ও রাষ্ট্রের পথ তৈরি করে গেলেন, সেটাই তাঁর কীর্তি, সেখানেই তিনি ইতিহাসের মহানায়ক।’
৩. বাংলাদেশে শুধু নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মনীষীরা শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলতে গেলে বাংলার মুক্তিসংগ্রামের প্রাণপুরুষ হিসেবেই অভিহিত করে থাকেন। ১৯৭১ সালের ঘটনাবলি নিয়ে রুশ ভাষায় লিখিত দুটি বই যখন পড়েছি, তখন সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানকেই বলা হয়েছে এই সংগ্রামের মূল নায়ক। ‘বাংলার ডায়েরি’ নামের বইটি লিখেছেন রাশিয়ার কেন্দ্রীয় টেলিভিশনের তৎকালীন ভারত প্রতিনিধি বরিস কালিয়াগিন ও ইজভেস্তিয়া পত্রিকার প্রতিনিধি ভ্লাদিমির স্কোসিরোভ। দ্বিতীয় বইটির লেখক আলেকসান্দর ফিলিপোভ। তিনি ছিলেন পাকিস্তানে প্রাভদা পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদক। বইটির নাম বাংলা অনুবাদে, ‘অতীতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে’। দুটি বই-ই আমাদের দেশের ইতিহাস রচনার জন্য তথ্যের খোরাক জোগাতে পারে। বই দুটির অনুবাদ হওয়া উচিত।
২৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের এবিসি নিউজে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছিল। যে কেউ ইউটিউবে সেই তথ্য পেয়ে যাবেন। আর ১৯৭১ সালে বছরজুড়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকা বাংলাদেশের যুদ্ধ নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেগুলো পড়ে দেখলেও মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল নায়ককে খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে না।
৪. ১৯৬৬ সালের ৬ দফার মাধ্যমেই মূলত জাতীয় নেতা হয়ে উঠেছিলেন শেখ মুজিব। আহমদ ছফার মতো আমরাও বলব, তাঁর চেয়েও প্রতিভাধর বহু রাজনীতিবিদ ছিলেন বাংলায়, কিন্তু পাকিস্তানি শাসকদের তখত্‌-তাউস কাঁপিয়ে দেওয়ার ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব ছিল কেবলই শেখ মুজিবুর রহমানের। অসীম সাহস আর ক্ষমতাধরদের চ্যালেঞ্জ করার অপরিসীম ব্যক্তিত্ব ছিল তাঁর। এ কারণেই দেশের মানুষ তাদের নেতা নির্দিষ্ট করতে ভুল করেনি।
স্বাধীনতার পর কত ধরনের প্রতিবন্ধকতার মধ্যে বঙ্গবন্ধু দেশ চালাচ্ছিলেন, তা নিয়ে গবেষণা আজও শেষ হয়নি। তিনি কেন তাঁর ভাষণে বলতেন, ‘চাটার দল সব চেটে খেল’, সে কথা বুঝতে হলে সেই অসময় ও পরিপ্রেক্ষিতও বুঝতে হবে। যেকোনো মানুষের মতো তিনিও ভুল করেছেন। সেই ভুলের সমালোচনাও করা হয়। কিন্তু ঠিক ও ভুলকে বিশ্লেষণ করতে বসলে কোন দিকটা হেলে পড়বে, সেটা বুঝতে হলে ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণ করতে হবে। এবং তখন দেখা যাবে, চাইলেই শেখ মুজিবুর রহমানকে নাকচ করে দেওয়ার কোনো পথ খোলা নেই। কারণ, বাঙালিদের জন্য বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য শেখ মুজিব যে দীর্ঘ পথটি বেছে নিয়েছিলেন, সেই পথটিই তাঁকে অমর করে রাখবে।
হত্যার রাজনীতি, লাশের রাজনীতি কোনো রাজনীতি নয়। উগ্রতা, হানাহানি, রক্তপাত কোনো শান্তির ঠিকানা দিতে পারে না। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার যে সুযোগগুলো আমাদের দেশে এসেছে, তা বারবার আমরা হাতছাড়া করেছি। শ্রদ্ধেয় মানুষদের অসম্মান করা হয়েছে। নিজের শিকড়কে অবহেলা করে অন্যের গুণগান বর্ণনা করা হয়েছে। বারবার দিগ্‌ভ্রান্ত হয়েছে দেশ। আমরা কি এই ঘৃণা ও অসম্মানের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় বীরদের সম্মান করতে শিখব না?
৫৫ বছর গেল, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। স্বপ্ন দেখতে দেখতে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বারবার। মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করা এবং মুক্তিযুদ্ধের নায়কদের অবনত মস্তকে সম্মান করার মাধ্যমেই বাংলাদেশ স্বপ্নের দেশে পরিণত হওয়ার প্রাথমিক পদক্ষেপটি রাখতে পারে।
(শেষ)
লেখক: উপসম্পাদক, আজকের পত্রিকা
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আজ ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/110/</link>
                <description><![CDATA[আন্ডারগ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক তারের জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে শনিবার (১৫ আগস্ট) দেশের কয়েকটি এলাকায় কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) ও নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নাটোরের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জানিয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বাঘা বাজার, মুর্শিদপুর, উত্তর মিলিকবাঘা, বানিয়াপাড়া ও গাওপাড়া এলাকার আংশিক অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আড়ানী রোড চত্বরের পোল নম্বর BA-5E-58 থেকে বানিয়াপাড়ার পোল নম্বর BA-5E-80 পর্যন্ত এলাকায় এ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনশহর-গ্রামে ভয়াবহ লোডশেডিং, তীব্র গরমে জনজীবনে নাভিশ্বাস
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বাঘা জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ।
সুনামগঞ্জে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ
অন্যদিকে, সুনামগঞ্জে ৩৩/১১ কেভি জিআইএস উপকেন্দ্রের আন্ডারগ্রাউন্ড তারের জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণকাজের কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনলোডশেডিংয়ের রেকর্ড, অনেক এলাকায় ১০ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ
বিউবোর সুনামগঞ্জ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ জানিয়েছে, এ সময়ে তাদের আওতাধীন সুনামগঞ্জ শহর ও শহরতলির সব গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
গ্রাহকদের আগেই বিষয়টি জানাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।
জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:33:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/110/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867791882454.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আন্ডারগ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক তারের জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে শনিবার (১৫ আগস্ট) দেশের কয়েকটি এলাকায় কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) ও নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নাটোরের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জানিয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বাঘা বাজার, মুর্শিদপুর, উত্তর মিলিকবাঘা, বানিয়াপাড়া ও গাওপাড়া এলাকার আংশিক অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আড়ানী রোড চত্বরের পোল নম্বর BA-5E-58 থেকে বানিয়াপাড়ার পোল নম্বর BA-5E-80 পর্যন্ত এলাকায় এ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনশহর-গ্রামে ভয়াবহ লোডশেডিং, তীব্র গরমে জনজীবনে নাভিশ্বাস
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বাঘা জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ।
সুনামগঞ্জে ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ
অন্যদিকে, সুনামগঞ্জে ৩৩/১১ কেভি জিআইএস উপকেন্দ্রের আন্ডারগ্রাউন্ড তারের জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণকাজের কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনলোডশেডিংয়ের রেকর্ড, অনেক এলাকায় ১০ ঘণ্টা থাকছে না বিদ্যুৎ
বিউবোর সুনামগঞ্জ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ জানিয়েছে, এ সময়ে তাদের আওতাধীন সুনামগঞ্জ শহর ও শহরতলির সব গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
গ্রাহকদের আগেই বিষয়টি জানাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।
জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>মিথ্যা ভান করার চেয়ে সত্যকে বেছে নেওয়া জরুরি: প্রভা</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/109/</link>
                <description><![CDATA[বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা দীর্ঘদিন ধরেই দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি প্রতিনিয়তই নিজের নানা অনুভূতির কথা সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে শেয়ার করে নেন। তার এসব পোস্টে জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা তুলে ধরেন তিনি। নজর কাড়েন নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের।&#160;
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে সম্পর্ক চুকে ফেলা, আত্মসম্মান এবং মানসিক শান্তি বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন বার্তা শেয়ার করে নিয়েছেন এ অভিনেত্রী।&#160; সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সম্পর্ক তৈরি ও ভাঙন নিয়ে নতুন এক দর্শনের কথা তুলে ধরেন প্রভা।&#160;
সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— সম্পর্ক ছিন্ন করা মানে মানুষের কাছ থেকে হাল ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং কখনো কখনো এটি নিজের কাছে অবশেষে সত্যি স্বীকার করা— একসময় যে সম্পর্কটি অর্থবহ ছিল, সেটিই এখন ধীরে ধীরে আপনাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ভালোবাসার মূল্য কখনোই আপনার মানসিক শান্তি, পরিচয় কিংবা মানসিক স্বাস্থ্য খোয়ানোর বিনিময়ে হতে পারে না। যারা শুধু নিজের প্রয়োজনেই পাশে আসে, তারা আপনার উপকারে না এলেও নিঃশেষ করে দেয়।&#160;
অভিনেত্রী বলেন, আবার পরিবারের এমন কেউ থাকেন, যারা সীমা লঙ্ঘন করেন, আবার কেউ আছেন পাশে থাকার পরও আপনাকে একাকী অনুভব করান। এমন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে এ আশায় মানুষ চেষ্টা চালিয়ে যায়। যতক্ষণ না আবিষ্কার করে এ প্রক্রিয়ায় সে নিজেই হারিয়ে যাচ্ছে।
জীবন থেকে সবকিছু সরিয়ে নেওয়া কোনো নির্মমতা নয়, বরং এটি একটি সাহসিকতার পরিচয় উল্লেখ করে প্রভা বলেন, মিথ্যা ভান করার চেয়ে সত্যকে বেছে নেওয়া এবং নীরব যন্ত্রণার চেয়ে আত্মসম্মানকে অগ্রাধিকার দেওয়াটাও জরুরি। তিনি বলেন, অনেকে বলতে পারেন যে, মানুষটি বদলে গেছে, কিন্তু তারা এটা বুঝতে পারে না যে, কাউকে জীবন থেকে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে না; বরং এটি শেষ পর্যন্ত নিজেকে বাঁচানোরই একটি সিদ্ধান্ত।
অভিনেত্রী বলেন, যেখানে প্রতিনিয়ত আঘাত পাওয়া যায়, সেখানে কখনো নিরাময় সম্ভব নয়। যে পরিবেশ আপনার মানসিক পরিসরকে সংকুচিত করে, সেখানে কখনো বেড়ে ওঠা যায় না। তাই সম্পর্ক কিংবা পরিস্থিতি থেকে সরে আসা মানেই কাউকে পরিত্যাগ করা নয়; বরং এটি নিজের আত্মমর্যাদা ফেরত পাওয়ার পথ। মাঝে মাঝে কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়াটাই ভালোবাসার সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী প্রকাশ হতে পারে বলে জানান প্রভা।&#160;
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:26:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/109/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867788044373.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা দীর্ঘদিন ধরেই দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি প্রতিনিয়তই নিজের নানা অনুভূতির কথা সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে শেয়ার করে নেন। তার এসব পোস্টে জীবনের নানা অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা তুলে ধরেন তিনি। নজর কাড়েন নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের।&#160;
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে সম্পর্ক চুকে ফেলা, আত্মসম্মান এবং মানসিক শান্তি বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে একটি দীর্ঘ ও আবেগঘন বার্তা শেয়ার করে নিয়েছেন এ অভিনেত্রী।&#160; সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সম্পর্ক তৈরি ও ভাঙন নিয়ে নতুন এক দর্শনের কথা তুলে ধরেন প্রভা।&#160;
সেই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন— সম্পর্ক ছিন্ন করা মানে মানুষের কাছ থেকে হাল ছেড়ে দেওয়া নয়। বরং কখনো কখনো এটি নিজের কাছে অবশেষে সত্যি স্বীকার করা— একসময় যে সম্পর্কটি অর্থবহ ছিল, সেটিই এখন ধীরে ধীরে আপনাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ভালোবাসার মূল্য কখনোই আপনার মানসিক শান্তি, পরিচয় কিংবা মানসিক স্বাস্থ্য খোয়ানোর বিনিময়ে হতে পারে না। যারা শুধু নিজের প্রয়োজনেই পাশে আসে, তারা আপনার উপকারে না এলেও নিঃশেষ করে দেয়।&#160;
অভিনেত্রী বলেন, আবার পরিবারের এমন কেউ থাকেন, যারা সীমা লঙ্ঘন করেন, আবার কেউ আছেন পাশে থাকার পরও আপনাকে একাকী অনুভব করান। এমন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে এ আশায় মানুষ চেষ্টা চালিয়ে যায়। যতক্ষণ না আবিষ্কার করে এ প্রক্রিয়ায় সে নিজেই হারিয়ে যাচ্ছে।
জীবন থেকে সবকিছু সরিয়ে নেওয়া কোনো নির্মমতা নয়, বরং এটি একটি সাহসিকতার পরিচয় উল্লেখ করে প্রভা বলেন, মিথ্যা ভান করার চেয়ে সত্যকে বেছে নেওয়া এবং নীরব যন্ত্রণার চেয়ে আত্মসম্মানকে অগ্রাধিকার দেওয়াটাও জরুরি। তিনি বলেন, অনেকে বলতে পারেন যে, মানুষটি বদলে গেছে, কিন্তু তারা এটা বুঝতে পারে না যে, কাউকে জীবন থেকে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে না; বরং এটি শেষ পর্যন্ত নিজেকে বাঁচানোরই একটি সিদ্ধান্ত।
অভিনেত্রী বলেন, যেখানে প্রতিনিয়ত আঘাত পাওয়া যায়, সেখানে কখনো নিরাময় সম্ভব নয়। যে পরিবেশ আপনার মানসিক পরিসরকে সংকুচিত করে, সেখানে কখনো বেড়ে ওঠা যায় না। তাই সম্পর্ক কিংবা পরিস্থিতি থেকে সরে আসা মানেই কাউকে পরিত্যাগ করা নয়; বরং এটি নিজের আত্মমর্যাদা ফেরত পাওয়ার পথ। মাঝে মাঝে কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়াটাই ভালোবাসার সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী প্রকাশ হতে পারে বলে জানান প্রভা।&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রতিটি বাঁকে তার কণ্ঠস্বর ছিল অদম্য</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/108/</link>
                <description><![CDATA[বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া এক অবিস্মরণীয় নাম। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের অপ্রতিরোধ্য কণ্ঠস্বর। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছে কয়েক দশকের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে। জটিল আর অনিশ্চিত সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলের হাল ধরেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া।
তার নেতৃত্বে ছিল প্রজ্ঞা আর অবিচল দৃঢ়তার মিশেল; তিনি কখনো কারোও কাছে নত করেননি, কোনো বাধায় পিছু হটেননি। এই আপসহীন মনোভাবই তাকে কোটি কোটি মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে রাজপথের আন্দোলন থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা—সবক্ষেত্রেই তিনি রেখেছেন দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বাক্ষর। শত প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মুখেও নিজের অবস্থানে অটল থেকে আপসহীন পথচলাই বেগম জিয়াকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক অনিবার্য অধ্যায়ে পরিণত করেছে।
১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দেশ ও দলের চরম সংকটময় মুহূর্তে ঘর থেকে রাজনীতির ময়দানে নামতে হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়াকে। দীর্ঘ নয় বছরের সামরিক স্বৈরশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কিংবা বারবার কারারুদ্ধ হয়েও তিনি কারও সঙ্গে আপস করেননি। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবির্ভূত হন। পাশপাশি বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম নারী সরকারপ্রধান হওয়ারও গৌবর অর্জন করেছিলেন। ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে সংসদীয় শাসনব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন-বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রতিটি বাঁকে তার কণ্ঠস্বর ছিল অদম্য।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8ad" ) );
১৫ আগস্ট &#160;প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন। এবারের জন্মদিনে শোক, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দোয়ায় তাকে স্মরণ করবেন বিএনপির অগণিত নেতা-কর্মীসহ দেশবাসী।
একগুচ্ছ নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়া পরিবারের আবির্ভাব ঘটে। ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে সেই যাত্রার শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর সেনানী ও সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যেমন সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি স্বাধীনতার পর দেশের এক চরম অস্থিতিশীল মুহূর্তে জাতির ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন এই চৌকস ও মেধাবী সেনা কর্মকর্তা।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ফের দেশের হাল ধরেন। আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও দূরদর্শী নেতৃত্বই পরবর্তীতে তাঁকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির আসনে আসীন করে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্থিতিশীলতার ওপর দাঁড়িয়ে একটি জাতি গঠনে সচেষ্ট হন তিনি। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8cf" ) );
১৯৮১ সালের ৩০ মে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে শাহাদত বরণ করেন প্রেসিডেন্ট জিয়া। এই ঘটনা দেশকে এক গভীর নেতৃত্ব সংকটের মুখে ফেলে দেয়। সেই শূন্যতার মাঝেই রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার অভিষেক ঘটে। বলা যায়, অনেকটা বাধ্য হয়েই রাজনীতির এক অচেনা জগতে পা রেখেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী গৃহবধূ খালেদা জিয়া।
তিনি এমন এক সংকটময় সময়ে বিএনপির নেতৃত্বে আসেন, যখন দলটির রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হওয়ার পরপরই যেন শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তৎকালীন বিএনপির নেতাদের পরামর্শ ও অনুরোধে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালে বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানেই ১৯৮৩ সালে ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদত বরণের পর বিচারপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক ফরমান জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। এমনকি তিনি বিএনপিকে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসনের মুখে ঠেলে দেওয়ার চষ্টা করেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8e7" ) );
দীর্ঘ কয়েক দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বেগম খালেদা জিয়া তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তবে তাঁর এই রাজনৈতিক যাত্রা মোটেও মসৃণ ছিল না। বিএনপির দায়িত্ব নিয়েই বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু করেন।&#160;
১৯৮৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিশাল জনসভায় বেগম জিয়া প্রথমবারের মতো জনসাধারণের সামনে উপস্থিত হন, যা দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করে। একই বছরের ২৮ অক্টোবর তিনি দেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কেন্দ্রস্থল ‘বাংলাদেশ সচিবালয়’ ঘেরাও কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। যদিও পুলিশ সেই আন্দোলন দমন করে। এই ঘটনার পর তাঁকে কিছুদিনের জন্য গৃহবন্দী করে রাখা হয়।
পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি রাজপথে সাত-দলীয় আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ ধর্মঘট, ‘ঘেরাও’ কর্মসূচি, ‘গণপ্রতিরোধ দিবস’ এবং ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম’-এর মতো ধারাবাহিক কর্মসূচিতেও নেতৃত্বেও সারিতে ছিলেন এই মহিয়সী নেত্রী। ফলশ্রুতিতে ১৯৮৫ সালে বেগম জিয়াকে আবারও গৃহবন্দী করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সাত-দলীয় জোট এবং অন্য জোটগুলোর যুগপৎ আন্দোলনের মুখে এরশাদ ১৯৮৬ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। প্রাথমিক আলোচনার পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাত দলীয় জোট, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট এবং বামপন্থী পাঁচ-দলীয় জোট নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) এবং জামায়াতে ইসলামীসহ আরও ছয়টি দল শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেয়। অপরদিকে, বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি জোট নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8fe" ) );
১৯৮৬ সালের মার্চ মাসের সেই নির্বাচনের আগে এরশাদ সরকার তাকে ফের গৃহবন্দী করে। ব্যাপক কারচুপির ওই নির্বাচনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এরশাদ পুনরায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচন বয়কটের পর বেগম জিয়ার জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়।
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে এরশাদের পতনে তাঁর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। দীর্ঘ আন্দোলনে গণতন্ত্র প্রশ্নে লড়াই সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ‘আপসহীন’ নেত্রীর খ্যাতি লাভ করেন। একনায়কতন্ত্র, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর জোরালো অবস্থান ছিল অতুলনীয়।
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী :
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পতনের পর আন্দোলনরত প্রধান তিন রাজনৈতিক জোটের সর্বসম্মত প্রস্তাব ও যৌথ রূপরেখার ভিত্তিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের সরকার ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে। এতে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম নারী সরকারপ্রধান হন। তাঁর নেতৃত্বে নতুন সংসদ সংবিধান সংশোধন করে দেশের রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন ১৯৯১ সালের সরকারকে মূলত একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধারের সময়কাল হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। এ সময় সরকার বাজারমুখী অর্থনৈতিক সংস্কারের পথ বেছে নেয় এবং শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়ে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করে। নারী শিক্ষার প্রসার এবং বিদ্যালয়ে মেয়েদের ভর্তি উৎসাহিত করতে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রয়াত এই প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
ক্ষমতার পালাবদল
১৯৯৬ সালে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় নির্বাচিত হলেও তাদের মেয়াদ ছিল সংক্ষিপ্ত। নির্বাচন পরিচালনার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে আওয়ামী লীগ রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। পরিপ্রেক্ষিতে একটি নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর অধীনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হয়।
১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে। বেগম জিয়া সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০১ সালের নির্বাচন পর্যন্ত এই পদে বহাল থাকেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তাঁর দল বিজয়ী হলে তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হন এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ করে সরকার পরিচালনা করেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf918" ) );
সংশোধিত সংবিধান অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে, যা ‘১/১১’ নামে পরিচিত। তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্গঠন করতে বাধ্য করে। পরবর্তী দুই বছর দেশ পরিচালনা করে সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার।
এই সরকার বেগম জিয়াকে কারাগারে পাঠায়, তাঁর বড় ছেলে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লন্ডনে দীর্ঘমেয়াদি নির্বাসনে পাঠায়। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে থাইল্যান্ড ও পরবর্তীতে মালয়েশিয়ায় পাঠায়। ২০১৫ সালে আরাফাত রহমান কোকো সেখানেই ইন্তেকাল করেন। ওই সময়ে বেগম জিয়াকে দেশ ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশই তার একমাত্র ঠিকানা এবং বিদেশে তাঁর কোনো দ্বিতীয় কোনো বাড়ি নেই।
এরপর তিনি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চরম মাত্রার দমন-পীড়ন সহ্য করেন। কিন্তু কারও কাছে মাথা নত করেননি। এর মধ্য দিয়ে তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের পরিচয়ই ফুটে উঠেছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের রাজপথে আন্দোলন এবং বিরোধী দলগুলোর সংসদ বয়কটের মুখে তাঁর নেতৃত্বাধীন ষষ্ঠ সংসদ ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে ত্রয়োদশ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করে।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf934" ) );
কিন্তু পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে সুপ্রিম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার পর সংসদে তা বাতিল করে। অথচ এর আগে এই ব্যবস্থার দাবিতে আওয়ামী লীগই মরিয়া আন্দোলন করেছিল। বেগম জিয়া এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি যুক্তি দেখিয়ে বলেন, এর ফলে বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের চর্চা নষ্ট হয়েছে। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট ও অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১৫ বছরের সরকারের সময়ে বেগম জিয়া কঠোর দমন-পীড়ন ও হয়রানির শিকার হন। এর মধ্যে ছিল সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, কারাবন্দিত্ব ও দীর্ঘদিনের বন্দিজীবন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এসব ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিপীড়ন হিসেবে বর্ণনা করে।
বিশ্লেষকরা জানান, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই হয়রানির মূল উদ্দেশ্য ছিল বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। তবে শেষ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জনরোষের মুখে পড়ে আওয়ামী লীগ সরকার। গণঅভ্যুত্থানের জেরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার টানা সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরে আসার পথ সুগম হয়।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf94c" ) );
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন, যা মুসলিম বিশ্বের স্মরণকালের অন্যতম বড় জানাজায় পরিণত হয়। শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চিরবিদায় জানায় দেশের অগণিত জনগণ।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিএনপি। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমানে দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
&#160;
&#160;
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:19:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/108/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867783629815.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া এক অবিস্মরণীয় নাম। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের অপ্রতিরোধ্য কণ্ঠস্বর। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছে কয়েক দশকের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে। জটিল আর অনিশ্চিত সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলের হাল ধরেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া।
তার নেতৃত্বে ছিল প্রজ্ঞা আর অবিচল দৃঢ়তার মিশেল; তিনি কখনো কারোও কাছে নত করেননি, কোনো বাধায় পিছু হটেননি। এই আপসহীন মনোভাবই তাকে কোটি কোটি মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে রাজপথের আন্দোলন থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা—সবক্ষেত্রেই তিনি রেখেছেন দূরদর্শী নেতৃত্বের স্বাক্ষর। শত প্রতিকূলতা ও দমন-পীড়নের মুখেও নিজের অবস্থানে অটল থেকে আপসহীন পথচলাই বেগম জিয়াকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের এক অনিবার্য অধ্যায়ে পরিণত করেছে।
১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দেশ ও দলের চরম সংকটময় মুহূর্তে ঘর থেকে রাজনীতির ময়দানে নামতে হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়াকে। দীর্ঘ নয় বছরের সামরিক স্বৈরশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কিংবা বারবার কারারুদ্ধ হয়েও তিনি কারও সঙ্গে আপস করেননি। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবির্ভূত হন। পাশপাশি বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম নারী সরকারপ্রধান হওয়ারও গৌবর অর্জন করেছিলেন। ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে সংসদীয় শাসনব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন-বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রতিটি বাঁকে তার কণ্ঠস্বর ছিল অদম্য।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8ad" ) );
১৫ আগস্ট &#160;প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন। এবারের জন্মদিনে শোক, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দোয়ায় তাকে স্মরণ করবেন বিএনপির অগণিত নেতা-কর্মীসহ দেশবাসী।
একগুচ্ছ নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়া পরিবারের আবির্ভাব ঘটে। ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক টালমাটাল পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে সেই যাত্রার শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের বীর সেনানী ও সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যেমন সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তেমনি স্বাধীনতার পর দেশের এক চরম অস্থিতিশীল মুহূর্তে জাতির ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন এই চৌকস ও মেধাবী সেনা কর্মকর্তা।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ফের দেশের হাল ধরেন। আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও দূরদর্শী নেতৃত্বই পরবর্তীতে তাঁকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির আসনে আসীন করে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্থিতিশীলতার ওপর দাঁড়িয়ে একটি জাতি গঠনে সচেষ্ট হন তিনি। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8cf" ) );
১৯৮১ সালের ৩০ মে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে শাহাদত বরণ করেন প্রেসিডেন্ট জিয়া। এই ঘটনা দেশকে এক গভীর নেতৃত্ব সংকটের মুখে ফেলে দেয়। সেই শূন্যতার মাঝেই রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়ার অভিষেক ঘটে। বলা যায়, অনেকটা বাধ্য হয়েই রাজনীতির এক অচেনা জগতে পা রেখেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী গৃহবধূ খালেদা জিয়া।
তিনি এমন এক সংকটময় সময়ে বিএনপির নেতৃত্বে আসেন, যখন দলটির রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হওয়ার পরপরই যেন শেষ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তৎকালীন বিএনপির নেতাদের পরামর্শ ও অনুরোধে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালে বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানেই ১৯৮৩ সালে ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদত বরণের পর বিচারপতি আব্দুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক ফরমান জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। এমনকি তিনি বিএনপিকে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসনের মুখে ঠেলে দেওয়ার চষ্টা করেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8e7" ) );
দীর্ঘ কয়েক দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বেগম খালেদা জিয়া তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তবে তাঁর এই রাজনৈতিক যাত্রা মোটেও মসৃণ ছিল না। বিএনপির দায়িত্ব নিয়েই বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু করেন।&#160;
১৯৮৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিশাল জনসভায় বেগম জিয়া প্রথমবারের মতো জনসাধারণের সামনে উপস্থিত হন, যা দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করে। একই বছরের ২৮ অক্টোবর তিনি দেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কেন্দ্রস্থল ‘বাংলাদেশ সচিবালয়’ ঘেরাও কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন। যদিও পুলিশ সেই আন্দোলন দমন করে। এই ঘটনার পর তাঁকে কিছুদিনের জন্য গৃহবন্দী করে রাখা হয়।
পরবর্তী বছরগুলোতে তিনি রাজপথে সাত-দলীয় আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ ধর্মঘট, ‘ঘেরাও’ কর্মসূচি, ‘গণপ্রতিরোধ দিবস’ এবং ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম’-এর মতো ধারাবাহিক কর্মসূচিতেও নেতৃত্বেও সারিতে ছিলেন এই মহিয়সী নেত্রী। ফলশ্রুতিতে ১৯৮৫ সালে বেগম জিয়াকে আবারও গৃহবন্দী করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সাত-দলীয় জোট এবং অন্য জোটগুলোর যুগপৎ আন্দোলনের মুখে এরশাদ ১৯৮৬ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। প্রাথমিক আলোচনার পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাত দলীয় জোট, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট এবং বামপন্থী পাঁচ-দলীয় জোট নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) এবং জামায়াতে ইসলামীসহ আরও ছয়টি দল শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেয়। অপরদিকে, বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি জোট নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf8fe" ) );
১৯৮৬ সালের মার্চ মাসের সেই নির্বাচনের আগে এরশাদ সরকার তাকে ফের গৃহবন্দী করে। ব্যাপক কারচুপির ওই নির্বাচনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এরশাদ পুনরায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচন বয়কটের পর বেগম জিয়ার জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়।
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে এরশাদের পতনে তাঁর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। দীর্ঘ আন্দোলনে গণতন্ত্র প্রশ্নে লড়াই সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ‘আপসহীন’ নেত্রীর খ্যাতি লাভ করেন। একনায়কতন্ত্র, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর জোরালো অবস্থান ছিল অতুলনীয়।
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী :
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পতনের পর আন্দোলনরত প্রধান তিন রাজনৈতিক জোটের সর্বসম্মত প্রস্তাব ও যৌথ রূপরেখার ভিত্তিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের সরকার ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করে। এতে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বের দ্বিতীয় মুসলিম নারী সরকারপ্রধান হন। তাঁর নেতৃত্বে নতুন সংসদ সংবিধান সংশোধন করে দেশের রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন ১৯৯১ সালের সরকারকে মূলত একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধারের সময়কাল হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। এ সময় সরকার বাজারমুখী অর্থনৈতিক সংস্কারের পথ বেছে নেয় এবং শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়ে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করে। নারী শিক্ষার প্রসার এবং বিদ্যালয়ে মেয়েদের ভর্তি উৎসাহিত করতে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রয়াত এই প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
ক্ষমতার পালাবদল
১৯৯৬ সালে বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় নির্বাচিত হলেও তাদের মেয়াদ ছিল সংক্ষিপ্ত। নির্বাচন পরিচালনার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে আওয়ামী লীগ রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। পরিপ্রেক্ষিতে একটি নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর অধীনে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা হয়।
১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে। বেগম জিয়া সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০০১ সালের নির্বাচন পর্যন্ত এই পদে বহাল থাকেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তাঁর দল বিজয়ী হলে তিনি আবারও প্রধানমন্ত্রী হন এবং ২০০৬ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ করে সরকার পরিচালনা করেন।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf918" ) );
সংশোধিত সংবিধান অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে, যা ‘১/১১’ নামে পরিচিত। তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্গঠন করতে বাধ্য করে। পরবর্তী দুই বছর দেশ পরিচালনা করে সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার।
এই সরকার বেগম জিয়াকে কারাগারে পাঠায়, তাঁর বড় ছেলে এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লন্ডনে দীর্ঘমেয়াদি নির্বাসনে পাঠায়। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে থাইল্যান্ড ও পরবর্তীতে মালয়েশিয়ায় পাঠায়। ২০১৫ সালে আরাফাত রহমান কোকো সেখানেই ইন্তেকাল করেন। ওই সময়ে বেগম জিয়াকে দেশ ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশই তার একমাত্র ঠিকানা এবং বিদেশে তাঁর কোনো দ্বিতীয় কোনো বাড়ি নেই।
এরপর তিনি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চরম মাত্রার দমন-পীড়ন সহ্য করেন। কিন্তু কারও কাছে মাথা নত করেননি। এর মধ্য দিয়ে তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের পরিচয়ই ফুটে উঠেছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের রাজপথে আন্দোলন এবং বিরোধী দলগুলোর সংসদ বয়কটের মুখে তাঁর নেতৃত্বাধীন ষষ্ঠ সংসদ ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে ত্রয়োদশ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করে।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf934" ) );
কিন্তু পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে সুপ্রিম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার পর সংসদে তা বাতিল করে। অথচ এর আগে এই ব্যবস্থার দাবিতে আওয়ামী লীগই মরিয়া আন্দোলন করেছিল। বেগম জিয়া এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি যুক্তি দেখিয়ে বলেন, এর ফলে বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের চর্চা নষ্ট হয়েছে। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট ও অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১৫ বছরের সরকারের সময়ে বেগম জিয়া কঠোর দমন-পীড়ন ও হয়রানির শিকার হন। এর মধ্যে ছিল সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, কারাবন্দিত্ব ও দীর্ঘদিনের বন্দিজীবন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো এসব ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিপীড়ন হিসেবে বর্ণনা করে।
বিশ্লেষকরা জানান, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই হয়রানির মূল উদ্দেশ্য ছিল বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। তবে শেষ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জনরোষের মুখে পড়ে আওয়ামী লীগ সরকার। গণঅভ্যুত্থানের জেরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার টানা সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরে আসার পথ সুগম হয়।
jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6a8011fbbf94c" ) );
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন, যা মুসলিম বিশ্বের স্মরণকালের অন্যতম বড় জানাজায় পরিণত হয়। শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চিরবিদায় জানায় দেশের অগণিত জনগণ।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিএনপি। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমানে দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
&#160;
&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে জেন-জি’দের বিশেষ শুভেচ্ছা বিজয়ের</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/107/</link>
                <description><![CDATA[ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় তার প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে জেন-জি প্রজন্মকে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। চেন্নাইয়ের ফোর্ট সেন্ট জর্জ থেকে দেওয়া ভাষণের শুরুতেই তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমার সব তামিল ভাই-বোন ও জেন-জি বন্ধুদের ভানাক্কম।’
উল্লেখ্য, ‘ভানাক্কম’ তামিল ভাষার একটি সম্ভাষণ। বাংলায় এর অর্থ নমস্কার, প্রণাম বা প্রসঙ্গভেদে শুভেচ্ছা।
পতাকা উত্তোলনের আগে বিজয়ের বাবা এসএ চন্দ্রশেখর, মা শোবা চন্দ্রশেখর এবং অভিনেত্রী তৃষা সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন।
বিজয় বলেন, প্রশাসনিক বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তার সরকার সহযোগিতা করবে। তবে রাজ্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করে—এমন কোনো নীতির বিরোধিতা সবসময় করা হবে বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
তিনি জানান, দুর্নীতি দূর করাও এক ধরনের স্বাধীনতা। তার সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। সরকারি রাজস্ব যাতে ব্যক্তিবিশেষের হাতে চলে না যায়, তা ঠেকানো হয়েছে এবং সব বিভাগ থেকে দুর্নীতি নির্মূলে ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনবাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ক্রমেই সমৃদ্ধ হচ্ছে: দীনেশ ত্রিবেদী
তিনি আরও বলেন, তার সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করা শক্তিগুলোকে পরাজিত করা হবে এবং সরকারকে ঘিরে যেকোনো ষড়যন্ত্রও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।
জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বিষয়ে বিজয় জানান, আগের সরকারগুলোর চালু করা জনগণের উপকারী প্রকল্পগুলোও তার সরকার অব্যাহত রাখবে। এর মধ্যে এআইএডিএমকের ‘আম্মা ক্যান্টিন’ এবং ডিএমকের স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য সকালের নাশতার প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
আগামী *১৫ সেপ্টেম্বর দ্রাবিড় আন্দোলনের নেতা সি এন আন্নাদুরাইয়ের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য ‘থাইমামান থাঙ্গা মোথিরাম’ নামে স্বর্ণের আংটি দেওয়ার প্রকল্প চালু করা হবে বলেও জানান বিজয়। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি।
বিজয় জানান, জনগণ জাতপাত ও ধর্মের বিভেদ এবং অর্থ ও পেশিশক্তির রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে তার সরকারকে সমর্থন করেছে। তিনি দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার এবং জনগণের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিশ্বে ভারতের গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান বাড়ছে: মোদি
এ ছাড়া সাবেক সেনাসদস্যদের মেয়েদের বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার রুপি করার ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিবন্ধী সাবেক সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারের মাসিক সহায়তা ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭ হাজার রুপি করা হবে বলেও জানান।
সেইসঙ্গে&#160; মুক্তিযোদ্ধাদের পেনশন ২৩ হাজার রুপি এবং পারিবারিক পেনশন ১২ হাজার ৫০০ রুপি করার ঘোষণাও দেন তামিলনাড়ুর এ মুখ্যমন্ত্রী।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:18:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/107/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867783332980.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় তার প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে জেন-জি প্রজন্মকে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। চেন্নাইয়ের ফোর্ট সেন্ট জর্জ থেকে দেওয়া ভাষণের শুরুতেই তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমার সব তামিল ভাই-বোন ও জেন-জি বন্ধুদের ভানাক্কম।’
উল্লেখ্য, ‘ভানাক্কম’ তামিল ভাষার একটি সম্ভাষণ। বাংলায় এর অর্থ নমস্কার, প্রণাম বা প্রসঙ্গভেদে শুভেচ্ছা।
পতাকা উত্তোলনের আগে বিজয়ের বাবা এসএ চন্দ্রশেখর, মা শোবা চন্দ্রশেখর এবং অভিনেত্রী তৃষা সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন।
বিজয় বলেন, প্রশাসনিক বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তার সরকার সহযোগিতা করবে। তবে রাজ্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করে—এমন কোনো নীতির বিরোধিতা সবসময় করা হবে বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
তিনি জানান, দুর্নীতি দূর করাও এক ধরনের স্বাধীনতা। তার সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। সরকারি রাজস্ব যাতে ব্যক্তিবিশেষের হাতে চলে না যায়, তা ঠেকানো হয়েছে এবং সব বিভাগ থেকে দুর্নীতি নির্মূলে ধারাবাহিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনবাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ক্রমেই সমৃদ্ধ হচ্ছে: দীনেশ ত্রিবেদী
তিনি আরও বলেন, তার সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করা শক্তিগুলোকে পরাজিত করা হবে এবং সরকারকে ঘিরে যেকোনো ষড়যন্ত্রও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।
জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির বিষয়ে বিজয় জানান, আগের সরকারগুলোর চালু করা জনগণের উপকারী প্রকল্পগুলোও তার সরকার অব্যাহত রাখবে। এর মধ্যে এআইএডিএমকের ‘আম্মা ক্যান্টিন’ এবং ডিএমকের স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য সকালের নাশতার প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
আগামী *১৫ সেপ্টেম্বর দ্রাবিড় আন্দোলনের নেতা সি এন আন্নাদুরাইয়ের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের জন্য ‘থাইমামান থাঙ্গা মোথিরাম’ নামে স্বর্ণের আংটি দেওয়ার প্রকল্প চালু করা হবে বলেও জানান বিজয়। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি।
বিজয় জানান, জনগণ জাতপাত ও ধর্মের বিভেদ এবং অর্থ ও পেশিশক্তির রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে তার সরকারকে সমর্থন করেছে। তিনি দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার এবং জনগণের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনবিশ্বে ভারতের গ্রহণযোগ্যতা ও সম্মান বাড়ছে: মোদি
এ ছাড়া সাবেক সেনাসদস্যদের মেয়েদের বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার রুপি করার ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিবন্ধী সাবেক সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারের মাসিক সহায়তা ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭ হাজার রুপি করা হবে বলেও জানান।
সেইসঙ্গে&#160; মুক্তিযোদ্ধাদের পেনশন ২৩ হাজার রুপি এবং পারিবারিক পেনশন ১২ হাজার ৫০০ রুপি করার ঘোষণাও দেন তামিলনাড়ুর এ মুখ্যমন্ত্রী।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>অক্টোবরে চালু হবে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/106/</link>
                <description><![CDATA[শিশু স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগ ও কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করার কাজ শুরু করেছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে এই পাঁচটি হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&#160;
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধন শেষে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনআগামী সপ্তাহেই দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ভবন-২-এর উদ্বোধনের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে আরও একটি ধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া। সময়ের প্রয়োজনে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি এখন আকার ও আয়তনে আরও বড় হয়েছে। এ জন্য হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। স্ট্রোক, ইপিলেপসি বা খিঁচুনি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া কিংবা মেরুদণ্ডের জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজনিয়তা দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
আরও পড়ুনআরও পড়ুননিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
নতুন ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এসব রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণে বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে নির্মিত ভবনটি শুধু রোগী ভর্তির সক্ষমতা বাড়াবে না, চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&#160;
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত শয্যা ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো হয়ে উঠবে।
তারেক রহমান বলেন, শুধু প্রযুক্তি থাকলেই স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না, এ ক্ষেত্রে মানবিকতার গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের কোনো বিকল্প নেই।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনআগ্রহীদের দৌড়ঝাঁপ, বাদ পড়ার শঙ্কায় অস্থিরতা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজন এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক থাকা জরুরি। এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের পরিবর্তে চিকিৎসকরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন কিংবা রোগী ও তাদের স্বজনরা চিকিৎসকদের প্রতি বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেও চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, রোগীর প্রতি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর সহানুভূতিশীল আচরণ, মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা, রোগীর মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক আচরণ চিকিৎসাসেবার মান অনেক বাড়িয়ে দেয়।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 13:17:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/106/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867782476437.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[শিশু স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগ ও কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করার কাজ শুরু করেছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে এই পাঁচটি হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&#160;
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধন শেষে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনআগামী সপ্তাহেই দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ভবন-২-এর উদ্বোধনের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে আরও একটি ধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া। সময়ের প্রয়োজনে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি এখন আকার ও আয়তনে আরও বড় হয়েছে। এ জন্য হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। স্ট্রোক, ইপিলেপসি বা খিঁচুনি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া কিংবা মেরুদণ্ডের জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজনিয়তা দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
আরও পড়ুনআরও পড়ুননিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
নতুন ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এসব রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণে বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে নির্মিত ভবনটি শুধু রোগী ভর্তির সক্ষমতা বাড়াবে না, চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&#160;
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত শয্যা ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো হয়ে উঠবে।
তারেক রহমান বলেন, শুধু প্রযুক্তি থাকলেই স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না, এ ক্ষেত্রে মানবিকতার গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের কোনো বিকল্প নেই।
আরও পড়ুনআরও পড়ুনআগ্রহীদের দৌড়ঝাঁপ, বাদ পড়ার শঙ্কায় অস্থিরতা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজন এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক থাকা জরুরি। এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের পরিবর্তে চিকিৎসকরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন কিংবা রোগী ও তাদের স্বজনরা চিকিৎসকদের প্রতি বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেও চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, রোগীর প্রতি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর সহানুভূতিশীল আচরণ, মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা, রোগীর মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক আচরণ চিকিৎসাসেবার মান অনেক বাড়িয়ে দেয়।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/105/</link>
                <description><![CDATA[প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষ্যে সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করবে বিএনপি।&#160;শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।এতে বলা হয়, সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে অথবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। আর ঢাকায় বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।এ কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।খালেদা জিয়ার পারিবারিক নাম খালেদা খানম, ডাকনাম পুতুল। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীতে হলেও তিনি জলপাইগুড়িতে বোনের বাসায় থেকে পড়ালেখা করেন। সেখানে চা ব্যবসাও করেন তিনি। পরে পরিবার নিয়ে দিনাজপুর শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সেখানকার একটি মিশনারি স্কুল ও পরে দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন খালেদা জিয়া।১৯৬০ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রাখেন জিয়াউর রহমান। তখন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ওই ঘোষণা শুনে বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।&#160;স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন জিয়াউর রহমান। সে সময় তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভু্যত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বিএনপির হাল ধরেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া।১৯৮৩ সালে তার নেতৃত্বে বিএনপি সাতদলীয় জোট গঠন করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন শুরু করে। সেই আন্দোলনে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও জোট ছিল। তারা এরশাদ সরকারের সঙ্গে কখনো কখনো সমঝোতায় গেলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সমঝোতায় যায়নি। এ কারণেই তিনি আপসহীন নেত্রী উপাধি পান।&#160;১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরে তিন আরও দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হন। ওয়ান-ইলেভেনের পর ফখরুদ্দীন-মউনউদ্দিন সরকারের আমলে তিনি কারাবন্দি হন। পরে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মিথ্যা মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া মারা যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন। ক্ষমতাসীন দলটির নেতৃত্বে এখন আছেন তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমান, যিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।]]></description>
                <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 02:00:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/105/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17867376681192.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষ্যে সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করবে বিএনপি।&#160;শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।এতে বলা হয়, সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে অথবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। আর ঢাকায় বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।এ কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।খালেদা জিয়ার পারিবারিক নাম খালেদা খানম, ডাকনাম পুতুল। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীতে হলেও তিনি জলপাইগুড়িতে বোনের বাসায় থেকে পড়ালেখা করেন। সেখানে চা ব্যবসাও করেন তিনি। পরে পরিবার নিয়ে দিনাজপুর শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সেখানকার একটি মিশনারি স্কুল ও পরে দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন খালেদা জিয়া।১৯৬০ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রাখেন জিয়াউর রহমান। তখন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ওই ঘোষণা শুনে বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।&#160;স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন জিয়াউর রহমান। সে সময় তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভু্যত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বিএনপির হাল ধরেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া।১৯৮৩ সালে তার নেতৃত্বে বিএনপি সাতদলীয় জোট গঠন করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন শুরু করে। সেই আন্দোলনে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও জোট ছিল। তারা এরশাদ সরকারের সঙ্গে কখনো কখনো সমঝোতায় গেলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সমঝোতায় যায়নি। এ কারণেই তিনি আপসহীন নেত্রী উপাধি পান।&#160;১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরে তিন আরও দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হন। ওয়ান-ইলেভেনের পর ফখরুদ্দীন-মউনউদ্দিন সরকারের আমলে তিনি কারাবন্দি হন। পরে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মিথ্যা মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া মারা যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন। ক্ষমতাসীন দলটির নেতৃত্বে এখন আছেন তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমান, যিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>মাগুরার বাড়িতে হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানালেন সাকিব</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/104/</link>
                <description><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের শহরের বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে মাগুরা শহরের কেশবমোড় এলাকায় সাকিবের পৈতৃক নিবাসে এই ঘটনা ঘটে।
দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দেওয়ার পরপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে শ্রীলঙ্কা থেকে ফোনে ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন সাকিব আল হাসান।&#160; তিনি বলেন, ‘‘প্রেস কনফারেন্সের পরপরই মাগুরায় আমার বাসায় পেট্রোল বোমা মারা হয়েছে৷ আগুন ধরেছে৷ বিস্তারিত এখনও জানতে পারিনি৷ কিছু ককটেলও বোধহয় মেরেছে ওখানে।’’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা সাকিবের বাড়ির দক্ষিণ পাশের লোহার গেটের ওপরের অংশ লক্ষ্য করে বিস্ফোরকসদৃশ একটি বস্তু নিক্ষেপ করে। বিকট শব্দে বস্তুটি বিস্ফোরিত হলে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে মাগুরা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা পুরো বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহের চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। বাড়ির গেটে যে বস্তুটি নিক্ষেপ করা হয়েছে, সেটি পেট্রোল বোমা কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞ ও তদন্ত কর্মকর্তাদের মতামতের ভিত্তিতে নিক্ষিপ্ত বস্তুর ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, কারা কী উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা উদঘাটনে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকাটিতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
এদিন দিল্লিতে অনুষ্ঠিট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন সাকিব আল হাসান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে অনেক সংসদ সদস্যের বাড়িতে হামলার খবর পাওয়া গেলেও সাকিবের বাড়িতে এই প্রথম এ ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগ উঠল।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 01:21:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/104/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17859577225870.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের শহরের বাড়িতে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে মাগুরা শহরের কেশবমোড় এলাকায় সাকিবের পৈতৃক নিবাসে এই ঘটনা ঘটে।
দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দেওয়ার পরপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে শ্রীলঙ্কা থেকে ফোনে ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন সাকিব আল হাসান।&#160; তিনি বলেন, ‘‘প্রেস কনফারেন্সের পরপরই মাগুরায় আমার বাসায় পেট্রোল বোমা মারা হয়েছে৷ আগুন ধরেছে৷ বিস্তারিত এখনও জানতে পারিনি৷ কিছু ককটেলও বোধহয় মেরেছে ওখানে।’’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা সাকিবের বাড়ির দক্ষিণ পাশের লোহার গেটের ওপরের অংশ লক্ষ্য করে বিস্ফোরকসদৃশ একটি বস্তু নিক্ষেপ করে। বিকট শব্দে বস্তুটি বিস্ফোরিত হলে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে মাগুরা সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা পুরো বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহের চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। বাড়ির গেটে যে বস্তুটি নিক্ষেপ করা হয়েছে, সেটি পেট্রোল বোমা কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞ ও তদন্ত কর্মকর্তাদের মতামতের ভিত্তিতে নিক্ষিপ্ত বস্তুর ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, কারা কী উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা উদঘাটনে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকাটিতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
এদিন দিল্লিতে অনুষ্ঠিট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন সাকিব আল হাসান।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে অনেক সংসদ সদস্যের বাড়িতে হামলার খবর পাওয়া গেলেও সাকিবের বাড়িতে এই প্রথম এ ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগ উঠল।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>১ দফার ঘোষক হয়ে কেমন লাগছে, জনাব তারেক রহমান: সারজিস আলম</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/103/</link>
                <description><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে ‘১ দফার ঘোষক’ মন্তব্য করে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বুধবার (০৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরপর দুটি পোস্ট দেন সারজিস।&#160;
সর্বশেষ পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জনাব তারেক রহমান, ১ দফার ঘোষক হয়ে কেমন লাগছে?’। তবে এ পোস্টে তিনি এর কোনো ব্যাখ্যা দেননি।&#160;
এর আগের পোস্টে সারজিস লেখেন, ‘চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি দেখিয়েছে। সেখানে ৩ আগস্ট ঘোষিত জুলাইয়ের এক দফা নেই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম-চিহ্ন পর্যন্ত নেই। ডকুমেন্টারিটি দেখলে মনে হতে পারে, জুলাইয়ে কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি, বিএনপির দলীয় অভ্যুত্থান হয়েছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘ইতিহাসকে দখল করার যে প্রবণতা আওয়ামী লীগের ছিল, বিএনপিও সেটিই অনুসরণ করছে বলে মনে হচ্ছে।’

পোস্টে সারজিস আলম আরও লেখেন, ‘এই দলীয় সংকীর্ণতা ও দেউলিয়াত্ব নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন ডিয়ার বিএনপি? শুধু মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ দিয়ে এই দলীয়করণ ও দখলবাজির কলঙ্কের দাগ মুছতে পারবেন না আপনারা।’
প্রসঙ্গত, বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ওই প্রামাণ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ব্যক্তির অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলে অনুষ্ঠানে হট্টগোলের ঘটনাও ঘটে। এর পরই এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান সারজিস আলম।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 20:29:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/103/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17859401654389.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে ‘১ দফার ঘোষক’ মন্তব্য করে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
বুধবার (০৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরপর দুটি পোস্ট দেন সারজিস।&#160;
সর্বশেষ পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জনাব তারেক রহমান, ১ দফার ঘোষক হয়ে কেমন লাগছে?’। তবে এ পোস্টে তিনি এর কোনো ব্যাখ্যা দেননি।&#160;
এর আগের পোস্টে সারজিস লেখেন, ‘চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি দেখিয়েছে। সেখানে ৩ আগস্ট ঘোষিত জুলাইয়ের এক দফা নেই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম-চিহ্ন পর্যন্ত নেই। ডকুমেন্টারিটি দেখলে মনে হতে পারে, জুলাইয়ে কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি, বিএনপির দলীয় অভ্যুত্থান হয়েছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘ইতিহাসকে দখল করার যে প্রবণতা আওয়ামী লীগের ছিল, বিএনপিও সেটিই অনুসরণ করছে বলে মনে হচ্ছে।’

পোস্টে সারজিস আলম আরও লেখেন, ‘এই দলীয় সংকীর্ণতা ও দেউলিয়াত্ব নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন ডিয়ার বিএনপি? শুধু মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ দিয়ে এই দলীয়করণ ও দখলবাজির কলঙ্কের দাগ মুছতে পারবেন না আপনারা।’
প্রসঙ্গত, বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ওই প্রামাণ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ব্যক্তির অনুপস্থিতির অভিযোগ তুলে অনুষ্ঠানে হট্টগোলের ঘটনাও ঘটে। এর পরই এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান সারজিস আলম।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/102/</link>
                <description><![CDATA[সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় রাজনৈতিক সংগঠন নতুন ধারা বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও সিনিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল ও হরী সরকার।
বুধবার (৫ আগস্ট) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শাহবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোমিন মেহেদী, শান্তা ফারজানাসহ ওই ছয়জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তি শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় আরো ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৭/৮/৯(১)/৯(২)/১০/১১/১২ তৎসহ দণ্ডবিধি আইনের ১৪৩/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬/১১৪/৩৪ ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা আওয়ামী লীগের দোসর এবং বর্তমান সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আসামিরা উস্কানিমূলক স্লোগান ও মিছিল দিতে থাকে। এ সময় বাবুল সরকার এবং রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্য সচিব আল নুর মোহাম্মদ আয়াসসহ জুলাই আন্দোলনের কয়েকজন এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, এসএস পাইপ, চেয়ার ও হকিস্টিক নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে আয়াসসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আয়াসকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাসস
]]></description>
                <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 18:49:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/102/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17859342103467.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় রাজনৈতিক সংগঠন নতুন ধারা বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও সিনিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল ও হরী সরকার।
বুধবার (৫ আগস্ট) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শাহবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোমিন মেহেদী, শান্তা ফারজানাসহ ওই ছয়জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তি শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় আরো ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৭/৮/৯(১)/৯(২)/১০/১১/১২ তৎসহ দণ্ডবিধি আইনের ১৪৩/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬/১১৪/৩৪ ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা আওয়ামী লীগের দোসর এবং বর্তমান সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রকারী। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আসামিরা উস্কানিমূলক স্লোগান ও মিছিল দিতে থাকে। এ সময় বাবুল সরকার এবং রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্য সচিব আল নুর মোহাম্মদ আয়াসসহ জুলাই আন্দোলনের কয়েকজন এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, এসএস পাইপ, চেয়ার ও হকিস্টিক নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে আয়াসসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আয়াসকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাসস
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে  হলো ‘৩৬ জুলাই’</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/101/</link>
                <description><![CDATA[ক্যালেন্ডারের পাতা অনুযায়ী দিনটি ছিল ৫ আগস্ট। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও দেশত্যাগের পর বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার উল্লাসে মুখরিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ—সবখানেই ভেসে ওঠে একটি প্রতীকী শব্দবন্ধ: ‘৩৬ জুলাই’। আপাতদৃষ্টিতে পঞ্জিকার নিয়মে যা অসম্ভব, আন্দোলনকারীদের কাছে তা হয়ে ওঠে একটি ঐতিহাসিক সত্য ও বিজয়ের স্মারক।
২০২৪ সালের ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। ১৬ জুলাই থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের হামলায় প্রাণহানি শুরু হলে বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এদিন সারাদেশে এই আন্দোলনে থাকা ৬ জনের মৃত্যু হয়। শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোটা সংস্কার হলেও এক পর্যায়ে সেটা এক দফা সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়।&#160;
জুলাই মাসজুড়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকের প্রাণহানির ঘটনায় আন্দোলনকারীদের শপথ ছিল—দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রামের ‘জুলাই মাস’ শেষ হবে না। ফলে আগস্টের ১ তারিখ থেকে তারা নতুন মাসের গণনা শুরু না করে সেটিকে জুলাইয়ের বর্ধিত অংশ হিসেবে দেখতে থাকেন।&#160;
আরও পড়ুনআরও পড়ুনগণভবন থেকে হিন্দন: হাসিনার দেশত্যাগের ঘটনাপ্রবাহ
প্রতিবাদের এই অভিনব ধারায় ১ আগস্ট হয়ে ওঠে ‘৩১ জুলাই’, ৪ আগস্ট ‘৩৪ জুলাই’ এবং অবশেষে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের চূড়ান্ত বিজয়ের দিনটিকে চিহ্নিত করা হয় ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে।&#160;
আন্দোলনকারীদের মতে, এই ‘৩৬ জুলাই’ কেবল একটি দিন গণনা নয়; এটি শহীদদের রক্ত ও আত্মত্যাগকে অমর করে রাখার এক প্রতীকী অঙ্গীকার। গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতনের মাধ্যমে এই দিনটি তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে নেয়।&#160;
]]></description>
                <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 16:54:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/101/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17859272612176.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ক্যালেন্ডারের পাতা অনুযায়ী দিনটি ছিল ৫ আগস্ট। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও দেশত্যাগের পর বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার উল্লাসে মুখরিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ—সবখানেই ভেসে ওঠে একটি প্রতীকী শব্দবন্ধ: ‘৩৬ জুলাই’। আপাতদৃষ্টিতে পঞ্জিকার নিয়মে যা অসম্ভব, আন্দোলনকারীদের কাছে তা হয়ে ওঠে একটি ঐতিহাসিক সত্য ও বিজয়ের স্মারক।
২০২৪ সালের ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। ১৬ জুলাই থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের হামলায় প্রাণহানি শুরু হলে বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। এদিন সারাদেশে এই আন্দোলনে থাকা ৬ জনের মৃত্যু হয়। শিক্ষার্থীদের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোটা সংস্কার হলেও এক পর্যায়ে সেটা এক দফা সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়।&#160;
জুলাই মাসজুড়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকের প্রাণহানির ঘটনায় আন্দোলনকারীদের শপথ ছিল—দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রামের ‘জুলাই মাস’ শেষ হবে না। ফলে আগস্টের ১ তারিখ থেকে তারা নতুন মাসের গণনা শুরু না করে সেটিকে জুলাইয়ের বর্ধিত অংশ হিসেবে দেখতে থাকেন।&#160;
আরও পড়ুনআরও পড়ুনগণভবন থেকে হিন্দন: হাসিনার দেশত্যাগের ঘটনাপ্রবাহ
প্রতিবাদের এই অভিনব ধারায় ১ আগস্ট হয়ে ওঠে ‘৩১ জুলাই’, ৪ আগস্ট ‘৩৪ জুলাই’ এবং অবশেষে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের চূড়ান্ত বিজয়ের দিনটিকে চিহ্নিত করা হয় ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে।&#160;
আন্দোলনকারীদের মতে, এই ‘৩৬ জুলাই’ কেবল একটি দিন গণনা নয়; এটি শহীদদের রক্ত ও আত্মত্যাগকে অমর করে রাখার এক প্রতীকী অঙ্গীকার। গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতনের মাধ্যমে এই দিনটি তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে নেয়।&#160;
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীর</title>
                <link>https://nagorbarta.com.bd/NB/100/</link>
                <description><![CDATA[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট দেয়ার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য অব্যহতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে, তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করা হয়।
আজ বুধবার সকালে ঢাকার পূর্ব মনিপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বিকেলে বগুড়া জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে অবস্থানকালে জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল দেখতে পান গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ও উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে তীব্র সমালোচনার মুখে অভিযুক্ত ব্যক্তি পোস্টটি মুছে ফেলেন। এই ঘটনায় তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বগুড়া ডিবি’র ওসি ইকবাল বাহার জানান, আজ দুপুরে আসামি সালাউদ্দিন তানভীরকে বগুড়া সদর আমলী আদালতে হাজির করা হলে জামিন নামঞ্জুর করেন। এরপর তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল বলেন, ওই পোস্টের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অবমাননা করা হয়েছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়েছে। বিষয়টি দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অবগতির পর সিদ্ধান্ত নিয়ে গত রোববার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তা এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে ঢাকার পূর্ব মনিপুর থেকে গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 16:52:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://nagorbarta.com.bd/NB/100/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://nagorbarta.com.bd/uploads/2026/08/img_17859271439427.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট দেয়ার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য অব্যহতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে, তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করা হয়।
আজ বুধবার সকালে ঢাকার পূর্ব মনিপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই বিকেলে বগুড়া জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে অবস্থানকালে জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল দেখতে পান গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ও উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়া হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে তীব্র সমালোচনার মুখে অভিযুক্ত ব্যক্তি পোস্টটি মুছে ফেলেন। এই ঘটনায় তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বগুড়া ডিবি’র ওসি ইকবাল বাহার জানান, আজ দুপুরে আসামি সালাউদ্দিন তানভীরকে বগুড়া সদর আমলী আদালতে হাজির করা হলে জামিন নামঞ্জুর করেন। এরপর তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল বলেন, ওই পোস্টের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অবমাননা করা হয়েছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হয়েছে। বিষয়টি দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অবগতির পর সিদ্ধান্ত নিয়ে গত রোববার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তা এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে ঢাকার পূর্ব মনিপুর থেকে গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item></channel></rss>