চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস (জেটি) আনস্টাফিংয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সহকারী কমিশনার (এসি) ওমর কাউসার শুরু করেছেন বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য। সেই ঘুষ নেওয়া সহযোগিতায় করছেন এমবিবি আনস্টাফিং, (আরও) সুমন কান্তি বিশ্বাস, চট্টগ্রাম বন্দরে পিসিটি সহ ৫টি আনস্টাফিং গেইট আছে, প্রতি গেইট থেকে সাপ্তাহে ১৫০০০০/লক্ষ টাকা করে আদায় করে, গোপন সূত্রে পাওয়া খবর ! এইজন্য প্রতি গেটের (আরও)এআরও)দেরকে চাপ প্রয়োগ করে, প্রতিটা কমার্শিয়াল পণ্য ছাড়যোগ্য করতে হলে, ওমর কাউসার এসি অনুমতি নিতে হবে, তাই বাধ্য হয়ে সিএনএফ কর্মচারীদের কে এসি ওমর ফারুকের অফিসে পাঠাতে হয়, সিএনএফ কর্মচারীরা যদি বলে স্যার সব পণ্য গেইট আনস্টাফিং স্যারদের দেখাইছি, এসি ওমর ফারুক বলেন আমি আগামীকাল দেখবো ইনডেন দেন ,ভালো করে দেখতে হবে, তখন ব্যবসায়িক কর্মচারীরা নিরুপায় হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়, একজন সিপাহী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, এমবিবি আনস্টাফিং গেটের (আরও) সুমন কান্তি বিশ্বাস প্রতিদিন ওমর কাউসার এসির অফিস রুমে যাই, এবং দিকনির্দেশনা দিয়ে আসে, ঘুষ না পেলে সিএনএফ কর্মচারীদেরকে কিভাবে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পণ্য আটকে রাখা যায়, একদিন যদি একটি কন্টেইনার আটকে থাকে ব্যবসায়ীদের অনেক টাকা বন্দরে ডেমারিজ দিতে হয়, সেই ভয়ে ঘুষের বিনিময় পণ্যছাড় করতে হয়, সিএনএফ কর্মচারীরা পণ্যছাড় করণে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে চরম হয়রানি করেছেন , তাই সিএনএফ কর্মচারীরা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়, তিনি সিএন্ডএফ কর্মচারীদের ফাইল আটকে রাখছেন এবং পণ্য ছাড়করণে বিভিন্ন অজুহাতে চরম হয়রানি করছেন।
নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসার পরিবেশ বিনষ্টকারী এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার কারণে সাধারণ ব্যবসায়ী ও সিএন্ডএফ কর্মচারীরা আজ চরম অতিষ্ঠ। ঘুষখোর ওমর কাউসার ও (আরও) সুমন কান্তি বিশ্বাস এর হাত থেকে দ্রুত মুক্তি এবং কাস্টম হাউস স্বচ্ছ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেনে
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি এবং সিএনএফ কর্মচারীরা।
ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি ও সিএনএফদের প্রতিবাদের পর এসি ওমর কাউসার, এবং রাজস্ব কর্মকর্তা সুমন কান্তি বিশ্বাস, নাকি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন! ঘুষ ও হয়রানির মাত্রা নাকি এখন দ্বিগুণ! সংবাদ প্রকাশের পর থেকে, সিএনএফ কর্মচারীদের সাথে, এসি ওমর কাউসার, ও রাজ্যকর্তা সুমন কান্তি বিশ্বাস, খুব বাজে ব্যবহার করছে, সুমন কান্তি বিশ্বাস, এমবিবি আনস্টাপিং গেইট, (আরও)সারাদিন সিএনএফ কর্মচারীদের কে বিভিন্ন রকম অজুহাত দেখিয়ে, রাত দশটা এগারোটার দিকে বলে, পণ্য আগামীকাল দেখাও ভালো করে দেখতে হবে, সিএনএফ প্রতিনিধি নিরুপায় হয়ে, ডাবল ঘুষ দিতে হয়, আগামীকাল হলেই বন্দর ডেমারিস দিতে হবে, ব্যবসায়িক ও সিএনএফ প্রতিনিধি, কথা হচ্ছে সারাদিন বসে থেকে সময় পার করে, রাত্রেবেলা এ অজুহাত দেই,
কাস্টম হাউস কি জনগণের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, নাকি গুটিকয়েক দুর্নীতিবাজের সিন্ডিকেট? গণমাধ্যম ও সাধারণ ব্যবসায়ী ও সিএনএফদের তোয়াক্কা না করে এই চরম বেপরোয়া ভাব কিসের ইঙ্গিত দেয়? কাস্টমস কমিশনার, কি এই গুলো দেখে না, নাকি দেখেও চুপ থাকে, নাকি এই ওপেন সিক্রেট বাণিজ্যের পেছনে অন্য কারও ছত্রছায়া আছে?